somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হয়ে উঠুন স্মার্ট ফ্যাশানেবল , কিউট সুইট এন্ড ড্যাশিং ( ২য় পর্ব)

৩১ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ৯:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



প্রথমেই বলে রাখি স্মার্টনেস মানেই নোংরামি নয় , স্মার্টনেস মানেই অশালীন পোশাক পড়ে শরীর প্রদর্শন নয়, স্মার্টনেস মানে সুশীল হয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান কুরআনকে অপমান করা নয়, স্মার্টনেস মানে সুশীলতার মুখোশ পড়ে শুধুমাত্র একটি বিশেষ ধর্মাবলম্বীদের অপমান করে অন্য সব ধর্মীয় লোকের কাছে ভাল ও গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য সুশীলতার নামে ভণ্ডামি করা নয়।

বরং পৃথিবীর সকল পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে সকল মানুষকে সম্মান করা পূর্বক সকল প্রকার মানুষের কাছে নিজেকে গ্রহণযোগ্য করে তোলা ও নিজেকে সকলের মধ্য থেকে পৃথক করে তোলার নামই হলো স্মার্টনেস ।

আমরা নিজেকে নিজস্ব পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী ফ্যাশনেবল এবং গ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখতে চাই ! কি করে সবচেয়ে বেশি স্টাইলিশ হওয়া যায় সে উপায় খুঁজে বেড়াই , রাইট ?

তাহলে আমাকে বলুন ফ্যাশন বলতে আপনি কি বুঝেন ? ফ্যাশন কিন্তু আপনার আভ্যন্তরীণ আপনার চেয়েও বেশি কিছু নয়। অধিকাংশ মানুষ মনে করেন তারা দেখতে খুব বিশ্রী। মনে করেন তারা দেখতে কুশ্রী হওয়ার কারনে মানুষজন তাদের সাথে মিশে না, এভয়েড করে , মানুষের কাছে তারা গ্রহণযোগ্য নন , এরকম অনেক সংকীর্ণতায় ভোগেন।

ঠিক এই জায়গাটাতেই মানুষ সবচেয়ে বড় ভুলটা করেন। আপনার চারপাশের ফ্যাশনেবল মানুষগুলোর দিকে তাকান। আপনি যেভাবে চিন্তা করছেন তারা সেভাবে করছেনা। আপনি যাদের কে অনেক বেশী জনপ্রিয়, সফল, ফ্যাশনেবল মনে করছেন তারা এসব আপনার মত করে ভাবেনি এবং দুশ্চিন্তা করেনি বলেই আপনার কাছে তারা আইডল । তারা সফল কেন জানেন?

কারন আমি প্রথমেই বলেছি " ফ্যাশন কিন্তু আপনার আভ্যন্তরীণ আপনার চেয়েও বেশি কিছু নয়"
আপনি বাস্তবিক যে রকম ঠিক সেভাবেই নিজেকে প্রকাশ করুন। আপনি যা করতে পছন্দ করেন সেটাই করুন। অন্যরা কি মনে করছে সেটা নিয়ে যদি কাজ না করার আগেই ভয় পান তবে আপনি কখনোই সফল হবেন না ।

এঞ্জেলিনা জোলি সম্পর্কে আপনি কি মনে করেন ? সে কি পৃথিবীর একমাত্র সুন্দরী , তার চেয়ে স্মার্ট ফ্যাশনেবল কি এ পৃথিবীতে আর কেউ নেই ? অবশ্যই আছে। কারণ আমরা তো পৃথিবীর সব মেয়েকে দেখিনি। সবাই তো আর নিজেকে মিডিয়ায় প্রকাশ করেনি। সে যখন হাসে তখন আমরা কেন মনে করি এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর হাসি ?

