somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

বিধ্বস্ত পথিক
কিছু কথা ভাবিতে ভাবিতেn অক্ষিতে আসিল জল,nজলকে বলিলাম, তুই হঠাৎnকেন বাহিরে আসিলি বল?nজল বলিল, অক্ষিটি তোমারnসুখ সৃষ্টির নীড়,nকি করিয়া বল সহিব আমিnএত কষ্টের ভিড়।

আমাদের মিডিয়ার ফলাফল

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চির সবুজের দেশ বাংলাদেশ, চির আবেগের দেশ বাংলাদেশ। বাংলা মায়ের লাখো সন্তানের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে রঞ্জিত আমাদের সোনার বাংলার মাটি। প্রতিদিন হাজারো মানুষের স্বপ্ন ভাঙ্গা-গড়ার মাঝেই আমদের দৈনন্দিন জীবন অতিবাহিত হচ্ছে। আমাদের সাধারন জনগনের তথা দেশের উন্নতির জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে আমদের দেশের নিম্নবিত্তের মানুষ থেকে উঁচুতলার মানুষেরা। খুব সত্যি কথাটা বলতে গেলে বলতে হবে যে, প্রত্যেকে তার নিজের পেটের তাগিদেই তাদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলছেন। এখানে হয়তবা ক্ষেত্রবিশেষ রয়েছে। কেউ হয়ত ঘাম ঝরাচ্ছেন দুবেলা দুমুঠো খাওয়ার জন্য, কেউবা একটু বিলাশবহুল জীবনের জন্য, কেউবা অন্যকে মেরে খাওয়ার জন্য।
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের দেশে বুদ্ধিজীবীর অভাব নেই। দেশের অশিক্ষিত মানুষ থেকে শুরু করে সুশিক্ষিত মানুষ পর্যন্ত সবাই প্রায় সব বিষয়েই জ্ঞান রাখেন। কথা বলার সময় প্রায় সবাই এত জ্ঞানবহুল বক্তব্য রাখেন যেটা প্রসংশা না করলে চলে না। হউক না সেটা অযৌক্তিক। এমন কোনো জায়গা বাদ নেই যেখানে রাজনীতি, ধর্ম, সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হয় না। চা স্টলে, বাসে, অফিসে এমনকি হাসপাতালেও চলে জোর বাক বিতণ্ডা। তবে একটা কথা স্বীকার করতেই হবে যে, আমাদের দেশে যারা পত্রিকার সম্পাদকীয় পাতায় লিখেন সত্যিই তারা অনেক জ্ঞানী। আমাদের দেশীয় চ্যানেলগুলোর টক শো তে মাঝে মাঝে অনেক বিজ্ঞ ব্যক্তিদের দেখা যায় যাদের আলোচনা সত্যিই হাতে তালি দেওয়ার মত। উনাদের প্রত্যেককেই আমরা শ্রদ্ধা করি এবং ভালোবাসি। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যে, এত এত লেখালেখি, এত এত টক শো করে বিশেষ লাভটা হচ্ছে কি? পত্রিকা বিক্রি, বুদ্ধিজীবীদের প্রশংসা, চ্যানেলের T.R.P. ইত্যাদি বৃদ্ধি ছাড়া আর কিছুই হচ্ছেনা। সরকারী দল বা বিরোধী দলের যাদেরকে কেন্দ্র করে বা যে বিষয়ের দিকে আলোকপাত করে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে তাদের তো কোন ভ্রুক্ষেপই নেই। মাঝে মাঝে কোনো কোনো সাংসদ, সরকারী দলের নেতারা, বিরোধী দলের নেতারা এমন সব উদ্ভট কথা বলেন যে আমরা সাধারন জনগনেরাই চরম লজ্জায় পড়ে যাই। আমরা বুঝিনা যে, উনারা কি আমাদের সাথে ঠাট্টা করেন নাকি উনাদের মস্তিষ্কটাই আলাদা মাটিতে গড়া।
সব সময়ই সব বক্তব্যে শুনে আসছি যে, আমাদের এটা করতে হবে, ওটা করতে হবে। আরে ভাই, আপনি শুরু করে দেখান না! কোনটা কোনটা করতে হবে তা আমাদের সবারই জানা আছে। কিন্তু শুরু করার কেউ নেই। মুজিব সাহেব, জিয়া সাহেব আমাদেরকে বলেছেন এবং নিজেরা তা শুরু করে দেখিয়েছিলেন। আমরা তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছি বলেই আজকে বাংলার মুক্ত আকাশে নিঃশ্বাস নিতে পারছি। আমি বিশ্বাস করি যে, আমরা সবাই একসাথে গোটা সমাজটা পরিবরতন করতে পারব না। পরিবরতনের জন্য চাই একজন বিশেষ ব্যক্তি যার দরুন সবার মধ্যে পরিবরতনের হাওয়া লাগবে। কারন, একজন বীর সন্তানই পারে গোটা সমাজের চেহারা বদলে দিতে। কিন্তু, সেই বীর সন্তান কি উত্থিত হতে পারবে আমাদের এই সুশীল সমাজে???!!!
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৯:৪৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেষের কবিতা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫


(রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট অবলম্বনে ২০২৬ সালের এক কল্পিত নতুন সংস্করণ)

অমিত রায় সম্পর্কে তার বন্ধু সহিস বলত, "অমিতের বুদ্ধির আলোটা সূর্যের মতো সবাইকে আলো দিতে আসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার সোভিয়েত শৈশব

লিখেছেন চারাগাছ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১





বাংলা ব্লগের জগতে সহব্লগাররা যারা আমাকে অনেকদিন ধরে চেনেন, তারা জানেন—আমার একটা রাশিয়ান শৈশব ছিল।
শুনতে একটু অদ্ভুত লাগে, তাই না?

রাশিয়ায় আমি কোনোদিন যাইনি।

তবু আমার একটা রাশিয়ান শৈশব ছিল।

আমার সেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ এটা একটা ফাকিবাজি পোষ্ট

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৫



বাংলাদেশে একটার পর একটা বিষয়বস্তু সামনে আসে, আর সবাই সেটা নিয়ে ঝাপায়ে পড়ে। দেখে বিমলানন্দ অনুভবস করি। ''অনুভবস'' বললাম, কারন ছাত্রাবস্থায় আমরা বন্ধুরা কোন বিষয়ে ওভার-ক্যাজুয়ালি ফানি আলাপ করলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

চিকিৎসকের অবহেলা

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:২১



বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবিদের দৈনিক ডিউটি টাইম বা কাজের সময় কতো ঘন্টা? সমগ্র বাংলাদেশে, সমগ্র বাংলাদেশে যে কোনো সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারগণ দৈনিক কতো ঘন্টা ডিউটি করেন?

সরকারি হাসপাতালে পড়ালেখা করে, সরকারি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে ইতিহাস আমাদের জানতে দেওয়া হয়নি অথবা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩


আপনি জানেন কী?
ব্রিটিশরা প্রশাসনের সুবিধার জন্য ১৮৩৭ সালে ফারসি ভাষা বাদ দিয়ে আঞ্চলিক ভাষা ও উর্দুকে নিচ তলার দাপ্তরিক কাজে চালু করে।কারণ মুঘল আমল থেকেই প্রচলিত প্রশাসনিক কর্মীদের কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×