মাত্র ৫/৭ বছর আগের ঘটনা। খালেদা জিয়ার শাসন আমল। সুইডেন প্রবাসী খুনের সাজাপ্রাপ্ত আসামি, বিএনপি কর্মী ঝিন্টুর মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করে দিলেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন। মুল কারিগর অবশ্য ছিলেন তৎকালীন
৫/৭ বছর পর ঘটি উল্টে গেল। টেক্কা এখন আওয়ামীলীগের হাতে। খালেদা'র জায়গা নিয়েছে হাসিনা। ইয়াজ উদ্দিনের কাজ চালাচ্ছে জিল্লুর রহমান। শিক্ষাঙ্গন গুলোতে ছাত্রদলের পরিবর্তে তান্ডব চালাচ্ছে ছাত্রলীগ। ীয়াজ সাহেবের মতই জিল্লুর রহমান লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম হত্যা মামলার আসামি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা আবু তাহেরের ছেলে এএইচএম বিপস্নবের ফাঁসির দণ্ডাদেশ মওকুফ করে দিলেন। এবার আওয়ামিলীগ সমর্থকরা বেকায়দায়। মুখ লুকানোর জায়গা পাচ্ছে না। পত্র-পত্রিকায়, ব্লগে ব্লগে সর্বত্র সমালোচনা। সাচ্চা দেশ প্রেমিক বিএনপি সমর্থকরা ব্লগে ব্লগে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের কর্মকান্ডকে জুতা সহকারে মাইনাস জানাচ্ছে।
২০১৪ সালের নির্বাচনের ফলাফল্টা এখনি কিছুটা অনুমান করা যাচ্ছে। রাগে গজরাতে গজরাতে মানুষ এবার ভোট দেবে ধানের শীষে। বিপুল বিজয় নিয়ে ক্ষমতায় আসবে বিএনপি। আশা করা যায় জনগনের মোহ ভঙ্গ হতে এবার ১ বছরও লাগবে না। টেক্কা থাকবে বি এন পির হাতে। আর জনমত থাকবে আম্লীগারদের পক্ষে। সারাদিন পাতা ভরে থাকবে ছাত্রদল আর জামাত-শিবিরের কু-কীর্তি নিয়ে। হয়ত ২০১৬ সালে মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামীর মৃত্যুদন্ডাদেশ বাতিল করা নিয়ে দেশ প্রমিক আওয়ামীলীগাররা প্রতিবাদে মুখর থাকবে। একদিকে দেশজুড়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোতে শিবির আর ছাত্রদলের তান্ডব আর টাল মাতাল অর্থনীতি । চালের দাম আশি টাকা ছুই ছুই। চাদাবাজিতে বিপর্যস্ত জনজীবন। এই গভমেন্টের দিয়ে কিছু হবে না। রাগে গজরাতে গজরাতে ২০১৯ সালে আবার ছাপ দিব নৌকায়। বিপুল বিজয় নিয়ে ক্ষমতায় আসবে আম্লীগ। এবং আবার ২০০৮ সালে পুনরাবৃত্তি।
ভুদাই বাঙালীর চোখ খুলবে কবে জানি না। আদৌও চোখ আছে কিনা সন্দেহ। এক বন্ধু বলল, পোঙামারা খেলে নাকি বাঙালীর সুখানুভুতি হয়। তাই বার বার ঘুরে ফিরে ওদের কাছেই যায়। ওভার ডোজ হয়ে গেলে ৫ বছর পর পর একটু স্বাদ চেঞ্জ করে আর কি।
লেখাটি প্রথমে এখানে প্রকাশিত

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