এরকম আরো অনেক উদাহরণ দেওয়া যাবে। কি করে উনারা সফল হয়েছেন ? কি এমন রহস্য ? হাজার হাজার কি এবং কেন এর একটাই উত্তর, তারা নিজের ভেতরের মানুষটির মধ্যে সেরাটা বের করতে পেরেছেন।

ইফ ইউ ওয়ানা চেঞ্জ ইউ, ইউর স্টাইল এন্ড ফাইন্ড ইউর ইনার বেষ্ট তবে নিচের স্টেপগুলো অনুসরণ করে খুব সহজেই আপনি নিজেকে অনেকের মধ্য থেকে পৃথক করতে পারেনঃ

১) আত্ম বিশ্বাসী হয়ে উঠুনঃ



শুধুমাত্র আত্নবিশ্বাসের অভাবে আপনি আপনার ভেতরের মানুষটিকে হারিয়ে ফেলছেন । আপনি আপনার চারপাশে যাদের আইডল মনে করছেন তাদেরকে আপনার চেয়ে অনেক স্মার্ট , অনেক ফ্যাশনেবল এবং আইডল মনে করছেন। আপনি মনে করছেন আপনি দেখতে অনেক বিশ্রী। অনেক কুৎসিত। এমন কেন মনে হয় জানেন? কারন তারা অনেক আত্নবিশ্বাসী , তারা আপনার মত এমন সংকীর্ণতায় ভোগেন না। আপনাকে আপনার নিজ অবস্থানে অনেক আত্নবিশ্বাসী হতে হবে। আপনি কি করেন , কি পড়েন , কি পছন্দ করেন এসব মাথা থেকে একেবারে ঝেড়ে ফেলুন। এসব নিয়ে চিন্তা করার কোন মানে হয়না। শুধুমাত্র নিজেকে ভালবাসুন এবং সব কিছু কনফিডেন্টলি করুন। কারন আপনি যদি অনেক সস্তা একটা ড্রেস পড়েন যা আপনার সাথে সুইটেবল না কিন্তু আত্নবিশ্বাসী হওয়ার কারণে সে সস্তা ড্রেসটিই বেষ্ট ওয়ান হয়ে উঠবে ।


২)আপনার নিজের চিন্তা চেতনা অভিব্যক্তি প্রকাশ করুনঃ

অন্যকে অনুসরণ করতে গিয়ে মানুষ তার আত্ববিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। যদি আপনি আপনার স্টাইল পরিবর্তন করতে চান তবে আপনাকে আপনার চিন্তা চেতনা অন্যের কাছে প্রকাশ করতে হবে। ভাল জিনিষগুলো গ্রহণ করুন খারাপগুলো ত্যাগ করুন। আপনি আসলে কি করতে চান সেটা আপনার নোটবুকে নোট করুন। আপনার মনের কথাগুলো অন্যের কাছে প্রকাশ করুন।

কোন একটা স্টাইল খুব জনপ্রিয় এবং গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনাকে সেটা অনুকরণ করতেই হবে। প্রথমে নিশ্চিত হোন আপনাকে সে স্টাইলে মানাবে কিনা নাকি অদ্ভুত দেখাবে। আপনার অনুভূতি অন্যের সাথে শেয়ার করুন।




৩) সব সময় হাসুনঃ

সব সময় হাসা মানে এই না যে আপনি অকারণে সব সময় হাসতে থাকবেন। যখন আপনি মানুষের সাথে মজা করবেন তখন একজন মজার লোক হিসেবেই নিজেকে প্রকাশ করুন। আপনাকে কষ্ট দেয় এরকম কিছু মনে না করার চেষ্টা করুন কারন ওসব মনে করে তো কোন লাভ নেই। ওসব আপনাকে কষ্টই দিবে সারাজীবন। সবসময় হাসি-খুশি হওয়াটা আপনাকে মানুষের খুব নিকটে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে এবং আপনার মন ফ্রেশ করতে সাহায্য করবে।

মনে রাখবেন, " স্মাইল ইজ দ্যা অনলি ওয়ান থিং ক্যান বাই এভিরিথিং উয়িদাউট এ্যনি কস্ট "



