আমার কথা কম । আগাগোড়াই । যতক্ষণ একটা বাঁশ আপনার হোগা ফলো করতে থাকবো ততক্ষণ আপনার কাজ বাঁচার রাস্তা বাইর করা । এই ক্ষেত্রে আপনে কি বিশ্বাস করেন না করেন সেইটা গুরুত্বহীন । পুঁজিবাদ আছে । তার কাজ গরীবের হোগা মারা । সে মারে । এখন এই গরীব কিন্তু বইসা থাকে না । সেও নানা রকমে ফাইট করে । করে বইলাই আপনে আমি রাস্তা-ঘাটে-বস্তিতে এত গরীব দেখি । তারা আপনার আমার চোখের সামনে বা আড়ালে ফাইট কইরাই যাইতাছে । এইটাই হইল মনোযোগ দেওনের জাগা ।
শ্রেণী সংগ্রাম থাকলেই সেইটা নিজে নিজে শ্রেণীহীন সমাজের দিকে যাইবোগা , এইটা হইল যারা চৈতন্যে সর্বাত্মক নৈতিকতা জিয়াইয়া রাইখা তার উপরে শ্রেণী সংগ্রাম পাঞ্চ করার চেষ্টা করছে তাগো সমস্যা । আমার কাছে গুরুত্বপুর্ণ হইলো ক্যাপিটাল । বিশেষ কইরা ২য় আর ৩য় খন্ড । আমার মতে একটা কলা ৫ জনে ভাগ কইরা খাওনের নৈতিকতার থিকা মানি সাকুর্লেশন আর সেন্ট্রালাইজেশান অফ ক্যাপিটাল এর গুরুত্ব বেশী । তাইলে পুঁজিবাদ কেমনে কাজ করে আর কিভাবে নিজেরে বদলাইতাছে সেইটা বুঝা যায় । পুঁজিবাদের থাবার মুখে পড়া পাবলিকে তার কর্তব্যও এই বুঝ থিকা বাইর করতে পারবো । তবে পারবোই এমন না । পারার চেষ্টা করলে পারবো। নাইলে প্রক্রিয়া তার নিজস্ব গতি+শোষকের ডিরেকশন মতোই যাইবো ।
ভাস্করদা আর বাকি দুইজনের বক্তব্যেই দেখলাম ইকোনমিক ডিটারমিনেশান এর ঝামেলা । এইটা মনে হয় নেতাগো মাথা থিকা আইছে । আসলে বস্তুর উৎপাদন আর পুনরুৎপাদন হইল ইতিহাসের চালিকা শক্তি । এইটুক বুঝতে আইনস্টাইন হওয়া লাগে না । এই বুঝে বাধা দেয় মহাজন আর আমলা ।
আসলে মহাজন আর আমলারাই সমাজতন্ত্র নিয়া এই তর্কার্তকি টিকাইয়া রাখছে । বড় মহাজন সমাজতন্ত্রের জুজু থিকা মুক্ত হউক , আমরাও ভালোবাইসা হোগা পাইতা দিমু । তখন কিছু আর টেরও পামু না । তারাইতো নজরদারি কইরা ঝামেলা করতাছে !
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






