# বিমান ছিনতাই করতে যাওয়া লোকটি হাসু দিদির সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন।
# অন্য ছিনতাইকারীরা বিমানের যাত্রী ও কেবিনক্রদের জিম্মী করার চেষ্টা করে, সে তা করেনি ।
# ঢাকা থেকে দু্বাই তারপর সৌদি আসার সময় আমি কিছু শুকনা চিপস, ও সফট পানীয় কিনেছিলাম বিমানবন্দর হয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে অন্তত ১০ স্থানে ১০ দফা তল্লাশি করে আমার খাবার ও পানিগুলো রেখে দেয়া হলো, তারপর পর বিমানের দরজায় সর্বশেষ ডিজিটাল হ্যান্ডস্ক্যান যন্ত্র দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলাম, যেখানে ক্ষুদ্র লেইল কাটার, মানিব্যাগ, বেল্ট পর্যন্ত খুলে যেতে হয় সেখানে অস্ত্র !
লোকটির পিছনে কোন উগ্রবাদী সংগঠন জড়িত কিনা বা কার নির্দেশে এমন করলো তা জানার আগেই তাকে গ্রেফতারের পর কেন দ্রুত গুলি করা হলো ?
কেন জীবিত গ্রেফতার করে স্বীকারোক্তি নেয়া হয়নি ।
এমন তো হতে পারে লোকটি কোন মানসিক রোগী বা জঙ্গী কিংবা অন্য ইস্যু ধামাচাপা দিতেই এই নিরিহ মানুষকে লোভ দেখিয়ে বলি দেয়া হলো ।
আমরা আসল ঘটনা জানতে চাই প্রথমত এই কড়া নিরাপত্তার ভিতর অস্ত্র নিয়ে কিভাবে প্রবেশ করলো ?
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




