১। 'হেমন্তের নরম উৎসব' লিখেছেন অলোক গোস্বামী।
( আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে ----।
সুরটা শুনেই গা পিত্তি জ্বলে উঠলো পূর্ণেন্দু তলাপাত্রের। এই এক নতুন উপদ্রব শুরু হয়েছে। রণে, বনে, জলে, জঙ্গলে যখন খুশি তখন, আশপাশের কোমর বন্ধনী কিংবা বুক পকেট থেকে মুঠো মুঠো আনন্দ ছড়িয়ে পড়ছে আকাশে বাতাসে। ...)
২। 'স্বপ্নপূরণ' লিখেছেন- আনোয়ার সাদাত শিমুল।
(আরমান বারবার মোবাইলে রিং করে যাচ্ছে। রিং হচ্ছে কিন্তু রোমানা রিসিভ করছে না। টেনশন হয় খানিক । আবার মেজাজও চড়ে উঠে। মানুষ এমন কেয়ারলেস হয়! রোমানা হয়তো এখন শপিংয়ে কিংবা মায়ের বাসায়। ব্যাগে মোবাইল বেজে চলেছে অবিরাম। সেদিকে রোমানার খেয়াল নেই। সে হয়তো গুলশান মার্কেটে হোলসেল শপে রেভলন - গার্নেয়ার – সিট্রা খুঁজে বেড়াচ্ছে অথবা স্কুল জীবনের বান্ধবীদের সাথে বাস্কিন এন্ড রবিন্সে আইসক্রীম খাচ্ছে! মোবাইলের রিং সে শুনতেই পাচ্ছে না। শেষে দেখা যাবে - টুয়েন্টি মিসড কল। তেমন সিরিয়াস কিছু না - কাজের ফাঁকে ‘কী করছো’ টাইপ টুকটাক কথা বলার জন্যই আরমানের ফোন করা।... )
৩। 'অনাবাদী জমি'- লিখেছেন- দেবাশীষ চক্রবর্তী।
(অনুসন্ধিৎসা হইতেই যে জ্ঞানের জন্ম হয়, এ বিষয়ে আনন্দচন্দ্রের কোন প্রকার দ্বিধাবোধ আর নাই বর্তমানে। প্রায় মধ্যবয়সে উপনীত আনন্দ তাহার স্মৃতি নামক সেই অদৃশ্য যন্ত্রটির চাকা ঘুরাইয়া জীবনের প্রথম জ্ঞানের ঘটনাটি তাহার মানসপটে প্রস্ফুটিত করিতে সমর্থ হইল। তাহা আগুন।...)
৪। 'বৃহৎ ছাগতন্ত্র' - লিখেছেন- বিপুল দাস-
(খুবই আশ্চর্যজনক ব্যাপার যে, মোবাইলে সবাই মেসেজ পাঠায়। এখন পর্যন্ত আমি খুব কমই দেখিয়াছি যে মেসেজ আসিতেছে বা কেহ পাঠাইতেছে। মেসেজ, যাহা কিনা আদতে ম্যাসাজ – আমি জানিতাম অপ্রেরণীয়। প্রেরণামূলক হইলেই প্রেরণীয় হয় না। তদ্ব্যতীত, শব্দটির কেমন একটি আমিষ অনুসঙ্গ আছে। গরমমশল্লার ক্ষীণ গন্ধ পাই। আর কে না জানে মানুষ আবহমানের পাঁঠাবিলাসি। ভালোবাসিয়া মানুষ গুহাগাত্রে পাঁঠার ছবি আঁকিয়াছে।...)
৫। 'বিন লাদেনের ঘোড়া' - লিখেছেন - শিবাশীষ রায়-
( আচ্ছন্ন আকাশ, শুকতারা এখন মাথার পিছনে ডুবে যাবে নতুন ভোরে। ঈশান কোণে দুটো গাছ – বট আর পিপুল পাশাপাশি বেড়ে উঠেছে একই সাথে পরস্পরকে জড়িয়ে। এমন দুটো গাছেরই বিয়ে হয়। তাই গ্রামের মানুষ আঁধার থাকতে থাকতেই কাঘরা পাতা যোগাড় করে, বানায় পাতার বর-কনে লাদা-লাদি। জোনাকির মত সার বেঁধে মানুষেরা জড় হয় পিপুল-বটের থানে। সেখানে কাঠি পড়েছে ঢাকে।... )
৬। ' একটি অসমাপ্ত খসড়া'- লিখেছেন- শুভময় সরকার-
( এই শহরকে যেন ঠিক শহর বলা যায় না, সমস্ত কিছুর মধ্যেই এক অস্থায়ী ব্যাপার। আটষট্টির ভয়াবহ বন্যার পর থেকেই শহর জুড়ে বিষন্নতা ছেয়ে রয়েছে। একদিন যেন সবকিছু গুটিয়ে ফেলবে মানুষগুলো, চলে যাবে অন্য কোথাও। এই শহর হয়ে যাবে তেপান্তরের মাঠ, যেতে যেতে একসময় হঠাৎ করেই মিশে যাবে দিগন্তে। সবকিছু যেন একদিন চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গেছে মানুষের স্বপ্নের মত। মানুষ হঠাৎ করেই জেগে উঠে দেখছিল এক বিষাদ নগরীকে। ...)
পড়তে চাইলে ক্লিক করুন
এখানে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