৪) সবসময় সুখী হওয়ার চেষ্টা করুনঃ

যে কোন পরিস্থিতিতে, যে কোন সময়, যে কোন পরিবেশে সকলের সাথে খুশি হওয়ার চেষ্টা করুন। যদি আপনি কিছু হারিয়ে ফেলেন বা আপনার জীবন থেকে কোন মূল্যবান ব্যক্তি চলে যায় তার মানে হলো যা হারিয়েছেন তার চেয়েও ভাল কিছু পেতে যাচ্ছেন। আমাদের আশেপাশের মানুষজন চান আমরা যেন সব সময় তাদের সাথে হাসি-খুশি থাকি এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করি।

ফ্রেন্ডস , ফ্যামিলি এবং অন্যদের সাথে কিছু টাইম স্পেন্ড করুন। এবং তাদের কে বলুন তাদের সঙ্গ আপনাকে আনন্দ দিচ্ছে।

"দিস ইজ হাউ পিপল উইল গেট ক্লোজার টু ইউ এন্ড উইল ফাইন্ড ইউর বেস্ট "




৫)শারীরিক ও মানসিক ভাবে ফিট থাকুনঃ

আপনি যাদের কে অনেক ফ্যাশনেবল মনে করছেন তারা শারীরিক এবং মানসিক ভাবে যথেষ্ট ফিট। চেষ্টা করুন আপনার বডির একটা সুন্দর শেপ তৈরি করতে। প্রয়োজনে ডায়েট করুন এবং ব্যায়াম করুন। এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারন মানুষ প্রথমেই দেখবে আপনি শারীরিক এবং মানসিক ভাবে কতটা ফিট। তারপর তারা আপনার কাপড়ের দিকে এবং স্টাইলের দিকে নজর দিবে।




6. পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাঃ

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। ফ্যাশনেবল হওয়ার প্রশ্নে এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নোংরা পৃথিবীতে আপনি আইডল হতে চাইলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দরকার নেই। কিন্তু আপনি তো সেটা চান না। আপনি চান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পৃথিবীতে নিজেকে একজন আইডল হিসেবে উপস্থাপন করতে। ঠিক না?

সো ইট ইজ দ্যা মেটার অফ কনসার্ন দ্যাট হাউ মাচ নীট এন্ড ক্লিন ইউ আর ।




৭) হেয়ার স্টাইলঃ

আপনার গেটআপ বা লুক পরিবর্তন করার জন্য হেয়ার স্টাইল খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন ড্রেসআপ করবেন আপনার চুলের দিকে নজর দিন। এখনকার হেয়ার স্টাইল আপনার ড্রেসের সাথে মানানসই কি? আপনি কি চান আপনাকে এমনই দেখাক ? যদি আপনি সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন তবে আপনার প্রিয় মানুষ বা প্রিয় বন্ধুর সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিন।

সম্ভব হলে হেয়ার স্পেশালিষ্টের সাথে কথা বলুন। বাইরে যাওয়ার সময় আপনার হেয়ার স্টাইল পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন। এটা আপনার লুক পরিবর্তন করবে এবং আপনার মধ্যে একটা নতুনত্ব সৃষ্টি হবে।

"ড্রেসআপ উইথ আগলি হেয়ার মিন্স ইউ আর রিয়েলি আগলি। "




৮) টেক কেয়ার অফ ইউর স্কিনঃ

দি কন্ডিশান অফ ইউর স্কিন ক্যান চ্যাঞ্জ দ্যা হোল স্টেটমেন্ট অফ ইউ ।

আপনি যদি আপনার স্টাইল পরিবর্তন করে ফ্যাশনেবল হতে চান তবে প্রথমেই আপনাকে আপনার স্কিন সম্পর্কে অনেক সতর্ক থাকতে হবে। আপনার স্কিনের বর্তমান অবস্থা নোট করুন। যদি ভাল কন্ডিশনে না থাকে যত দ্রুত সম্ভব স্পেশালিষ্টের সাথে কথা বলুন। আপনার স্কিন ভাল না হলে আপনি ভাল কাপড় পড়লেও যেমন আপনাকে সুন্দর দেখাবেনা ঠিক তেমনই ভাল স্কিন হলে কম দামি ড্রেসেও আপনাকে অনেক স্মার্ট দেখাবে।

