ক্লাস সেভেন এ ফার্ষ্ট লাইফে নকল করি।
আশে পাশের সিনিয়র ভাইরা দেদারছে নকল করছে দেখে আমিও সাহস পাই।
ইংরেজী ২য় পত্র পরীক্ষা ছিল। বই এর এস্সে এর পার্ট থেকে যা যা ছিল সব কেটে পকেটে করে নিয়ে গেছিলাম।
স্বভাবতই প্রথম বার, তাই ধরা পড়ে গেলাম।
এক্সামের গার্ড ছিল শরীয়ত উল্লাহ স্যার।
তিনি ডেকে সামনে নিয়ে সবার সামনে ষ্টিল এর স্কেল দিয়ে অনেক মারলেন।
খাতা রেখে দিলেন আর সাথে খাতার উপরে ওই কাটা পেজ টা এড করে দিলেন।
আর আমি এদিকে পুরা ভেংগে পড়েছি, আমার এবার কি হবে? সবার সামনে অনেক লজ্জায় পড়ে গেলাম। কোন রকমে বাড়িতে এসেছি।
আমার অবস্থা দেখে আম্মা জিজ্ঞেস করলেন যে কি হইছে?
আমি বলবোনা বলবোনা করে বলে ফেললাম ঘটনা।
আম্মা হাসি দিলেন, আমাকে নিয়ে হালকা উপহাস করলেন নকল করার কারনে, স্যার মারছেন এই কারনে খুঁচিয়ে কথা বললেন। তবে সব ই ছিল যাতে পরের বার এমন না করি তা বলার একটা প্রয়াস।
যেদিন পরীক্ষার রেজাল্ট দিবে,
সেদিন নূর নাহার ম্যাডাম আবার আমাকে সামনে ডাকলেন।
সবাইকে সেই পেজ দেখালেন।
আবার উপহাস করলেন।
এর পরে আমি কয়েক বছর এক্সামের হলে যাওয়ার আগে কয়েকবার করে ব্যাগ, পকেট চেক করতাম যাতে আমার কাছে অবাঞ্চিত কিছু না থাকে। আমি যেন আবার ওরকম পরিস্থিতির শিকার না হই।
হ্যাঁ ওইদিন আমার ভুল ছিল।
আমি হয়তো আশে পাশের সাপোর্ট পেয়েছিলাম,
আবার বাবা মা আমাকে সাপোর্ট দিয়েছিলেন।
যার কারনে আমি ওই পরিস্থিতি কাটিতে উঠেছিলাম।
আচ্ছা ভিকির এই পরিস্থিতি তে কি শুধু শিক্ষক ই দায়ী? তিনি যা করেছেন তা উনার কাছে ঠিক।
মেয়েটা সুইসাইড না করলে সবাই শিক্ষকের ওই সিদ্ধান্ত কে হয়তো বাহবা দিতো।
যাই হোক, আশা করি সুষ্ঠু তদন্তে সব বেরিয়ে আসবে।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


