
১. ব্লগে 'দুই পরিবার মুক্ত' দেশ-এর ব্যপারে আমার চেয়ে বেশী কেউ বলেছে কিনা আমার জানা নেই। আবার দুই মন্দের মধ্যে আমি যে বিএনপি-র প্রতি সহানুভূতিশীল এটাও ব্লগের পরিচিতজনরা জানে। তবুও বাচ্চাদের অশ্লীল শ্লোগানের বিপক্ষে থাকায় কেউ কেউ আমাকে আওয়ামী লীগের সমর্থক মনে করেছেন...
২. বিএনপি সবসময়ই আলু পোড়া খেয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়। অপ্রিয় হলেও সত্য আওয়ামী লীগের জন্য(যদি বিরোধী দলে থাকে) ২/১ টা আলু পোড়ার ঘটনাই যথেষ্ট। কিন্তু বিএনপি একের পর ইস্যু পেয়েও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে বের করা কিংবা খালেদার জেল হওয়া বিএনপি'র নিজেদের ইস্যু ছিল। কিন্তু তারা আন্দোলন জমাতে পারেনি।
৩. তবে আলু পোড়া খাওয়ার মত ইস্যুই বেশী ছিল তাদের কাছে। শেয়ার মার্কেট, হেফাজত, শাপলা চত্বর, সাঈদী, সাগর-রুনি, রামপাল, রিজার্ভ চুরি, সাত খুন, এস কে সিনহা, কোটা বিরোধী সহ আরো অনেক আন্দোলনের ফসল নিজেরা ঘরে তুলতে চেয়েছিল। পারেনি তারা। নেতারা ঘরে বসে থাকলে আর মিডিয়াতে গলা ফাটালে কীভাবে হবে?
৪. সর্বশেষ আলামত পাওয়া যাচ্ছে বাচ্চাদের এই আন্দোলন দিয়েও বিএনপি সরকার পতনের সুযোগ খুঁজছে যা আমার কাছে খুবই আতংকের! এরই মধ্যে বাচ্চাদের যারা ঘরে ফেরত যেতে বলছে তাদের বিশেষ দলের ট্যাগ লাগানো হচ্ছে, গালাগালি করা হচ্ছে। ফেসবুকে আওয়ামী বিরোধী সেলিব্রিটি, বুদ্ধিজীবি বা গ্রুপগুলো(পিনাকী, বাঁশের কেল্লা) থেকে ক্রমাগত বাচ্চাদের উৎসাহ দেয়া হচ্ছে যা একসময় অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম দিতে পারে।
৫. আর যাই হোক, আমি বাচ্চাদের উপর একটু টোকার বিনিময়েও সরকার পতনের পক্ষপাতী নই। আমারও বাচ্চা আছে। পিতা হিসেবে আমি কখনোই সন্তানকে এই ধরনের অস্বস্তিকর পরিবেশে দেখতে চাইব না। কোথাও কোথাও বাড়াবাড়িও হচ্ছে কারো কারো সাথে। বাচ্চাদের বোঝাতে হবে ছাত্রলীগ না থাকলেও পরিবহন শ্রমিকরাও সামনে চলে আসতে পারে। অভিভাবকদেরও সচেতনতা কামনা করছি...
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৮ রাত ২:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


