শোমচৌ ঊকুন মারা চিরুনিতে দাড়ি আঁচড়ায়, তারপর কুটুস কুটুস মারে । বৃটিশ লাইব্রেরীর তাবৎ পোকামাকড় তাকে ভালোবাসে । দবীর অনেক দিন হাওয়া । কৃষিকাজে মুক্তি শ্লোগান দিয়ে ফেরেব্বাজ মাডর্ারের ব্যবসায় লাটে তোলার ব্রত নিছে অনেককাল । হীরক লস্করও লজিস্টিক বাদ দিয়া দোকান্দরীতে মন দিছে । পুরানা বন্ধুদের বেশীর ভাগই আর লাইনে নাই । অপ বাক ফুটা দিয়া উকি মারতে মারতে এখন আর বাইরে তেমন আসে না । আসলেও অসামাজিক । রাসেল ডট ডট নিজেই দোকান দিছে । টাইম নাই । কয় ভালোই চলে । আসল ঘঠনা কে জানে ? স্বরহীনরে জিগাইলে চেইতা যায় । কি যেন অব্যক্ত থাইকা যায় ।
মুখফোড় চাকরি নিছে রিসাইক্লিং ফার্মে । লাল মিয়ার শেয়ার আছে ওইখানে । হাসান বউয়ের ভয়ে কম্পমান । ধূসর গোধূলী আছে আরামে । রুনা এখন তার ঘরে । হিমুরে লেঙ্গী মাইরা হযুর ঘরে আগুন লাগাইয়া শেষ পর্যন্ত জাগা মতো গেছে । হিমু বাসা নিছে মহুয়ার কাছাকাছি । অমি পিয়াল ডিস্টাব দিলেও পাওয়ার দিয়া ম্যানেজ করে ।
আস্তমেয়ে ল্যনির্যাটের হোল সেলার ছিল অনেক দিন । পরে ঘরে থাকার সিদ্ধান্ত নিছে চোরের ভয়ে । কখন সিঁদ কাটে ঠিক আছে ? শাওনও আছে ভালোই । শেষ পর্যন্ত তামাকণ্যার দেখা পাইছে । এখন বাত্তির দোকান দিছে ।
সাদিকমোহাম্মাদালম ছুলি-ছৌদ-ছোলমের ব্যবসায় সাফল্য পাইয়া পুনরায় বিশ্বভ্রমণের চেষ্টায় আছে ।কৌশিক চা খাওয়া ছাইড়া দিছে । তার বদলে সুমন চৌধুরীর লগে তারে দেখা যায় নানা জাগায় ।নানা রূপে । টাকের তেল সঙ্গে রাখে । সাইড বিজনেস ।
অমি রহমান পিয়াল একই সঙ্গে ইয়াহু আর এম.এস.এন ডিরেক্টরির কনসালটেন্টর কাম করে ।
দু:খে আছে চোর । তার আর প্রফেশান বদলাইলো না । বাজারও অনিশ্চিত ।
(দঁড়েগা)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




