ক্ষমতাসীন ভোট ডাকাত মহল দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে একদম ধ্বংস করে দিয়েছে, ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি সরকারের আমলে দেশে মেগা প্রজেক্ট হয়নি তা সত্য, তবে দেশের উন্নয়নের যাত্রা তখন থেকেই শুরু, তখনি আমরা তথ্যপ্রযুক্তির দিকে মনোযোগ দিই, এবং বিদ্যুৎ, শিক্ষা, ও আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি , গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বর্তমানের চেয়ে হাজার গুণ ভালো ছিলো, ছোট বেলায় ভোট আসলে খুশি খুশি লাগতো, মনে হতো চারদিকে ঈদ ঈদ ভাব , মানুষ অন্তত ভোট তো দিতে পেরেছে তাদের পছন্দের নেতাকে।
২০০৮ সালের অনির্বাচিত ১/১১ সরকারের কাছে মুচলেকা দিয়ে বর্তমান ক্ষমতাসীনরা ক্ষমতায় বসে, সেই নির্বাচনের পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে বলেছে আমরা একটু সিস্টেম করলেই বিএনপিকে সংসদের বাহিরে রাখতে পারতাম তা করিনি, সেই কথায় প্রমাণ হয়েছে ২০০৮ এর নির্বাচন থেকে মূলত ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছে। তারপর থেকে যতো নির্বাচন হয়েছে সব নির্বাচনই প্রশ্নবিদ্ধ ও ভোট ডাকাতির নির্বাচন হয়েছে । দেশের মানুষ নির্বাচন আসলে আগে দেখো যেতো উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতো, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির তামাশার নির্বাচনে দেখা গেছে ভোট কেন্দ্র ফাঁকা, বিভিন্ন গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুয়ায়ী ১১% ভোট কাস্ট হয়েছে, ভোট কেন্দ্রে ভোটারের চেয়ে কুকুরের আনাঘোনা বেশী ছিলো, সর্বশেষ ২০১৯ সালের জাতীয় নির্বাচনেও অভিনব পদ্ধতিতে ভোট ডাকাতি করার পর দেশের মানুষ নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি আস্থা হারিয়েছে, মানুষ মনে করে ভোট দিতে পারবে না বা পরিবেশ নাই, ভোট কেন্দ্রে ভোটের উপস্থিতি নাই, আছে কিছু ভোট ডাকাত সদস্য তারাই সীল মেরে ভোটদের কষ্ট কমিয়ে দিচ্ছে। আজকের প্রথম আলো সহ সব দৈনিকে এসেছে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটার নাই, ব্যর্থ নিবাচন কমিশনার ও ডিএমপি নিজেই দাবি করেছে, গণতন্ত্রকে এইভাবে উলঙ্গ করে গণধর্ষণ করলে তো আর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা জর্জরিত হবেই।
মিরপুর মডেল একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঁচটি ভোটকেন্দ্র। মোট বুথের সংখ্যা ১৯। ভোটার সংখ্যা ভোটার নয় হাজার ১৬৩। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১১ নম্বর ওয়ার্ডের এই স্কুলের পাঁচ কেন্দ্রে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১৫৮টি।
তথ্যসূত্র প্রথম আলো ২৮-০২-২০১৯
ভোটাররা আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




