জানুয়ারি মাস বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জন্য অনেক দুঃখজনক মাস। এই মাসে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের দুই দিকপাল প্রয়াত বা নিহত বা খুন হয়েছেন। ২০ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে চলচ্চিত্রকার ও চলচ্চিত্র সংসদ আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা আলমগীর কবির সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এবং ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন দেশে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অভিভাবক জহির রায়হান নিখোঁজ হন। এতগুলো বছর পরে নিশ্চয়ই আমরা বলতে পারি জহির রায়হান সেই দিন 'নিখোঁজ' হন নি; খুন হয়েছিলেন। আমরা আজও সেই দিনের প্রকৃত ঘটনার কোনো কুলকিনারা করতে পারিনি। এটা জাতীয় জীবনে আমাদের ব্যর্থতা নিশ্চয়ই!
জহির রায়হান এবং জহির রায়হানের চলচ্চিত্র নিয়ে বিশ্লেষণমূলক কর্মশালা খুব একটা হয় না বা আমরা করিনি। অবশ্য আমাদের নিজস্ব চলচ্চিত্র নিয়ে সবসময়ই আমাদের মনোযোগ প্রবল ছিল বা আছে এমনটা আমরা দাবি করতে পারি না। বর্তমানে দেশে চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রযুক্তির সহজতার কল্যানেই হোক অথবা দেশে তরুণ প্রজন্মের জনসংখ্যা বেশি বলেই হোক সংখ্যার দিক থেকে অনেকেই চলচ্চিত্র নির্মাণে যুক্ত হয়েছেন বা হচ্ছেন। আমরা অনুভব করি এই বিপুল সংখ্যক মানুষের সচেতনার জন্য আমাদের নিজস্ব চলচ্চিত্র বিষয়ক আলাপ আলোচনার ক্ষেত্র বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এমন অবস্থায় আমরা ম্যুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটি জহির রায়হান এবং তাঁর চলচ্চিত্র নিয়ে তিন দিনব্যাপি কর্মশালা আয়োজনের পরিকল্পনা করছি। কর্মশালায় জহির রায়হানের শুধু চলচ্চিত্র নয়, জহির রায়হানের সামগ্রিক চেতনাপ্রবাহকে অনুসন্ধানের প্রয়াস থাকবে।
আশা করছি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৯, ৩০, ৩১ জানুয়ারি ২০১৬।
অগ্রজ বাতিঘর জহির রায়হান ও তাঁর চলচ্চিত্র বিষয়ক কর্মশালার এই আয়োজনের বিস্তারিত তথ্যাদি শীঘ্রই জানাতে পারব বলে আশা করছি।

সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





