১৯৭৫-১৯৮১।জিয়া প্রথম র্কতব্য হিসাবে জাসদের কর্মী-সর্মথক আর পূর্ব বাংলা-র্সবহারা খতমে মন দিছে।জাসদের নেতারা সিআইএ আর র র টেকা খাওয়া।তাই তাগো কোন সমস্যা হয় নাই।সিপিবি নিষিদ্ধ।এই সময় হারাম থিকা হালাল হইতে সিপিবি অনেক খেইল দেখাইছে।শেষ র্পযন্ত "কি্ছু কিছু পেরগতিশীলতা" কথায় কাম হইছে।পিনোচেট ইশটাইলে ঢালাও বিরাষ্ট্রীয়করণ নাম দিয়া ফ্যাক্টরি বন্ধ কইরা রিয়েল এস্টেট জিন্দাবাদের উন্নয়ন আর তার লগে রেবন সানগ্লাস পইড়া বগল দেখাইয়া খাল কাটা।পাকিস্থান আমলের শুরুতে খারাপ ছাত্রদের আর্মীতে নেওনের নতিজা জিয়াউর রহমানের ইংরেজীতে সবাই খুশী।যুবকদের বেকার হাতকে র্কমীর হাতে রূপান্তরীত করায় পুরানা কম্পোজিটার প্রেসগুলার বিজনেস খুব জমছিল।এত রশীদ বই কোনদিন ছাপা হয় নাই।একরকম ভোটও হইল।পাছা ঘসতে ঘসতে ৩/৪ টুকরা আম্লীগ আর বাকি যা কিছু ছিল আর যা কিছু থাকার কথা ছিল না সবাই আইলো।কেউই এক পিস না।কমপক্ষে ৩ পিস।শুধু নতুন জলপাই পাট্টি এক পিছ।
১৯৭৩ সালের একটা বিচিত্রায় দেখছিলাম শেখ ফজলুল হক মণি কইতাছে আম্লীগই দেশের একমাত্র পার্টি বাকিসব আম্লীগ ভাইঙ্গা বাইর হইছে।রীতিমতো ফ্যাসিস্ট বক্তব্য নি:সন্দেহে।তবে যাগো পেত্তিবাদ করার কথা তারা তখন ত্রিদলীয় জোটে।তাই কেউ আওয়াজ দেয় নাই।২৯১টা সীট লইয়া আম্লীগ তখন দ্যাশটারে নিজের তাল্লুক ভাবতো।১৯৭৫ এর পরে জাসদ আর র্সবহারা খতম করার লগে লগে একটা এন্টি আম্লীগ বিরোধীদল বানাইতে ফেরত আইলো সিআইএর পুরাণা ওয়াফাদার মুসলীম লীগ আর জামাত।তোয়াহা সাহেবরা নিজেগো পার্টির নামে বাইর হইয়া গেলে ভাসানী ন্যাপের পায়ের নীচে আর মাটি অবশিষ্ট ছিল না।বাকশাল চলার সময়েও ভাসানী নিজে হাতে শেখ মুজিবরে বাইড়া খাওয়াইছে ।যাই হোক ভাসানী মইরা গেলে পরে এই পাট্টির ভবিষ্যত পুরাই অনিশ্চিত ছিল।সেই ভাসানী ন্যাপ+মুসলীম লীগ+আম্লীগের একাংশ= প্রথম জাগোদল পরে আইজকার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।শেখ মণি যে কইছিল আম্লীগ ছাড়া আর কোন পাট্টি নাই, সেই জাগা এরাই কাভার কইরা নিছে।আম্লীগের ১৯৭২-৭৫ আমলের পুরা প্রতিক্রিয়া ধারণ কইরা তৈরী হইছে বিএনপি।এই কারণে জলপাই ক্ষ্যাতে জন্ম হইয়াও হ্যারা পরে বাংলাদেশের পেরধান ২ দলের একদল ।একটা বিষয় খিয়াল কইরা, জামাত কিন্তু কোনদিন লিকুইডেশনের দিক যায় নাই।তারা একটা রিজার্ভ ফোর্স হিসাবে বাড়ছে কাছিমের মতন।
এই নতুন জলপাই পাট্টি নির্বাচন কইরা নিজেরে হালাল কইরা নিয়া চলতাছিল একরকম, মানে মাইনসে দেখতাছিল যে চলতাছে।মাইনসে দেখতাছিল না কুর্মিটোলার ভিতরে লাশের পর লাশ পড়তাছে।কারণ কি? ওই যে পাপেট মাস্টার চাবি মাইরা দিছে ছাইড়া।এই ঢুশঢাসের মধ্যেই একদিন কমলভাই অক্কা পায়।পার্টির জোড়াতালিগুলা ছ্যাড়ছ্যাড় করতে থাকে।প্রেসিডেন নির্বাচনে সাত্তার সাবে ক্ষমতায় বহে।নানান ক্যাওজের ফাঁকে আবার রেফারির ফুঁ।২৪শে মার্চ ১৯৮২।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


