somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুদ্রাদোষ না বদঅভ্যাস

২৯ শে জুন, ২০১১ রাত ৯:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমরা আমাদের অজান্তে নানা ধরনের কিছু না কিছু দোষণীয় কাজ করে থাকি। যা ধীরে ধীরে আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়। আর এ দোষণীয় কাজগুলোই বদঅভ্যাস। এগুলো যেমন অন্যের দৃষ্টিতে বিরক্তিকর তেমনি দৃষ্টিকটুও বটে। এসবের যৎসামান্য বর্ণনা করা যেতে পারে। তাতে কিছুটা হলেও সংশোধন হওয়া যাবে। যেমন-

০০ বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে কথা বলার সময় অনেকেই মাথা চুলকিয়ে কথা বলেন কিংবা কানে হাত দিয়ে কান চুলকাতে চুলকাতে কথা বলতে থাকেন। এরূপ কাজে তাকে বোকা বোকা মনে হয়।

০০ রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় চিরুনি দিয়ে মাথা আঁচড়ানো কিংবা প্যান্টের জিপারে (প্যান্টের চেইন) হাত ঢুকিয়ে জামা টেনে ঠিক করার সময় স্মার্টহীন মনে হতে পারে।

০০ বেশিক্ষণ কারো দিকে তাকিয়ে থাকা কিংবা বারবার তাকানোতে নির্লজ্জ ভাবাপন্ন মনে হতে পারে।

০০ খাওয়ার সময় চুকচুক করে কিংবা খাওয়া শেষে গদগদ করে ঢেঁকুর তুলে আওয়াজ করা অন্যের বিরক্তির কারণ হতে পারে।

০০ হাঁচি, কাশি কিংবা হাই এলে মুখে রুমাল চাপা উচিত। তা না হলে অন্যের বিরক্তি আসতে পারে।

০০ কান চুলকানো কিংবা দাঁতে আটকে যাওয়া দ্রব্যাদি যদি পরিষ্কার করতে হয়, তবে একটু আড়াল করে যে কোনো সুতা কিংবা টুথপিক ব্যবহার করা যেতে পারে। কান চুলকানো কিংবা দাঁত খিলালের পর ময়লা কখনো অন্য হাতে নিয়ে গন্ধ নেয়া উচিত নয়। এসব ময়লা পরিষ্কার করার সময় অবশ্যই টিসু্য কিংবা রুমাল ব্যবহার করতে হবে। চোখের পিচুটি হাতে এনে কিংবা নাকের ভেতরের সামান্য ময়লাও হাতে এনে পাকাতে থাকলে কুরুচিপূর্ণ মনে হবে। যখন-তখন গুপ্তাঙ্গে হাত দিয়ে চুলকানো ঠিক নয়। এটা কুরুচিপূর্ণ মনে হবে। শুধু তাই নয়, এতে স্বাস্থ্যের হানিও ঘটে।

০০ চলার পথে জুতা কিংবা সেন্ডেল দিয়ে মাটি ঘষে ঘষে হাঁটলে অন্যের গায়ে ঝংকারের সৃষ্টি হয়। এ বদঅভ্যাসটি বিরক্তিকর ও স্মার্টহীনতা প্রকাশ পায়।

০০ কারো সঙ্গে একান্তে কথা বলার সময় দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলাই উত্তম। একেবারে সামনে এসে কথা বলার সময় অবশ্যই মুখের সামনে একটা হাত রেখে তারপর কথা বলার অভ্যাস করা ভালো।

০০ কথা বলার সময় যতটুকু সম্ভব সংক্ষেপে বলাই উত্তম। কথার ফাঁকে ফাঁকে বুঝছেন কিংবা অঁযা অঁযা শব্দ পরিহার করা উচিত। তা না হলে শ্রোতা বিরক্তবোধ করবেন এবং গুরুত্ব দিয়ে শুনবেন না।

