অনেকেই বলছেন, কালের কণ্ঠের মান ভালই হচ্ছে এবং ধীরে ধীরে প্রথম আলোর শক্ত প্রতিদ্বন্ধী হয়ে উঠছে। আমি মনে করি, কালের কণ্ঠের এই সাফল্যের পেছনে অন্যতম কারণ, যারা প্রথম আলো গড়ে তুলেছে, তাদের অনেকেই কালের কণ্ঠে কাজ করছেন। অন্য পত্রিকার দক্ষ সংবাদকর্মীরাও দক্ষতা দেখাচ্ছেন। বিনিয়োগকারী হিসেবে বসুন্ধরা গ্রুপ যে স্ট্রাটেজি নিয়েছে তা কাজে লাগছে। তবে একটি দৈনিক পত্রিকাকে প্রতিদিন প্রতিযোগিতা করতে হয়। দেখা যাক, সামনের দিনগুলোতে ফলাফল কী দাড়ায়।
আমরা চাই বাংলাদেশের গণমাধ্যমে কখনো একটিমাত্র পত্রিকা বা টিভি একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার না করুক। এতে ক্ষমতার অপব্যবহার হয়। প্রথম আলো এই ক্ষমতার অপব্যবহার পাঠক পর্যায়ে/জাতীয় পর্যায়ে যেমন করছে, অভ্যন্তরীণভাবে নিজেদের কর্মীদের বেলায়ও করেছে এবং করছে। তাই প্রথম আলোতে কর্মরত অনেক কর্মীই মনে-প্রাণে চাচ্ছেন, কালের কণ্ঠ ভালো করুক, যেন সম্পাদকের দম্ভ প্রশমিত হয়।
প্রথম আলোতে কর্মরত বর্তমান এবং সাবেক সহকর্মীদের অভিমত অনুযায়ী আমার এই ধারণা। উভয় পত্রিকার ওয়েব: http://www.kalerkantho.com এবং http://www.prothom-alo.com
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


