দুর্নীতি, অদক্ষতা ও অনিয়মের নানা অভিযোগের কারণে অবশেষে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে সৈয়দ আবুল হোসেনকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি তাঁর মন্ত্রিত্ব টিকিয়ে রাখতে পেরেছেন!!!!!!!!!!!!!!
গতকাল সোমবার তাঁকে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ, সারা দেশের সড়কব্যবস্থার বেহাল অবস্থা, চালক লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম, বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণে দেশে-বিদেশে আবুল হোসেন ও সরকার ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। আবুল হোসেনকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার পেছনে এগুলোই মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। এর মধ্যে মূলত বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের কারণেই আবুল হোসেনকে সরিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না বলে মনে করা হচ্ছে। কেননা, তাঁর কারণেই সরকারের প্রতিশ্রুত প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতু প্রকল্প আটকে রয়েছে। বিশ্বব্যাংকসহ দাতারা ঋণ বন্ধ করে রেখেছে।
সৈয়দ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে পদ্মা সেতু প্রকল্পের মূল সেতু ও তদারকি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের দরপত্রে দুর্নীতির অভিযোগ করেছিল বিশ্বব্যাংক। গত সেপ্টেম্বর মাসে পদ্মা সেতু প্রকল্পের দুর্নীতি বিষয়ে করা একটি তদন্ত প্রতিবেদন অর্থমন্ত্রীকে দেয় বিশ্বব্যাংক। এতে বলা হয়েছিল, পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিভিন্ন কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য ঘুষ বা কমিশন চেয়েছেন সৈয়দ আবুল হোসেনের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান সাকো ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধিরা। সৈয়দ আবুল হোসেনের নাম ব্যবহার করে অর্থ চাওয়া হয়েছে। কমিশন দিলে কাজ পেতে যোগাযোগমন্ত্রী নিজেই সহায়তা করবেন বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তদারকি পরামর্শক নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে দুর্নীতির অভিযোগে কানাডা পুলিশ পৃথক আরেকটি তদন্ত করছে।
বর্তমান সরকারের সবচেয়ে অগ্রাধিকার প্রকল্প ছিল পদ্মা সেতু নির্মাণ। কিন্তু মন্ত্রীর দুর্নীতির অভিযোগে সরকারের তিন বছরেও পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হয়নি। অথচ সৈয়দ আবুল হোসেন ঘোষণা করেছিলেন, ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সেতুর কাজ শুরু হবে এবং এই সরকারের আমলেই যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
সারা দেশের সড়কব্যবস্থা বেহাল হয়ে পড়লে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সংসদে নিজ দলের সাংসদদের তোপের মুখে পড়েছিলেন আবুল হোসেন। এর পরও সড়ক মেরামত করা হয়নি। গত ঈদুল ফিতরের আগে বেহাল অবস্থার কারণে দুটি মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন পরিবহনমালিকেরা। অন্য মহাসড়কসহ জেলা সড়কও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এরপর চারদিকে সমালোচনার ঝড় ওঠে এবং মন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে নাগরিক সমাজ ঈদের নামাজ পড়েন শহীদ মিনারে। এরপর প্রায় আড়াই শ কোটি টাকা খরচ করেও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি করতে পারেননি মন্ত্রী।
যোগ্যতার পরীক্ষা ছাড়া পেশাদার চালকদের লাইসেন্স দেওয়ার কারণেও সমালোচিত ছিলেন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন।
এ ছাড়া রাজধানীর যানজট নিরসনে ঢাকা উড়ালসড়ক ও মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজও শুরু করতে পারেননি সৈয়দ আবুল হোসেন। এ জন্য সংসদে নিজ দলের সাংসদদের তোপের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে।
এখন আমার প্রশ্ন হল,আবুইল্লাকে যেহেতু দুর্নীতি, অদক্ষতা ও অনিয়মের নানা অভিযোগের কারণে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে সৈয়দ আবুল হোসেনকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে,এই অকাইম্মা আবুইল্লা তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে যাই্য়া কি করব? তথ্য প্রযুক্তির বারটা বাজাইয়া ছাড়ব।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


