somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এন ইডিয়ট ইন লাভ!!! (আট)

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১১:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
(এই পোস্টগুলা শুধু বিনুদনের জন্য! রেটেড "আর"ঃ রিডার ডিস্করেশন ইজ অ্যাডভাইজডঃ ১৮+)



(আগের পুস্টের পর.........)
যেহেতু মাইয়ারে আমি তখনো পর্যন্ত দেখি নাই, খালি মুপাইলেই কথা হইত! প্রাক্টিক্যাল কানেকশন হয় নাই! সো বহুত চিন্তাভাবনা কইরা পিরিতকে বালিচাপা দিয়া টারমিনেট করার সিদ্ধান্ত নিলাম! এরপর মাইয়ারে কইলাম এই পিরিত লই আগানো সম্ভব না! একশ একটা কারণ ম্যানুফ্যাকচার করলাম কেন এই পিরিতের হ্যাপি এন্ডিং হইত না এইটা এক্সপিলিন করার জন্য! মাইয়া খালি কানতো! সি ওয়াজ সিম্পলী নট রেডি টু একসেপ্ট ইট!

আসলেই আমার স্কুল মাস্টার বাপ, জীবনেও আমাক কোনদিন দারোগার মাইয়ার সাথে বিয়া দিত না! লাইফে এই প্রথম কুনো মাইয়ার কান্দনকে আমি সফলভাবে ইগনোর করতে পারছিলাম! আই ডিড ফিল ব্যাড ফর ডুইং দিস! বহুত চেষ্টার পর, চ্যাপ্টারটা ক্লোজ করছিলাম!

এইখানে আমারে হার্টলেস মনে হইতে পারে! বাট বেয়ার উইথ মি! ইউ প্রোবাবলি উইল চেঞ্জ ইউর মাইন্ড!!!

কিন্তু উপরঅলার প্লান ছিল অন্যরকম। আমারে তখনো তাঁর লেসন দেওয়া শেষ হয় নাই! আমার ফ্রেন্ডও ব্যাপারটা নিয়া হ্যাপি ছিল না! মাইয়া ওর কাছে, যাইয়াও কান্দাকাটি করছে! আর সেও মনে মনে চাইতেছিল আমারে এইটা দিয়া পুরাপুরি ডুবাইতে! সো পরদিন, ফ্রেন্ডের কল পাইলাম! সে তখন কোচিং করত রংপুর রেটিনাতে! অয় আমারে কয়, তুই নাকি মাইয়ারে ছাইড়া দিছস? আমি কই হ! দিছি! তখন আমার ফ্রেন্ডে কয়, “তুই ব্যাটা হিজড়া! দিনাজপুর থাইকা মাইয়ারে কিছু করতে পারলি না (মাইয়া ছিল ফুলবাড়ি, দিনাজপুরের)। তুই দ্যাখ আমি ক্যামনে মাইয়ারে রংপুরে আমার এইখানে আইনা (*** সেন্সরড)”! এই কথা শুইনা তো আমার আমার বালিচাপা দেওয়া পিরিত পূর্ণ উদ্যমে গা-ঝাড়া দিয়া উইঠা গেল! হাজার হইলেও পিরিত বলে কথা! পিরিতের পাবলিকের তো আর এরাম অবমাননা হইতে দেওয়া যায় না! ভাঙ্গা পিরিত আবার এক ফুন কলে জোড়া লাগাই দিলাম! পিরিত এইবার অল্প সময়ের মধ্যে হাইপারসনিক স্পীডে উইঠা গেছিল! আমার ফ্রেন্ডের ফান্দে আমি আবারো ধরা খাইছিলাম! আই হ্যাভ টু এডমিট দ্যাট হি ওয়াজ গুড এট ম্যানিপুলেশন।

মাইয়াও মনে হয় ভালোই ফান্দে পইড়া গেছিল! ও জানতযে, আমি লিমিটেড বাজেটে চলতাম! এইজন্য মাইয়া লুকাইয়া লুকাইয়া মাঝে মাঝে আমারে ফ্লেক্সিলোড কইরা দিত! প্রথমে আমি ব্যাপক প্রোটেস্ট করলেও পরে ব্যাপারটা নরমাল হইয়া গেছিল! মাইয়াটা আসলেই একটু স্টাবার্ন ছিল এই ব্যাপারে!

