somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুক্তিযুদ্ধের ছবি প্রদর্শনীতে নতুন অনুভূতি ।।

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমার একটু বেশি আলাদা অনুভুতি আছে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে খুব গর্ব ও করি। একটা বিষয় সর্বদা আমাকে ভাবায় তা হচ্ছে- আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস আমাদের কিংবা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের খুব কম মানুষই জানে, কিন্ত আমি যতটুকু জানি তা আমি আমার পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কতটুকু জানাতে পারছি। আমি মনে করি এটা আমার দায়িত্ব যে সবার কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দেওয়া। এর জন্য আমি সবসময় চেস্টা করি।

আমি খুব সৌভাগ্যবান যে, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমি ৩টা ছবির প্রদর্শনী তে অংশ নিয়েছি। খুব কাছ থেকে দেখেছি মানুষের অনুভুতি।

আমার ভাইয়ার সংগ্রহে মুক্তিযুদ্ধের উপর ৩০০ অধিক দুর্লভ ছবি রয়েছে। সবসময় হয়তো ব্যাস্ততার কারনে ভাইয়া ছবিগুলো প্রদর্শনী করতে পারেনা, কিন্ত যতবারই করে ততবারই আমি আমার অন্তর থেকে ভাইয়ার সাথে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকি। এগুলো খুব আনন্দের সাথেই করি।

আর প্রদর্শনীর একজন আয়োজক হিসেবে থাকতে পারার ভেতর আলাদা একটা অনুভূতি আছে, এটা বলে বোঝানো যাবেনা।

আজকেও ঢাবি এর টি এস সি তে ছবির প্রদর্শনী হয়ে গেলো।
চলুন আজকের কিছু ছবিতে আলোচনা করি


উৎসুক জনতার একাংশ



ছবি দেখে বাকশক্তি হারানোর মত অবস্থা




ইনি বার বার করে অনুরোধ করছিল আমরা যেন মুক্তিযুদ্ধের সঠিক বার্তা তার পিচ্চি ছেলেদের মত সকল বাচ্চাদের কাছে পৌঁছে দেয়। তার ছেলেকে আজ ছবিগুলো দেখাতে পেরে নিজেকে সে খুব ধন্য মনে করছিল। তার ছেলেকে তিতি প্রতিটা ছবি ব্যাখ্যা করে বুঝিয়েছেন।



এই ধরনের ছবির প্রদর্শনী এইসব শিশুদের জন্য খুব দরকার




টি এস সি তে অন্যদের প্রদর্শনীর কিছু ছবি




অনেক বিদেশি ও এসেছিলেন, তারা ও খুব মুগ্ধ। এক কোরীয়ান ভদ্র মহিলা কথার ছলে বলছিলেন প্রিথিবীর খুব কম মানুষই নাকি এমন বর্বর ঘটনা যানে।
আসলেই আমরা ৪৩ বছর পরেও এসে আমাদের এমন গর্ব করার মত অতীত পৃথিবীর খুব কম মানুষকে জানাতে পেরেছি। আমরা সবাই যদি আমাদের নিজ নিজ যায়গা থেকে একটু হলেও কাজ করতাম তাহলে হয়তো ৪৩ বছর পরেও এসে এমন আফসোস করতে হতোনা।


সবশেষে সেলফি তে আমি এবং আমার ভাইয়া

১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বলুন - "হ্যালো আল্লাহ্‌, আমি এখনো বেঁচে আছি!"

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

আপনার কাছে মনে হচ্ছে, আল্লাহ্‌ আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
তিনি আপনার দোয়া কবুল করছেন না।
আপনার কাছের মানুষকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন।
আপনার কোন চাকরী নাই। রিজিক ছোট হয়ে এসেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

উচ্চবংশীয় ছাগল!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৯



এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

×