“টুথ মানে একটা দাঁত। যেহেতু আমরা সব দাঁতই ব্রাশ করি, তাই এর মাজনকে টুথপেস্ট না বলে টিথপেস্ট বলা উচিত।”গতকাল সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ সুশীল সমাজ(লাল দল)এর উদ্যোগে এবং আবুল সাহেবের পৃষ্ঠপোষকতায় এ আলোচনা সভার আয়োজন করে পাকিস্তান পন্থী সংবাদপত্র “দৈনিক মগবাজার”।
অনুষ্ঠানে সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে টিথপেস্ট নীতি বাস্তবায়নের বিভিন্ন প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং কিছু সুপারিশ টিথপেস্টনীতিতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্যে সরকারের সুদৃস্টি কামনা করেন।
সুপারিশগুলো হচ্ছেঃ
১.প্রতিদিন টিথপেস্ট দিয়ে দাঁত মাজতে হবে।
২.দাঁত না মেজে কারো সাথে কথা বলা যাবে না।
৩. দাঁত না মেজে কথা বলতেই হলে অবশ্যই দুর্গন্ধ নিরোধক মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
৪.বছরে অবশ্যই ২বার ডেন্টিস্টের কাছে যেতে হবে।
৫.দাঁতের মাজন হিসেবে নিমের ডাল ব্যবহার করা যাবে না।
৬.যত সমস্যাই থাকুক না কেন, অবশ্যই বত্রিশ দাঁত বের করে হাসতে হবে।
৭.দন্তহীনদের ক্ষেত্রে এই বিধান শিথিলযোগ্য।
আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক জনাব আবুল বিভিন্ন টিথপেস্ট কম্পানীর মার্কেটিং কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাত করেন এবং তাদের প্রোডাক্টগুলো ব্যবহার করে দেখেন।প্রত্যেকটি টিথপেস্ট ব্যবহার করে সেই কম্পানীর কর্মকর্তার হাতে কামড়ে দেন।এমন সময় নিউ আর্জুমান্দ টুথপেস্ট ব্যবহার করে এর কর্মকর্তার হাত কামড়ে দিলে সেই কর্মকর্তা তারোস্মরে চিৎকার উঠেন। তখন আবুল সাহেব তার দন্ত বিকশিত করে বলেন “এটাই সবচেয়ে ভালো। কারন এটাই দাঁতকে ধারালো করে।”

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