একদিন আমারে ফুন দিয়া কয় তুমার জন্য একটা শার্ট কিনছি! আমি তো শুইনা ফায়ার! শার্ট! বাসার হাজারটা প্রশ্ন ক্যামনে এক্সপিলিন করতাম? তার উপ্রে মাইয়ারে কিচ্ছু কিনা দেওয়া ফরজ হইয়া যাইবে এইটা একসেপ্ট করলে! আর মাইয়া পাইনের কাপড় চোপড়ের ব্যাপারে আমি বিশেষভাবে অজ্ঞ আছিলাম (এখনো আছি!)! আমার প্রোটেস্ট কানে না তুইলা একদিন কুরিয়ার দিয়া পাঠাই দিল। পাঠাই দিয়া কয় পাঠাই দিছি!!!! না নিলে আবার কাহিনী খারাব হইয়া যাইবে!

জিনিসটা পাইয়া ভালো লাগে নাই তা বলতে পারব না কিন্তু জিনিসটা আমারে ইমোশনাল ফান্দে ফালাই দিছিল! সেই শার্টটারে লাইফ থেইকা আলাদা করতে পারমু না সহজে! একটা লিগ্যাল ডকুমেন্টে ওই শার্ট পড়া ছবি ঊইঠা গেছে! আমারে যে কুন পাগলা কুত্তা কামড়াইছিল ওইদিন, আমি কেন যেওই শার্টটা পইড়া ছবিটা তুলছিলাম এইটার কুনো ব্যাখ্যা দাড় করাইতে পারি নাই! যাইহোক শার্টটা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বেশি বেশি ইউজ কইরা প্লাস কলমের কালি ফালাইয়া ব্যাবহারের অনুপযোগী কইরা লাইছিলাম! অবশ্য সেটা পিরিতেরে পাত্থর চাপা দেওয়ার পর! এই ঘটনার প্রায় এক বছর পর একবার বাসায় যেয়ে দেখি আমার আম্মা শার্টটা থেকে ফুল আউটপুট নিচ্ছে! শার্ট দিয়া ঘরের মেঝে মুছতেছে!!!

এত্তদিনের পিরিত আর আমরা কেউ কাউরে দেখি নাই! ব্যাপারটা একটু ক্যামন খাপছাড়া না? আমি তো গেবনেও ফুলবাড়ি যাইতাম না! ওর বাপ দারোগা আর মা মহিলা মেম্বার! কুনো গড়বড় হইলে মাইরা হাড্ডি গুড়া কইরা লাইবো!;);) আমার এক পরিচিত বড় ভাই তাহার পিরিতের পাবলিকের লগে সাক্ষাত করিতে যাইয়া গণধোলাই খাইয়া আসিয়াছে প্লাস ফুনটা খোয়াই আসছে! তাও সবকিছু মেইন্টেইন করার জন্য অরে বলা লাগত তুমারে দেখতে মুঞ্চায়! সে তো অল টাইম যাইতে কইত! মাগার আমি কি এত্ত বোকা (পড়তে হবে বলবান:P:P:P) নাকি যে ওইখানে যামু!

হুট কইরা একদিন এই ব্যাপারে কথা বলতে বলতে কি মনে কইরা বললাম তুমি এইখানে আইয়া পড়! মাইয়া এক্কেবারে রাজি হইয়া গেছে!:-/:-/:-/
বলে ঠিক আছে!!!! আমি তো এইটা শুইনা পুরা তব্দা খাইয়া গেলাম! পুরা গেইম উলট পালট হইয়া গেল! আরও চিন্তার বিষয় হইল, মাইয়া মাত্র ক্লাস টেনে পড়ে, দিনাজপুর থেকে ফুলবাড়ি প্রায় ৫০ কি. মি.। ক্যামনে সাহস করে একা আসার? মাইয়া কি পিরিতে আমার চেয়েও আন্ধা হইয়া গেছিল নাকি তাহার মনে অন্য কিছু ছিল?

(চলপে.........।)
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:২৪

আজ যদি টেলিফোন থাকত, তাহলে কেমন হতো?

হয়তো আজ টেলিফোনও অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মতো স্মার্ট হতো!



একসময় মানুষের দূর-দূরান্তে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল টেলিফোন। মোবাইল ফোনের মতোই টেলিফোন দিয়ে কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×