আমাকে ছুয়ো না -
আমি আর একবার তার মান ভাঙাতে চেষ্টা করি
দয়া করে আমাকে ছুয়ো না -তার গলাটা শীতল শোনায়।
আমি পাশ ফিরে শুই। বুকের মধ্যে আটকে থাকা বন্ধ নিঃশ্বাস বের হয়ে আসে। আমি পাশ ফিরে শুই।
দাম্পত্য জীবনের প্রথম ঝগড়ার রাতের কথোপকথোনটা ছিল এমনই।
নর নারীর সম্পর্কের প্রথম দিকটায় মনে হত স্পর্শ দিয়েই সব দুরত্ব ঘুচে যাবে। কিন্তু বাস্তব হলো প্রথম স্পর্শের উন্মাদনা সময়ের সাথে সাথে ফিকে হতে শুরু করে। এক সময় স্পর্শটা দাম্পত্য ঘনিষ্টতার অভ্যাসের বাইরে আর কোন অনুভূতি তৈরী করে না। অভিমানের জায়গা নেয় বিরক্তি, রাগের জায়গা নেয় হতাশা। একসময় সেগুলোও দৈনন্দিনতার জায়গা নেয়। অবশ্য কখনও কখনও যদি অনেকদিন দেখা না হর্য় হয়ত আবার ফিরে আসে পুরাতন রাগ বিরাগ অভিমানের সেই খুনসুটি পর্ব কিন্তু ভিতর শুকিয়ে গেছে ততদিনে।আবার সেই নিজের মধ্যে গুটিয়ে শামুকের মতো বেচে থাকা। আসলে এ কেবল দুজনের সম্পর্ক নিয়ে ভাবতে গেলে দীর্ঘদিনের দাম্পত্যে ভাই বোনের মত একটা কিছু দাড়িয়ে যায়। সম্পর্কটা টিকে থাকে আরো অতিরিক্ত কোন কিছুর উপরে। আসলে অতিরিক্ত নয় এটাই মুল হয়ে দাড়ায়।সেখানে ও গো সম্মোধনটা পাল্টে গিয়ে দাড়ায় .... এর বাবা কিংবা মা। আমরা সবাই আমাদের রক্তের উত্তরাধিকারের কাছে বাধা -কারন স্নেহ বড়ই নিম্নগামী।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


