ভাইজান আর আপাজানেরা আজকে আপনাদের সামনে আমি আমাদের বর্তমান এবং ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর ৪ টি প্রজাতির পরিচয় জানাবো।
আমাদের দেশে আমাদের সমাজে আমদেরই মাঝে আমাদেরই মত কিছু মানুষ আছে যারা আমাদের জন্য বিশাল এবং ভয়াবহ ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়াতে পারে।ওরা এখনই আমাদের ক্ষতির কারন হিসেবে প্রকাশ পেতে শুরু করেছে
যাই হোক মুল সাবজেক্টে ফেরত আসি
এদের অস্তিত্ব বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই আমরা পর্যবেক্ষণ করে আসছি।দেশের এই আবর্জনাদেরকে আমরা চার ভাগে ভাগ করতে পারি
১.রাজাকার
২.যুদ্ধাপরাধীদের রাজনৈতিক দল
৩.ছাগু
৪.মুরগি
রাজাকার
রাজাকার শব্দের উৎপত্তি কোথায় সেই ব্যাপারে আমার জ্ঞান সীমিত বললে ভুল হবে।বলা উচিত একেবারেই নাই।তবে এইটুকু জানি যে কোন বিদ্রহের সময় রাজার পক্ষের লোকজনদেরকে রাজাকার বলা হয়
পাকিস্তানী সরকারের কাছে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ একটা বিদ্রোহই ছিল।তাই তারা সেই সময়ের যুদ্ধাপরাধীদেরকে রাজাকার, আল শামস, আল বদর ইত্যাদি উপাধি দিয়া জামাই আদরে খানা পিনা আর লুট করা ফ্রী প্লাস মাস শেষে বেতন চুক্তিতে নিয়োগ দেয়।
তাদের কাজ ছিল পাকিস্তানী আর্মি দের কে সব রকমের সুযোগ সুবিধার ব্যাবস্থা আর সব রকমের সাহায্য করা
মানে নিজের ভাইয়ের সাথে ,নিজের দেশের সাথে বেইমানী করা আরকি
এদেরকেই আমরা রাজাকার বলে থাকি
তারপর মুক্তিযুদ্ধ শেষে যখন পাকিস্তানী আর্মি দেশ ছারে তখন কিছু রাজাকার ও পাকিস্তান পালায়।পাকিস্তানী সরকার তাদের নাগরিকত্বও দেয়।এর কিছুকাল পর এরা বাংলাদেশে ফেরত আসে এবং হঠাৎ করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ টাইপ পাওয়ারফুল হয়ে যায়
ইসশিরে আমি যদি জানতাম!!!!
তারপর এনারা রাজনীতি শুরু করলেন,কেউ কেউ আবার ওয়াজ দেওয়ার পাশা পাশি মোবাইলে কলিজোদের সাথে টাংকি মারতে শুরু করলেন।
আর তলে তলে চলল আমাদের ধ্বংস করার পরিকল্পনা
যুদ্ধাপরাধীদের রাজনৈতিক দল
এই গোত্রীয় লোকদের সাথে আমাদের সবারই কম বেশি জানা শোনা আছে।এরা হল এক নাম্বার পয়েন্টে উল্লেখিত রাজাকার তথা দেশদ্রোহীদের দ্বারা গঠিত ধর্মকে আশ্রয় করে নিজের সুবিধা আদায় করার উদ্দেশে রাজনৈতিক দল
জী হ্যাঁ আমরা রাজাকারদের বিচার চাইলেই যারা স্বাধীন বাংলার মাটিতে পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলে চিল্লায়া চিল্লায়া মিছিল করতে করতে ভাংচুর করে ,যেই ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করে সেই ধর্মেরই অবমাননা হিসেবে কুশপুত্তলিকা পুড়ানো সহ মসজিদে আগুন লাগানর মত কাজ করে তারাই এই গত্রের পোলা পাইন