"ইট কোড বি কমপ্লিমেন্ট হোয়াটেভার ইউ আর ওয়েরিং "



৯) চুজ দ্যা বেষ্ট ড্রেসঃ

একটি ড্রেস সবাইকে মানায় না। মনে করুন আপনার বন্ধু খুব সুন্দর একটা ড্রেস পড়েছে যেটাতে তাকে অপরূপা দেখায় অনেক সুন্দর দেখায়। তার মানে এই না যে এটাই সবচাইতে সেরা ড্রেস এবং এটাতে আপনাকেও ভাল দেখাবে। তাই যখনই কাপড় কিনবেন বা ড্রেসআপ করবেন খুব ভাল একটা ড্রেস নির্বাচন করুন যে ড্রেসে আপনাকে মানাবে। অবশ্যই ক্লিন এবং ওয়েল আয়রন্ড হতে হবে। পুরনো কাপড় বা রঙ চটা কাপড় না পড়াটাই ভালো।

কোন পার্টি বা ফাংশানে বা যেকোনো জায়গায় যেতে সে জায়গার সময়, পরিবেশ, মানুষের মানসিকতা অনুসারে কোন ড্রেস পড়বেন সেটা মাথায় রাখতে হবে। কোন বন্ধুর জন্মদিনে যদি আপনি ডিজে পার্টির ড্রেস পড়ে যান তাহলে আপনাকে অদ্ভুত দেখাবে।

এটাও লক্ষ্য রাখতে হবে, যে ড্রেসটি আপনি পড়ছেন সেটা আরামদায়ক কিনা? আপনি অনেক ভাল একটা ড্রেস পড়ছেন কিন্তু সেটা আরামদায়ক না তাহলে সেটা আপনার পুরো লুকটাকে প্রভাবিত করবে, চেহারা মলিন করে দিবে। আপনার মনে হবে আপনাকে ভাল দেখাচ্ছেনা। চেহারার উপর মন খারাপের ছাপ পড়বে।




১০) টেক কেয়ার অফ ইউর নেলসঃ

নখ আপনার স্টাইলে অনেক সৌন্দর্য যুক্ত করতে পারে। প্রতি সপ্তাহে নখ কাটুন। যদি গেটআপের জন্য বড় নখ লাগে তবে এক্সট্রা নখ ইউজ করুন। নেল পলিস কিন্তু আপনার গেটআপের সাথে শতভাগ মানানসই হতে হবে।

পলিস ইউর নেল উইথ সুইটেবল কালার উইথ ইউর গেটআপ




১১) মেকআপঃ

আপনার পরিষ্কার এবং ভাল স্কিন থাকলে মেকআপ নিয়ে চিন্তা করার কোন দরকার নেই। যে কোন পরিবেশেই আপনি এডাপ্ট হতে পারেন। কিন্তু আপনি যখন কোন পার্টিতে যাবেন মেকআপ তখন খুব প্রয়োজনীয়।

হেভি মেকআপ এভয়ড করার চেষ্টা করুন। এটা স্কিনের জন্য ভাল নয়। একদিন নিজেকে সুন্দর লাগানোর জন্য পুরা স্কিন নষ্ট করবেন না। খুব বেশী প্রয়োজন না হলে হেভি মেকাআপ নিবেন না। কোন পরিবেশে কোন মেকআপ আপনাকে ভাল দেখাবে সেটা নির্বাচন করতে শেখার চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে পার্টি মেকআপের জন্য পার্লারে যান ।




