
(আগের পুস্টের পর......)
তারপর কুনো রকম দুর্ঘটনা ছাড়াই সেমিস্টারটা পার করটা পারছিলাম। প্রশ্ন করা যাইতে পারে ক্যামনে? উত্তরঃ তারে দেখলে আশেপাশে থাকতাম না! ক্লাসে অর কাছ থেইকা দুরে দুরে বইতাম!
পরে সেই মাইয়ার লগে আবার একদিন দেখা হইছিল বাসের উপ্রে! প্রথমে যেমন সুন্দর দেকছিলাম তেমনি ছিল, পারলে আরও একটু বেশি সুন্দর মনে হইতেছিল! মনে মনে কইতেছিলাম কমু নাকি যে, “হেই! ইউ ওয়ানা হ্যাং আউট??” কিন্তু সাহসে কুলায় নাই!
কিংসবোরোর সময়টা খুব লোনলিই কাটতেছিল আমার! একবার এক দেশি মাইয়ারে দেকলাম “*াসু” নামে। মনে করলাম যাক বাপ, এইবার মনে হয় এটলিস্ট একজনরে পাইলাম যার লগে একটু শুক দুঃখের আলাপ করার যাইপে। মাগার বিধি বাম! মাইয়া আমার লগে কথাই কয় না এমন অবস্থা! খালি ভাব লয়! বাপ, একটু তো ঠাট্টা মশকরা করবি! শেষে হতাশ হই হাল ছাইড়া দিছিলাম! কিছুদিন পর দেখা হইলে হ্যাই এর বেশি কইতাম না! মাইয়াপাইনে ভাব লইলে আমার মেজাজ যে বিলাটা হয় না......। কিছুদিন আগে তার ফেসবুক আইডি চেক কইরা দেকলাম এই মাইয়ারও বিয়া হই গেছে! এইখানে আম্রিকাতেই! এক দেশি পুলার লগে!
এরপর একবার কেমিস্ট্রি ল্যাব ক্লাসের প্রথম দিন দেখি এক সুন্দরি! আমাদের দেশি দেশিও লাগে দেখতে! গেট আপ দেইখা আমি কনভিন্স হইয়া গেছিলাম হ্যায় নির্ঘাত ইন্ডিয়ান! কিন্তু ক্লাসের এটেনন্ডেন্স শীটে সাইন করার সময় দেখি অকি!!! পুরাই বাঙ্গালি নাম!!! আর হ্যায় ছাড়া ক্লাসে দেশি দেখতে আর কেউ ছিলও না! কিন্তু সাথে সাথেই মনে মনে চুপ মাইরা গেছিলাম! এয়ও যদি ভাব লয়!!! কিন্তুক সাত পাঁচ ভাইবা ক্লাস শেষে নিজে থাইকাই কতা কইলাম!
দেখি বাহ! দারুণ ফ্রেন্ডলি! পরিচিত লোকের মতন কইরা কথা কয়! তারপর শুনলাম দেশের হিসাবেও সেইম ব্যাচের! আমারে আর কেঠা পায়? মেলা দিন পর মনের কথা কওনের মত সমবয়সী একজনরে পাইলাম (তাও মাইয়া!!)! এর পর আমারে আর ফিরা তাকান লাগে নাই! সেই সুন্দরী আমার সব ফ্রেন্ডরে ভাগাইয়া টপ ফ্রেন্ড হইয়া গেছিল! আর আমার তরফ থেইকা আমিও সর্বোচ্চ চেষ্টা করছিলাম একজন সেলফলেস ভালো বন্ধু হবার! হ্যার লগে ছাড়া অন্য কুনো মাইয়ার সাথে আমি এত ডিপলি মিশি নাই! মাগার হ্যার উপ্রে আমার মেজাজ বিলাও ছিল খুব। হালায় ফ্রেন্ড হইলে প্রবলেম শেয়ার করা লাগে এইটা সত্য। কিন্তু সেইটা একমুখী হইলে ক্যামনে হইবে? আমারে হ্যায় কেমন আছ এর উপ্রে কুনদিন জিগায়ও নাই! কারণ আমি চুপ কইরা উত্তর দিতাম ভালো। একটা মানুষ সবসময় ভালো থাকে ক্যামনে? একটু তলাইয়াও দেখবা না বাল? এইজন্য তারে আমি একবার কইছিলাম আমি তুমার বন্ধু কিন্তু তুমি আমার কেডা এইডা জানি না!!! তবে একটা কথা বলাই লাগে হ্যার কাছ থেইকা আমি বহুত কিছু শিকছি।
দেন শিট হেপেন্ড! থিংস ওয়েন্ট সাউথ! আমি আস্তে আস্তে জেলাস হইয়া যাইতেছিলাম এইভাইবা যে কেউ তার সাথে পিরিত করলে আমি এরকম একজন ফ্রেন্ডরে হারামু। যার কুনো রিপ্লেসমেন্ট নাই! আর আমারও তার সাথে পিরিত করার কুনো চিন্তা ছিলনা যে আমি পসিবল সেরকম কাউরে ঠেকাইতে পারমু! বহুত চিন্তা ভাবনা কইরা বহুত কঠিন ডিসিশন নিছিলাম একটা! আমি হ্যারে আস্তে আস্তে সিস্টেম কইরা ভাগাই দিছিলাম, ফর হার ওউন গুড! নাইলে জেলাসি স্যাবোটাজ ঘটাইত! আমার হাতে সুন্দরির কুনো ক্ষতি হোক এইটা আমি কুনদিন চাই নাই!
এখন সুন্দরীর লগে আমার খুব ফর্মাল সম্পর্ক! যার লগে আগে চ্যাট করতে করতে রাতকে রাত কাবার হই যাইত তার লগে এখন “কি অবস্তা”র পরের লাইনে চ্যাট গড়াইতে গড়াইতে সিচুয়েশন অকয়ারড হই যায়! কি জিগামু লাইন খুইজা পাই না! তবে একটা কথা ঠিক যে আমি হ্যার লাইগা স্টিল দুশ্চিন্তা করি!
টু সুন্দরীঃ এই কাহিনীটা বাদ দিতে চাইছিলাম কিন্তু বাদ দিলে সিরিজটা অপূর্ণ থাইকা যাইত! আর এইখানকার কুনকিছু ইন পারসন জিজ্ঞাসা করিয়া লেখককে শরম না দিতে জনাবার কাছেবিনীত অনুরোধ!
*** এইখানে সুন্দরী শব্দটা রূপক অর্থে ব্যাবহার করা হইছে সুন্দরীরে অন্যান্য মাইয়া থেইকা সেপারেট করতে!(হ্যারে কুনুদিন সেই ধরনের কমপ্লিমেন্ট দেই নাই তাই ইদানীং একবার সুন্দরী কইছিলাম শুইনা হ্যায় ভিড়মি খাইছিল!)
কাহিনিডা সুন্দরির প্রাইভেসি জনিত কারনে স্কিপ করলাম, নাইলে এই কাহিনী দিয়াই বই লিক্ষা ফালান যাইত!
(চলপে......।)
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ৯:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




