somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছোট দলগুলোর বিলীন হওয়ার সময় হয়েছে...

২২ শে মে, ২০১৭ ভোর ৫:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


১. কয়েকদিন আগে মারা গেলেন এন পি পি'র চেয়ারম্যান শওকত হোসেন নীলু। গতকাল মারা গেলেন জাগপা'র সভাপতি শফিউল আলম প্রধান। এই দুইজন ছোট দলের বড় নেতা। নীলু বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটে ছিলেন কিছুদিন। পরে বের হয়ে গিয়েছিলেন। প্রধান মৃত্যু পর্যন্ত ছিলেন বিএনপি'র জোটে। এই নেতাদের দল হলো সাইনবোর্ড আর অফিস সর্বস্ব। এরা মিডিয়াতে থাকেন, সেমিনার - টক শোতে থাকেন, জোটে থাকলে খালেদা জিয়া বা শেখ হাসিনার পাশে বসেন। এছাড়া তাদের আর কোন কার্যকারিতা নেই। নেই কোন আসন, নেই জনসমর্থন। লোক দেখানো মিছিল একটা করলে ছবির মধ্যেই লোক গোনা যায়।

২. আমাদের বড় দুই দল বি এন পি ও আওয়ামী লীগ এদের জোটে নেয় সংখ্যা যোগ করার জন্য। এই নাম সর্বস্ব দলগুলো নাম সর্বস্ব দৈনিক পত্রিকার আড়ালে কাগজের ব্যবসার মত কোন সুবিধা পায় কিনা আমি জানিনা। তবুও তারা বছরের পর বছর ছোট দল নিয়ে থাকেন। বি এন পি, আওয়ামী লীগ জানে এসব দলের কোন ভোট ব্যাংক নেই। তবুও কেন তাদের জোটে নেয় এই দুই দল জানি না।

৩. বি এন পি, আওয়ামী লীগ এসব ছোট দলগুলোর সমর্থন ছাড়াই ভোটে জিততে পারে। প্রেসিডেন্সিয়াল হোক আর পার্লামেন্টিরিয়ান পদ্ধতিই হোক যে কোন পদ্ধতিতে এই ছোট দলগুলোর কোন ভূমিকা নেই। তাই সময় হয়েছে এসব ছোট দলকে বিলীন করে নিজেদের দলে ভেড়ানো।

৪. আমাদের গণতন্ত্রের গুণগত মান উন্নয়ন করতে হলে সরকারের মেয়াদ কমাতে হবে। দলের সংখ্যা কমাতে হবে। বেশী ভালো হয় শুধু দুই দল থাকবে আমেরিকার মত। বাকী যারা চাইবে স্বতন্ত্র ভাবে নির্বাচন করবে। বি এন পি, আওয়ামী লীগের কাঠামোতেও একটু পরিবর্তন আনতে হবে যাতে কেউ অন্ধভাবে নেতার গুণগান ছাড়াও নিজের মতামত ব্যক্ত করতে পারে। যদি সম্ভব হয় দুই প্ল্যাটফরমের যে কোন একটা বেছে নিতে হবে।

৫. ছোট একটা দেশ বাংলাদেশ। এরশাদের মৃত্যুর পর জাতীয় পার্টি টিকবে না। জামায়াত সহ অন্যান্য ইসলামী দল নীতির কারণে দুই দলের সাথে এক হবে না। মোট কথা দেশে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে যাতে বিএনপি, আওয়ামী লীগ এবং যে কোন একটা বড় ইসলামী দল (বাস্তবতা) থাকবে। এতে করে দেশে সুস্থ গণতন্ত্র বিরাজ করবে। ভারসাম্য থাকবে। কামাল হোসেন, বি চৌধুরী, অলি আহমেদ, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু সহ অন্য নামসর্বস্ব ছোট দলের বড় নেতারা শেষ জীবনে বি এন পি বা আওয়ামী লীগার হয়ে মরতে পারবেন। শেখ হাসিনা , খালেদা জিয়া এক সাথে বসেই এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে পারেন...
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০১৭ ভোর ৫:২৫
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শব্দের সীমা (জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সতর্কতা!)

লিখেছেন আবু সিদ, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০

“সুন্দর শব্দ মধুচক্রের মতো, আত্মার জন্য সুমিষ্ট এবং অস্থির জন্য আরোগ্য।” — প্রবচন ১৬:২৪, বাইবেল

প্রতিদিন বাসা থেকে বের হলেই হাজারো শব্দ উড়ে এসে আছড়ে পড়ে আমাদের কানে। দূর ও নিকট... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন কর্মী ও তার ন্যায্য পাওনা

লিখেছেন কিরকুট, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২০

বাংলাদেশের বেসরকারি খাত নিয়ে কথা বলতে গেলে আমরা সাধারণত বিনিয়োগ, মুনাফা, ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, বাজার সম্প্রসারণ কিংবা উদ্যোক্তার ঝুঁকির কথা ভাবি। কিন্তু এই পুরো ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কর্মীর শ্রম নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্যাস বিদ্যুৎ সংকটের জন্য দায়ী কে?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১১



২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও সরকারি স্থাপনাগুলোতে আকস্মিক বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়।প্রথম দফার হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ীসহ বেশ কয়েকজন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×