somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

থ্রিলার ভক্তদের জন্য দারুণ দুটি মুভি!

১২ ই মে, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সারাদিন কোন কাজ ছিল না। অসাধারণ দুটি মুভি দেখে শেষ করলাম। এমনিতে আমি থ্রিলারের ভক্ত। সেটা গল্প, উপন্যাস বা মুভি যাই হোক না কেন! ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস টাইপ মুভি ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াসলি দেখে শেষ করতে হয়। :P হালকা মানের মুভি দেখে অবসর সময়ে কিছুটা বিনোদন পেলেও মনের তৃষ্ণা মিটছিল না, অপেক্ষা করছিলাম ভাল কোন থ্রিলার দেখব, সময় নিয়ে মাথা খাটানোর মত কিছু দেখব। আর কথা না বাড়িয়ে মুভিগুলোর নাম আর কাহিনী সংক্ষেপ আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।





প্রথম মুভিটা আমার কম্পিউটারে ২০১৪ সালের নভেম্বর থেকে পড়ে আছে। একটা তামিল মুভি, নেটে ইংলিশ সাবটাইটেল খুজে পাচ্ছিলাম না বলে এতদিন দেখা হয়নি। তামিল মানেই যে ধুমধাড়াক্কা গাড়ি ঊড়া-ঊড়ি এমন কিছু এই মুভিতে খুজতে গেলে হতাশ হবেন। মুভির নাম "7th Day". মুভির কাহিনী পাঁচজন বন্ধুকে নিয়ে। তারা নিজেরা নিজেদের জগতের বাসিন্দা। জীবনে হতাশা থাকলেও খুব সুন্দর মানিয়ে নিয়েছে এর সাথে। বন্ধুদের মাঝে সবচেয়ে সুখী বলা যায় 'ভিনু'কে। যদিও ভিনুর বাবা নেই, তারপরেও সে তার মা আর বোনকে নিয়ে ভালই আছে। তার একটা সাইবার ক্যাফে আছে। সেই ক্যাফের ইনকাম দিয়েই সংসার চলে ভিনুর। এই ক্যাফে নিয়েই পরবর্তীতে এই মুভির কাহিনী এগিয়ে যায়। আর বেশি কিছু বলে আপনাদের মজা নষ্ট করতে চাই না।







দ্বিতীয় মুভিটার নাম 'Rahasya'. মুভির নামই হচ্ছে 'রহস্য'! তাই হিন্দি মুভি বলে নাক ছিটকালে মারাত্মক ভুল করবেন। এটা নাক ছিটকানোর মত মুভি না। মুভির শুরু হয় খুবই নাটকীয় ভাবে। ১৮ বছর বয়সী এক মেয়ে খুন হয়ে যায় তার নিজের বাসায়। সকাল বেলা ঘুম থেকে জাগাতে এসে তার লাশ আবিষ্কার করে তাদের বাসার কাজের লোক। মেয়েটির বাবা-মা দুইজনই ডাক্তার। পুলিশের তদন্তে বের হয়ে আসে মারাত্মক সব ঘটনা। শেষ পর্যন্ত দেখা যায় মেয়েটির বাবাই ফেঁসে গেছে মেয়েটিকে খুনের দায়ে! ঘটনার দিন রাতে মেয়েটির বাবা মাতাল হয়ে বাড়ি ফেরে এবং সেই অবস্থাতেই তাকে খুন করে! ঠিক এমন সময় কাহিনীতে মুভির নায়ক Kay Kay Menon (ব্যতিক্রমী অভিনয়ের জন্য তাকে সব সময় ভাল লাগে) দৃশ্যপটে আসেন। মুভিতে তিনি একজন সিবিআই অফিসার। তিনি কি শেষ পর্যন্ত এই রহস্যের সমাধান করতে পেরেছিলেন? মুভিটা দেখলেই জানতে পারবেন। :)
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মে, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৩১
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তারেক রহমানের প্রথম সফর কেন ভারতেই হওয়া উচিত ছিল?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৯


দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান কলম্বোর পথ ধরে দেশে ফিরে আসেন । তিনি ভারতে ঢোকার অনুমতি পেয়েছিলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৪শের শহীদ নাকি প্রতারক ⁉️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৫:৪৭



'বায়বীয় গুলিতে আহত হয়ে নিহত' এক শহীদের উপাখ্যান।

ইনুস বাটপারের ভূয়া শহীদের বিতর্কিত 'জুলাই শহীদ গেজেট' যে অসংখ্য মিথ্যা, প্রতারনা, জালিয়াতিতে ভর্তি একটা বড় রকমের মিথ্যাচার, বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪


চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো  মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ  বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষো-ল-ব-ছ-রঃ আর কি বর্ষপূর্তি পোস্ট লেখা হবে?

লিখেছেন আমি তুমি আমরা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:০৬



অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।

দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।

ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন পর্ব -১

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ১৮ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২



(শালবন ভ্রমণ)
২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×