শেখ হাসিনা এক বক্তব্য ,"প্রবাসীরা সব রাজাকারের বাচ্চা " নিয়ে ব্যাপক হৈ চৈ শুরু করেছিল সাপ্তাহিক যায়যায়দিন। কথাটাকে পুরো মিথ্যা বলা যাবে কি?
নারী, যৌনতা, ধর্ম, রাজনীতি, খ্যাতনামা কোন ব্যক্তি, বিষয়, অর্জন বা সৃষ্টি নিয়ে লেখা হলে হুজুগে বাঙালিরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে। আর নারীদের লেখা পড়ার জন্য পুরুষ পাঠকদের অতি আগ্রহ লক্ষণীয়। জামাত-শিবিরের সমর্থক পুরুষেদের রাজাকারের বাচ্চা গালি দেয়া হচ্ছে, অথচ জামাত-শিবিরের সমর্থক নারীদের বেলায় পাঠকে অতি নরম সুর। এ ব্ল্লগে কিছু দিন থেকেই বৈষম্যের প্রমাণ পেলাম। আর প্রযুক্তি নিয়ে লিখাটা একেবারেই বেকার শ্রম। মন্তব্য দূরে থাক। পাঠকই হয়না।
দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য চকটদার শিরোনামে বস্তাপচা লেখা পেলেও পাঠক কিনে পড়ে। পরে হতাশ হয়ে লেখককে গালি দেয়। নারী শিরোনামে আমার প্রতিটা লেখায় প্রচুর আগ্রহী পাঠক পাওয়া গেছে, তারা পড়া বা যুক্তি দেখানোর পরিবর্তে জন্ম পরিচয় তুলে গালি দেয়ার চর্চাটা করেছেন বেশ।
গালি দেয়া আর অশিষ্টাচারের ক্ষেত্রে প্রবাসীরা এক হাত বাড়া। পুরুষের পাশাপাশি আস্তমেয়ে নামের এক উগ্র অন্ধ আত্মস্বীকৃত মওদুদীর (জামাত-শিবিরের নবীতুল্য প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ) উম্মতকে একই সুরে গালাগাল করতে দেখা গেছে। তারা ভুলে যান, গালি দেয়াটা ভদ্র বংশের বিপরীত চর্চা।
প্রবাসীদের অহংকার আর ভাব দেখলে মনে হয়, তারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। কাজেই সবকিছু গায়ের জোরা বলা, করার যোগ্যতা আর মতা তাদের আছে। কারণ তারা নিজেদের সবচেয়ে সুশিক্ষিত
আর পন্ডিত মনে করে দেশের গন্ডি ছাড়ার সাফল্য হেতু। আমি আমার নিজের পরিচয় সবার কাছে গোপন রাখি, কেননা নিরীহ আত্ম পরিচয় কখন কখন অহংকারের পর্যায়ে পড়ে।
আমি আমার বিশ্বাস ও চেতনার স্বপক্ষে লিখার অধিকার রাখি। আমি চিন্তা ও লিখা আমার ে নেশা। এটাই আমার অবসর বিনোদন। আমার এই নিয়ম বিরুদ্ধ বিশ্বাস বংশ ও পরিবার বা কোন দলের মগজ ধোলাইয়ের ফসল নয়। বরং নিজের বিবেক ও উপলব্ধিজাত। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমি প্রচলিত বিশ্বাস আর প্রথা বিরোধী। কারণ এসব কিছুই বাড়াবাড়ি আর অন্ধত্বের জন্ম দেয়। প্রথা বিরুদ্ধ কথার কারণে আমাকে ইনসেইন মনে করলেও আমি তাকে গালি দিয়ে আঘাত করবোনা বা করিনি।
এখানে কেউ কারো লেখা পড়তে বাধ্য নন। নিজে চিন্তা না করে মত প্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে গালির ঝুড়ি নিয়ে যুক্তিহীনভাবে ঝাপিয়ে পড়ে ছেলেমানুষি, পাশবিক বর্বরতা, অজ্ঞানতার চর্চা করবেননা।
খোদ ঢাকায় থেকেও এই সাইট আমার জন্য দুষপ্রাপ্য, দূমর্ূল্য । আমার কর্মস্থলে সবকিছু বাধ্যতা মূলকভাবে লিনাক্স ভিত্তিক, তবুও বাইরে গিয়ে সময় করে বসতে হয় লেখার তাগিদে।
(আমার আসল নামে কোন সাইফ বা শেরিফ নাই।)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