১২) জুতা, ঘড়ি , সানগ্লাস, পারফিউমঃ

জুতা, ঘড়ি , সানগ্লাস, পারফিউম স্টাইলের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটা আপনার লুক পরিবর্তন করবে। মানুষ আগে আপনার জুতার দিকে তাকাবে তারপর আপনার লেভেল নির্ধারণ করবে। আপনার জুতা কম দামি হলেও অবশ্যই আপনার ড্রেসআপ এবং গেটআপের সাথে ম্যাচ হতে হবে। খুব সুন্দর এক জোড়া জুতা নির্বাচন করুন এবং সেটা পড়ে আপনি আরাম পাচ্ছেন কিনা?মানে জুতাটা কমফোর্টেবল কিনা সেটা ভাল ভাবে খেয়াল করুন। গেটআপের এবং জুতার সাথে ব্যাগ ম্যাচ করুন । ফ্যাশনের জন্য সানগ্লাস ইউজ করুন । রেব্যানের সানগ্লাস গুলো অনেক সুন্দর হয়। ১২০০০ টাকারমধ্যে পাওয়া যাবে এ ব্র্যান্ডের সানগ্লাস । ঘড়ি বা ব্রেসলেট ড্রেসের সাথে ম্যাচ করুন । কানের দুল ড্রেস এবং জুতার সাথে অবশ্যই ম্যাচ হতে হবে। আপনার পছন্দের পারফিউম ব্যাবহার করুন । সুইট স্মেল এট্রাক্ট দ্যা পিপল।




১৩) হ্যান্ড ব্যাগঃ

মেয়েদের ফ্যাশনের জন্য হ্যান্ড ব্যাগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটাও আপনার ক্লাস নির্ধারন করতে সাহায্য করবে।
It focuses on you how you are or what do you do.

সব হ্যান্ড ব্যাগ সবার সাথে ম্যাচ করেনা । আপনি যদি লম্বা হোন মানে ৫ ফুট ৬ ইঞ্চ এর উপরে হোন তবে বড় হ্যান্ড ব্যাগ ব্যাবহার করুন আর যদি এর চেয়ে কম হোন তবে মিডিয়াম আর যদি কিছুটা খর্বাকৃতির হোন তবে ছোট হ্যান্ড ব্যাগ ব্যাবহার করুন।




১৪) জুয়েলারিঃ

জুয়েলারি ছাড়া একটা মেয়ে পানি বিহীন সমুদ্রের মত। তাই এটাকে খুব গুরুত্ব দিতে হবে। সব সময় আপনার গেটআপের সাথে সিম্পল এবং সামান্য জুয়েলারি ইউজ করুন।

আপনার হ্যান্ডব্যাগে প্রয়োজনীয় কিছু জুয়েলারি রাখুন যেন আপনি যে কোন সময় সেগুলো ইউজ করতে পারেন।

সব সময় সাথে পানি এবং টিস্যু রাখুন যেন আপনি প্রয়োজনে ব্যাবহার করতে পারেন।

অবশ্যই সাথে পানি রাখুন। মিনারেল ওয়াটার পান না করে ফুটানো পানি পান করার চেষ্টা করুন। সাথে পানি রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ কারন আপনাকে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে। অনেক সময় পানি পাওয়া যায়না। খুব বেশি তৃষ্ণা পেলে লুক পরিবর্তন হয়ে যায়। পানি আপনার স্কিন সতেজ রাখতে সাহায্য করবে।




১৫) সিলেক্ট দ্যা পারফেক্ট কালারঃ

প্রথমেই আপনি দেখতে কালো না ফর্সা সেটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন । আপনি দেখতে কালো না সাদা সেটা কোন ব্যাপারই না। কিন্তু আপনাকে অবশ্যই কালার কম্বিনেশনে খুব ভাল জ্ঞান রাখতে হবে। যখনই আপনি গেটআপ নিবেন তখনি কালার কম্বিনেশনের ব্যাপারটা মাথায় রাখুন। যেমন আপনি কোন কালারের ড্রেস পড়ছেন? এটা ম্যাচ হয়েছে কিনা? এই ড্রেসের সাথে নখের এবং লিপস্টিকের কালার কেমন হওয়া উচিত। আপনার হেয়ার কালার করার প্রয়োজন আছে কিনা। এরকম প্রতিটা জিনিষ ভাল ভাবে খেয়াল করুন।


