বাংলাদেশ থেকে বহু দুরে বসে বাংলাদেশের ক্রীকেট দলের বিজয় দেখলাম এবং সেই আনন্দ ক্ষন মূহুর্ত টা বেশী সময় থাকেনি। মানে আবার পরাজয়।এবং সেই সাথে তেজগাতে দালান ধ্বাস চট্টগ্রামে গামে ন্টেসে আগুন শুধু মৃতু্য আর মৃতু্য । দেশের বাহিরে থাকার ফলে ছোট বড় সব ঘটনাই মনে নাড়াদেয় ।কোথায় কি ঘটছে জানতে ইচ্ছে করে।
যেখানে থাকি আজ কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড শীত ।ভোর রাতে বাসা থেকে বের হয়ে মেট্ট ধরতে হয় কাজের জন্য ।আবার বাসায় আসতে আসতে রাত দশটা তারপর রাতের খাবারের পর টিভি দেখতে দেখতে ঘুম । এটাই এখন আমার প্রতি দিনের রুটিন। সত্যি বলতে কি মাঝে মাঝে নিজেকে মনে হয় রক্ত মাংসের রবোট। যদিও একটা অফিসিয়াল কাজ করি।
আজ ছোট ভাইয়ের ফোন পেলাম বাসার সবাই ভাল শুনে ভাল লাগলো।গতকাল আমার একমএ বোন তার শশুড় বাড়ী থেকে আমাদের বাসায় এসেছে।ও শুধু আমার বোনইনা আমার একমএ মেয়ে বন্ধুও।খুব খারাপ লাগছে আজ দুই বছর চলছে কাউকে দেখতে পারছিনা।আব্বার সৃতি খুব মনে পরে কারন আমার কোলেই তার মৃত্যু ।আমার আব্বার জন্যে দোয়া করবেন।সত্যি বলতেকি যার আব্বা নেই তার কিছুই নেই।
বৈধ কাগজ না থাকাতে দেশে যেতে পারছিনা ।জানিনা কবে যেতে পারব।এই দুই বছর কয়েকটা দেশ দেখার সুযোগ হলো কম বেশী একই রকম।সবাই যেন যন্ত্র কারো জন্য কারো সময় নেই সবাই খুব ব্যশত ।সেই গল্প আরেক দিন।
বাংলাতে টাইপ করা সত্যিই জটিল।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


