দেয়ালের হাড়ামি ঘড়িটায় চোখ পড়লে বিরক্তিতে শুকনো গলায় যেনো তেতো স্বাদ লাগে।
উঠে গিয়ে তাড়াহুড়ো করে ব্রাশ শেভ বাথরুম সেরে ইলেভেণ্থ আওয়ারে বাসার বাইরে গিয়ে দাড়ায়। বাঙালী হওয়ার কারনে পাওনা অনেক সুবিধা থেকেই আরিফ বঞ্চিত। তেমনই এক না পাওয়া সুবিধা হলো আলাদা গাড়ী। তাই অফিসের গাড়িতেই যাওয়া আসা করতে হয়। দেরী করার কারনে প্রতিদিন একদম শেষে অফিসের গাড়ি আরিফকে একলা নিয়েই অফিসের শেষ ট্রিপ সম্পন্ন করে। ড্রাইভারের অনেক তাগাদার পরও আরিফ দেখা যায় ঐ শেষ ট্রিপেই অফিস যায়। কেরালাইট ড্রাইভারকে সে বোঝায়, মানুষের স্বভাব কুকুরের লেজ এর মতো, একে পরিবর্তন করা যাবে না, তোমার ইচ্ছে না হলেও শেষ একবার বেশি আসতে হবে আমাকে পিক করার জন্য। আগের ট্রিপে গাড়ি খালি যায়, এটা আমাকে বললে তোমার চিড়ে ভিজবে না।
(চলছে...)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







