মোবাইলের জিএস এম এবং সিডিএম এ প্রযুক্তির ব্যাপারে অনেকেরই কৌত্থহল আছে। অনেকে মারাত্মক ভুলবশত সিটিসেলের নেটওয়ার্ক অক্ষমতাকে সিডিএমএ প্রযুক্তির অসুবিধা বলে মনে করেন। বাদবাকি গ্রামীন, একটেল, বাংলালিংক, টেলিটক জিএস এম প্রযুক্তির আওতায়। কিন্তু বাস্তবিক সত্য হচ্ছে সিডিএম এ সবের্াচ্চ গতির , সবচেয়ে সিকিওর (গোপনীয়তাসম্পন্ন), সবের্াচ্চ গ্রাহক ধারণ মতা দিতে পারে যা জিএস এম প্রযুক্তিতে সম্ভব নয়। জিএস এম ও সিডিএম এ (ওয়ান) দুটোই 2য় প্রজন্মের বা সেকেন্ড জেনারেশন প্রযুক্তি। দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রযুক্তি যার বিবর্তন ধারাগুলো নিম্নরূপ
সিডিএমএ (ওয়ান) (সিটিসেল এখানেই পড়ে আছে)>> সিডিএম এ 2000 (1ী) (তৃতীয় প্রজন্মের)
জিএস এম (2য় প্রজন্মের)>> জিপিআর এস (2.5 প্রজন্মের) >> এজ (2.5 প্রজন্মের) >> ডবলি্লউ সিডিএম এ (ওয়াইড ব্যান্ড সিডিএমএ) ( 3য় প্রজন্মের)
টেলিটক ও বাংলালিংক এখনও জিএসএম এর প্রাথমিক ধারায়, একটেল জিপিআরএস এবং আমার চরম অপছন্দ গ্রামীনফোন এজ পর্যন্ত সেবা দিলেও
ডবলি্লউ সিডিএম এ (অত্যন্ত ব্যয়বহুল) প্রযুক্তি অদূর ভবিষ্যতে আসবে বলে আশা করা যায়না। এ প্রযুক্তির সাহায্যে মোবাইলে টেলিভিশন দেখা শুরু হয়েছে বেশ কটি উন্নত দেশে।
খেয়াল করে দেখুন আপনারা আজ গ্রামীনের যে এজ প্রযুক্তির মাধ্যমে এমএমএস পাঠাচ্ছেন তার পরের বিবর্তিত রূপে আসছে ডবলি্লউ সিডিএম এ এবং এঁটাই জিএসএম এর তৃতীয় প্রজন্ম যাতে আপনাদের সেই বিতর্কিত সিডিএমএ র অনুপ্রবেশ ঘটেছে। প্রযুক্তি দুটোর উৎপত্তি, কর্মপ্রক্রিয়া, সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে ভবিষ্যতে আলোচনার আশা রাখি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



