চোখের কোণের পাশে জমাট বাধল,
শত বর্ষের জমে থাকা অঝর স্মৃতির সৃষ্টি।
দৃষ্টির মরিচিকায় বিভ্রান্ত মন
রং এর বাহারী আলো ফেলল,
হঠাৎ স্মৃতি থেকে উঠে আসা মেঠো পথে।
ফিরে যাই মধ্য বিকেলের সূর্যের কাছে।
লেকের ধারে চিরসাক্ষ্ণী হয়ে থাকা,
প্রনয়ের প্রথম বিনিময়ে।
তখন নির্বাক দৃষ্টিতে ছিল ভালবাসার সাম্রাজ্য
ভেসে বেড়ান মেঘের আড়ালে ছিল আবেগ
আর টইটুম্বুর ছিল আবেগের ধারা।
কতদিন আমরা সেই অঝর ধারায় ভিজেছি?
কতদিন আমরা সেই অমিত সুধা পান করেছি?
কতদিন আমরা সেই হারিয়ে যাওয়া কৃষ্ণ-রাধার কথা বলেছি?
আজ আবার সেই হলুদ রং আমাকে ফিরিয়ে দিল
সময়ের হাত ধরে উঠে আসা স্মৃতির মেঠো পথে।
কতদিন অঝর ধারায় সেই পথে বৃষ্টি হয়নি?
সময় হয়ত দু’কুলে বেঁধেছে দু’নৌকা,
কিন্তু নৌকা তে একটাই,শুধু জানে সেই মাঝি।
সময়ের এই নির্মম পরিহাসে ভেসে গেছে
ভালবাসার মিলনের অগ্নিশপথ।
যা রেখেছিল দু’জন দু’জনার হাতে হাত রেখে,
পূর্ণিমার মধ্য রাতের তারাদের বরযাত্রীর নিমন্ত্র্রণে।
আজ এসবই কল্পকথার বিরক্তির উৎপাদক।
যা হঠাৎ কল্পনার চাদর সরিয়ে,
বিবর্ণ জীবনের মাঝে টেনে আনল এক রং,
সময়ের কোলে হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির মেঠো পথে।
শুনেছি চাঁদ মামা নাকি পত্র বাহক?
তাই জেনে কতদিন পত্র লিখেছি।
জানি উত্তর আসবে না তবুও লিখেছি।
মামা কিন্তু তোমার খবর আমায় ঠিকই দিত।
খারাপ খবর শুনলে মন খারাপ হত
আর তখন মামা মামীর খুনসুটীর কথা বলে
আমাকে তোমার মাঝে ঢুবতে দিত না।
এভাবেই তো বেশ ছিলাম
তাহলে হঠাৎ কেন এক আসময়ে বৃষ্টি
যা আমাকে স্মৃতির মেঠো পথকে
পিচ্ছিল করে আরও বিবর্ণ করতে?


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