আপনার ড্রেসআপ এবং গেটআপের ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে আপনি যদি খুব বেশী সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন তবে আপনি আপনার পছন্দের সেলিব্রেটি বা তারকাদের অনুসরণ করতে পারেন ( তবে মনে রাখতে হবে ঐ সেলিব্রেটির স্টাইল আপনাকে মানাবে কিনা )।
প্রয়োজনে আপনার বন্ধুদের সাথে বা স্পেশালিষ্টের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিন ।



বিল গেটস বলেছিলেন , " নিজেকে কখনো অন্যের সাথে তুলনা করোনা, যদি কর তবে তুমি নিজেকে অপমান করছ "

আপনার যা করতে ভাল লাগে তাই করুন । আপনার নিজের কাজ বা পেশাকে ভালোবাসুন। আপনার আশেপাশের লোকগুলোকে ভালোবাসুন এবং সব কিছুতে সুখী হওয়ার চেষ্টা করুন। বিনিময়ে আপনি সকলের ভালোবাসা অর্জন করতে সক্ষম হবেন এবং অতি তাড়াতাড়ি আপনি আপনার পরিচিত জনের কাছে হয়ে উঠবেন আইডল বা বিশেষ একজন।




প্রথম পর্ব - Click This Link (ছেলেদের জন্য)

ট্রান্সলেটেড ফম ইন্টারনেট ।

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০১৪ রাত ১০:৫৫
৪৫টি মন্তব্য ৪৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ক বর্ণের কু

লিখেছেন এম. বোরহান উদ্দিন রতন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৫:১৪

সমসাময়িক টক অব দ্যা কান্ট্রি নিয়ে প্রতিটি শব্দ ক বর্ণ দিয়ে লিখেছি...
কষ্টের কথা কি কমু?
কহিলে কুলাঙ্গারা ক্রমশ কা কা করিবে...
কাল কুমিল্লা কে কাকি কহিল কু-তে কুমিল্লা। কু কহনে কলঙ্কের কালিতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিথ্যা মামলা হলে করণীয়/ মিথ্যা মামলা হলে আইনী প্রতিকার যেভাবে নিবেন

লিখেছেন এম টি উল্লাহ, ২২ শে অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১৫


স্বার্থ উদ্ধারে প্রতিপক্ষকে প্রায়ই সামাজিক এবং আর্থিকভাবে হয়রানি করার ঘটনা ঘটাতে দেখা যায়। মিথ্যা মামলার শিকার হলে আইন অনুযায়ী মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

মিথ্যা মামলা হলে মামলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনানন্দের উইকিপিডিয়া.......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ৮:৫৮

অক্টোবর-১৪, ১৯৫৪সাল৷

চুনিলাল নামের এক চা বিক্রেতা তাঁর দোকানের সামনে ট্রামের ধাক্কায় একজন পথচারীকে আহত দেখতে পান৷ প্রথমবার নিজেকে সামলাতে পারলেও দ্বিতীয় ধাক্কাটায় তিনি ট্রাম লাইনে পড়ে যান! তাঁর হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতিরোধ

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ২২ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ৯:২৯


প্রতিবাদের সময় নেই বাকি, তাই
অবিলম্বে গড়ে তোলো তীব্র প্রতিরোধ;
অন্যায়ে রুখে দাঁড়াও একত্রে সবাই-
নিতে হবে সব অন্যায়ের প্রতিশোধ।
অবহেলিত সকল, যত নিপীড়িত
সয়ে যাচ্ছো জালিমের শত অত্যাচার;
তোমার দাবি-দাওয়া সব উপেক্ষিত-
দাম নেই দুনিয়ায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আকাশে বিমান উড়লে মাটিতে তার ছায়া পড়ে না কেন?

লিখেছেন সোহাগ আহমেদ মায়া, ২২ শে অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:৫৭



খুব মজার প্রশ্ন। আকাশে বিমান উড়ে যেতে দেখি। কিন্তু খুব কম মানুষের মধ্যেই এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি ওঠে। তাই শুরুতেই এই তাত্পর্যপূর্ণ প্রশ্ন করার জন্য যায়েদ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে ধন্যবাদ জানাই। এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×