০০ মেহমানকে বিদায় দেয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে দরজা বন্ধ করে দেয়া উচিত নয়। বিদায়ের সময় অল্প সময়ের জন্য হলেও দরজায় কিংবা জানালায় একটু অপেক্ষা করা যেতে পারে। যতক্ষণ মেহমান দেখা যাবে ততক্ষণ দরজায় কিংবা জানালায় অপেক্ষা করা ভালো। এতে আতিথেয়তা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পাবে।

০০ রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় নিজকে এমনভাবে সামলাতে হবে যাতে হাঁটা-চলার পথে অন্য কারো গায়ে কিংবা চলার পথে বাধা সৃষ্টি না হয়। সোজাসুজি রাস্তার এক পাশ দিয়ে হাঁটাই উত্তম। ইচ্ছে করলে রাস্তার ডান পাশ দিয়ে হাঁটা যায়।

০০ চলার পথে যেদিকে খুশি সেদিকে থুতু না ফেলে পেছনের দিক লক্ষ্য করে কিংবা বাতাসের গতি লক্ষ্য রেখে বাম দিকে থুতু ফেলার অভ্যাস করা ভালো। তাতে কারো থুতু লাগার সম্ভবনা থাকে না।

০০ চলার পথে অহেতুক ইটের টুকরো--ফলের খোসা কিংবা অনুরূপ কোনো বস্তুকে সরিয়ে দেয়া, তাতে নিজের ও অন্যের উপকার হবে।

০০ হাঁটা-চলার সময় দাঁত খিলাল করা, চেয়ারে বসে পা দোলানো বদঅভ্যাস ও দেখতে বিরক্তকর।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মতাদর্শের চেয়ে রাষ্ট্রের স্বার্থ বড়....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:২৮

মতাদর্শের চেয়ে রাষ্ট্রের স্বার্থ বড়....

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আবেগ দিয়ে নয়, বাস্তবতা দিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন। আমাদের রেমিট্যান্স অর্থনীতির একটি বড় ভিত্তি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিজিবিজি নদীর ধারে খাদ্যমেলা

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৪

হিজিবিজি নদীর ধারে খাদ্যমেলা
.................................................................



শামুক ভাইটি দিল ছুট,
পায়ে তাহার নাইকো বুট।
হোঁচট খেয়ে থাবড়া,
মাছের নাকে কামড় বা!

মাছটি বলে, "কী আপদ!
ছাড়ো আমার এই পথ।
"ফ্যাঁকফ্যাঁকে সব বুদবুদ,
ছুটলো তারা কুদকুঁদ।

ব্যাঙ ও মাছি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

চেনা অচেনা জীবন

লিখেছেন সামিয়া, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১২



ঝড়ের কাছে হেরে যাওয়া গাছ,
শুকনো পাতার মতোই ঝরে পড়ে।
আমি শিকড়ে বেঁধেছি বাসা,
তাই তো দাঁড়িয়েছি ঝড়ের পরে।

একলা রাতের নীরব জানালায়,
কত অশ্রু ভোরের আগে শুকায়।
শান্তি নামে শব্দহীন এক পাখি,
যখন মানুষ নিজেকেই খুঁজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ সমস্যা ও সমাধান

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৬


ছবি-১

চলার পথে অনেকেই হয়তো মোবাইল ফোনে ব্লগ পড়তে বা দেখতে গিয়ে বিপত্তির সম্মুখীন হচ্ছেন। সাধারণত মোবাইল ফোনে যারা ব্লগ পড়েন তাদের ব্লগের লেখা পড়তে ও ব্লগের লেখা সহ ছবি... ...বাকিটুকু পড়ুন

"এ ট্রাজেডি অর ট্রাজেক্টরি অফ লাভ" (পর্ব-৪/শেষ পর্ব)

লিখেছেন তাহমিদ রহমান, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৫৪



৪. কুয়াশার ভেতরে ও বাইরে

পরের দুটো সপ্তাহ কেটে গেল এক অদ্ভুত মনস্তাত্ত্বিক লুকোচুরির মধ্য দিয়ে। শামিত নিজেকে আপ্রাণ বোঝানোর চেষ্টা করল যে সে ক্যাভেনডিশ ব্যাংকের একজন সামান্য চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী মাত্র,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×