somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উল্টো

২৩ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



দড়িতে উল্টো করে বাঁধা একটা মানুষ আঁকার প্রবল ইচ্ছা নিয়ে মাউস নিয়ে শুরু করেছিলাম MS Paint দিয়ে। আমি আঁকতে তো পারিইনা বরং এটা জানানো ভালো আমার হাতের লেখা এত বাজে যে এর জন্য আমাকে ইস্কুলে অনেক প্রহার সহ্য করতে হয়েছে, সুতরাং হাতে এর চেয়ে ভালো কিছু হতনা এটা বলাই যায় নিশ্চিত ভাবে। আমি ভাবি যদি একটা প্রেম হয়ে যেত কোন একটা সুন্দর মেয়ের সাথে। তাকে আমি চিঠি লিখতাম তবে সেটা কম্পিউটারে লিখে প্রিন্ট করে তারপর দিতাম। আমার সৌভাগ্য আমি প্রেমে পড়েছি তবে একা আমিই তাই চিঠি লিখতে হয়নি। আবার আমি দুর্ভাগা দুই পাক্ষিক প্রেম হয়নি, হ্যাঁ এটা অবশ্যই দুর্ভাগ্য একজন মানুষ সত্যি প্রয়োজন ছিল। যা হোক ঘটনা বলি, প্রথমে পা আঁকার পর বুঝতে পারলাম মানুষের বদলে একটা হাঁসের একজোড়া পা আঁকা হয়ে গেছে। কিছু করার নাই যা শুরু করেছিলাম শেষ করতে চাইলাম, মানে চেষ্টা করলাম যা প্রকৃতপক্ষে আসছে। তো একটা উল্টো হাঁস যে আঁকা অয়েছে এটা বোঝা যাচ্ছে নিশ্চিত। এই ঘটনায় আমি সম্ভবত একটা মেসেজ পেলাম, জীবন আমি যেভাবে চাই সেভাবে গড়তে পারবতো দূরের কথা তাঁর ধারে কাছেও থাকেনা বরং একটা উদ্ভট কিছু পেয়ে যাই যদি অতীত ঘেটে দেখি। তবে সান্তনার ব্যাপার এটা যে আমি তাও কিছু একটা দাঁড় করাতে পেরেছি। যদি শেষ করার আগেই শেষ করে দিতাম বা শেষ হয়ে যেত তাহলে কিছুই হতনা সাদা একটা work field ছাড়া। আমার এমন কিছু করতে চাওয়াই উচিতনা যা আমার যোগ্যতায় নাই। তাই বলে আমি অযোগ্য নই। আমি অন্য কিছু করতে পারি যেটা আমার ভালো লাগে এবং ভালো পারি। কষ্টের ব্যাপার এখনো আমি খুজে পাইনি আমি কি ভালো পারি। আমি খুজে যাচ্ছি খুজে যাব। একভাবে শেষ হবেই।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:৪৪
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শহীদ আলেমকে ভুলে গেলাম, আর যুদ্ধাপরাধীকে দিলাম স্বাধীনতা পদক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৯


উনিশশো ছেষট্টি সালের কোনো এক সকালে ঢাকার বিমানবন্দরে এসে নামলেন এক ব্যক্তি। নাম আবুল আলা মওদুদী। বিমানবন্দর থেকে বের হতেই সাংবাদিকরা তাঁকে ঘিরে ধরলেন। কারণ শেখ মুজিবুর রহমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার প্রেমিকা হারিয়ে গিয়েছে

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:১৯

আমি তো চাই নি এমন পৃথিবী
আগুনের সংসার
চেয়েছি একটি প্রেমিকাবধূর
দুটো চোখ কবিতার

চেয়েছি একটি শীতল নদীর
জোছনামুখর বুক
চেয়েছি তোমার কমনীয় রাত
থির পরিপাটি সুখ

আমি তো চেয়েছি সংসার জুড়ে
অমরাবতীর ঘর
কোলাহলহীন নির্ঝঞ্ঝাট
বৈরাগ্যের বর

আজো মনে হয় -... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিচ্ছিন্ন ঘটনা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৪



বিচ্ছিন্ন ঘটনা (রম্য রচনা)

বহু বছর পর এক প্রবাসী ভদ্রলোক দেশে ফিরলেন। বিমানবন্দর থেকে বেরোতেই এক পুরোনো পরিচিত লোকের সঙ্গে দেখা।

ভদ্রলোক: কিরে, দেশের খবর কী? সব ভালো তো?

লোক: আলহামদুলিল্লাহ, কয়েকটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঘাতক মোজাফফরের গ্রেফতার ও ইতিহাসের দায়

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ১৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:০৬

ইতিহাসের এক অমোঘ নিয়ম অপরাধ যতই নিখুঁত হোক না কেন, সময়ের কোনো এক বাঁকে তার চিহ্ন রয়েই যায়। দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে ছদ্মবেশের আড়ালে নিজের আসল পরিচয় সম্পূর্ণ মুছে ফেলেছিলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দু’বছর আগে লেখা; জুলাই নিয়ে প্রতিটি কথা সত্য হয়েছে

লিখেছেন অর্ক, ১৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:১৩



পুরো ব্যাপারটা আমার চোখে দেখা। আমার সামনে দিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত মাছ ব্যবসায়ী যুবকের লাশ গেছে রিক্সাভ্যানে করে। পিছনে স্বজনদের কান্না। ঢাকার সবচেয়ে গোলযোগপূর্ণ জায়গার একটিতে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×