১। ইনারা কথার সাথেসাথে কাজে বিশ্বাসী, মানে, সারা রাতে ওয়াজের পর ফজরের নামাজ ক্বাজা করার ঘটনা নাই।
২। এদের অর্থনৈতিকভাবে কখনই অন্যের সাহায্য চায় না, বরং অর্থের উতসের বিশুদ্ধতার বিষয়ে অত্যান্ত সন্তুষ্ট না হলে, কেউ কন্ট্রিবিউট করতে চাইলেও গ্রহন না করা।
৩। ইসলামের মৌলিক বিষয়ের মজবুত ভিত্তির উপরই নিজেদেরকে সীমাবদ্ধ রাখা, সাধারণ শাখাপ্রশাখা নিয়ে মারামারি করে সময় নষ্ট না করা। আই মিন, স্পষ্ট দিবালোকের মত সত্য যে এখনো বাংলাদেশের মেজরিটি মুসলমান পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে না বা সম্পদশালীদের মাঝে হয়তো হাজারে একজন তার সম্পুর্ণ যাকাত আদায় করেন (যারা বৈধ উপায়ে বিত্তশালী তাদের মাঝে)। এখন আমার কাছে এইগুলো বড় ইসু তালেবানি জিহাদ আর রাজাকার দমনের চেয়ে (দুইটাই ফেইল)।
৪। গদির মায়া ইনাদের অত্যান্ত কম। বরং মানুষ ভাল হলে গদি এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে এইটা বলেই বেচারারা চ্যাপ্টার ক্লোজ করে দেন।
৫। ডর লাগে প্লাস অত্যান্ত শ্রদ্ধা করি এই জন্য যে মানুষের সবচেয়ে কঠিন যায়গায় ভদ্রলোকেরা হাত দেন। আল্লাহরে চাও, বেহেশত চাও তো নিজে খাইটা খাও। নিজের কাজকাম ছাইড়া, নিজের পয়সা জোগাড় কইরা, নিজের ঘাড়ে বস্তা উঠায়ে বাড়ির থেকে বের হও, আর মসজিদে গিয়া থাক আর দিন রাত হুজুরদের ঝাড়ি শোন, হা হা হা!
উপরের বিষয়গুলো আমার ব্যাক্তিগত পর্যবেক্ষণে। তবলিগের সাথে সংযুক্ত অনেকে আছেন যাদের কথা বা কর্ম অন্যরকম। তবে ওইরকম পাবলিক পেলে আমি "মুরুব্বি"দের ট্যারাব্যাকা প্রশ্ন করেছি বহুবার। ফলাফল মোটামোটি একি রকম। যারা বাংলাদেশে আছেন, সময় সুযোগ করে চলে যেয়েন ইজতিমায়, আত্মসংশোধনের জন্য কিছু সময়ক খরচ করলে তার জন্য আশা করি অনুশোচনা করতে হবে না।
এবারো মনে হয় বাংলাকিতাব থেকেই কিছু ভাল কথা শুনতে হবে।
!@@!446699 !@@!446700 !@@!446701
Click This Link
!@!14816
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


