সাহিত্যের কথা শুনলে যেমনি ভাষা চোখ মেলে তাকায়, ভালোবাসার কথা শুনলে মানুষের অবস্থা ঠিক তাই হয়। ভালোবাসা এমনি একটি আপেক্ষিক শব্দ যার মর্ম সব বয়সী মানুষেরা না বুঝলেও এর অর্থ বুঝেনা সমাজে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বিরল। একসময় মানুষ এই ভালোবাসাকে সামষ্টিক অর্থে দেখতো এবং বুঝতো। বর্তমান প্রযুক্তি এখন এটিকে মাইক্রোস্কোপে রেখে সুক্ষাতি সুক্ষরুপে ব্যাখ্যা বিশ্লেষন করে কখনো রংঙ মিশিয়ে কখনো আবার টক ঝাল কিংবা মিষ্টি মিশিয়ে শিশুকিশোর থেকে শুরু করে আমাদের তরুণ-তরুণীদের হাতের মুঠোয় পেঁছে দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। এসব দেখে এখন কিছু বয়োবৃদ্ধ মানুষেরাও চোখ মেলে তাকাচ্ছে এমনকি এর মজা নিতেও হরহামেশা উৎসাহীত হচ্ছে। যুব সমাজের কথাতো বলার অপেক্ষাই রাখেনা।
প্রযুক্তির শত আশির্বাদের মাঝেও অভিশাপেরএই ছত্র ছায়ায় সমাজে অবাধ মেলামেশা যেমনি বেড়েছে, তেমনি করে ধর্ষন, গণধর্ষন, পরকীয়া আর বেহায়াপনা ব্যাভিচারীও বেড়ে চলেছে অতিমাত্রায়। এমন অবস্থায় এসে ঘটা করে বাঘাড়ম্বর ভাবে ভালোবাসা দিবস পালন করার মানে কি এসব অনাচারগুলোকে আরো উৎসাহীত করার উঙ্গিত দিচ্ছেনা? আমার এ লেখায় কোন প্রকার বিরুপ মন্তব্য করার আগে দয়াকরে একবার ভাবুন, কি বোঝাতে চেয়েছি আমি।
তাহলে আসুন, আমি আপনি এবং আমরা সবাই এ দেশ সমাজ ও জাতিকে প্রকৃত ভালোবাসার হৃদ্যতায় আবদ্ধ করি, যাতে ঘটা করে দিন-ক্ষণ নয়, সারা বছরই আমরা ভালোবাসতে পারি একে অপরকে মানবিক গুনাবলী আর চোখ দিয়ে।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