এরা যে দেশদ্রোহী তার প্রমান আপনারা এদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে গেলেই দেখতে পাবেন
আর যারা আমার মত অলস তাদের জন্য স্ন্যাপশট লাগায়া দিলাম
ছাগু
এনারা হচ্ছেন রাজনীতির বাইরের লোকজন যারা জামায়াত শিবির দেরকে সাপোর্ট করে।এবং তাদেরকে এমন ভাবে মগজ ধোলাই দেওয়া হইসে যে তারা এদের সমস্ত কথা মেনে চলে।ইদানিং এদেরকে ফেসবুক,ব্লগ,টুইটার এ দেখা যাচ্ছে
এদেরকে বেশিরভাগই টাকা দএ ভাড়া করা হয়ে থাকে ।মাঝে মাঝে আমরা এদেরকে নব্য রাজাকারও বলে থাকি
ছাগুদের মধ্যে অন্তরভুক্ত করা যায় আরও একটি দল আছে
তারা হল আমাদের সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষ যারা কোন এক অজ্ঞ্যাত কারনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় না
এদের মধ্যে কেই টিচার,সাংবাদিক আবার কেউবা কর্পোরেট জগতের স্যুট টাই পরা অফিসার
এরা আরও ভয়ঙ্কর।কারন উপরের দুই ক্যাটাগরির লোকজন কিন্তু অস্ত্র তেই সীমাবদ্ধ।আর ইনারা কলম স্পেশালিষ্ট।
আর আমরা সবাই জানি একটা কলম একটা অস্ত্রের চেয়ে দশগুন বেশি শক্তিশালি।কখনো কখনো হাই পজিশনের ছাগুদের নির্দেশে খানিকটা বাধ্য হয়েই অনেক কাজ করে ফেলে দেশদ্রোহীরা
ঠিক এইরকমই এক ছাগু হইতেসে আমার ম্যাথ টিচার।আগে আমি উনার ফেভারিট স্টুডেন্ট ছিলাম কিন্তু যখন শুনলেন আমি আবার প্রতিদিন শাহবাগে যাচ্ছি আর ব্লগেও লিখতেসি উনি আমাকে আর পছন্দ করেন না
ওয়েল উনি যে আমাকে নাস্তিক মুরতাদ বলিয়া ঘোষণা করেন নাই এইটাই আমার সৌভাগ্য
মুরগী
এখানে উল্লেখিত টার্ম গুলার মধ্যে এই মুরগী টার্মটা আমি উদ্ভাবন করসি হে হে হে
এই গোত্রের মধ্যে পড়ে সেইসব মানুষ যারা ছাগু দের মিথ্যাচার,অপপ্রচার আর মগজ ধোলাইয়ের শিকার হয়ে আজ আমাদেরই বিপক্ষে চলে যাচ্ছে
তবে তারা কখনই শিকার করবে না যে তারা সাপোর্ট করতে পারবে না কারন সে তার নিজের সমাজের বিপক্ষে গিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার মত GUTS রাখে না
তাদের যুক্তি টা অনেকটা এরকম তারা যেহেতু মুরগী তারা কখনই বলবে না যে তারা মুরগী এইজন্য তারা হালুম ডাক দিতে পারে না
তারা বলবে হালুম ডাক দেওয়ার মধ্যে কোন যুক্তি নাই তাছাড়া তুমি যে ব্রাশ কর না এইজন্য তুমি যখন হালুম কর তখন গন্ধ লাগে।টাই আমি হালুম ডাক দিব না
হায়রে নাদান একাত্তরে যদি তারা ঠিক এভাবেই হালুম না করত তাইলে কি তোরা আজকে এম্নে থাক্কতে পারতি?? বাংলা বলতে পারতি?
আমার এই যুক্তি শুনে এক ফ্রেন্ড বলল দেখ বাংলা না বলতে পারলে আমার কি হত?বাঙালী না হয়ে পাকিস্তানী হয়ে থাকতাম
এই কথা শুনে মনে হল ওরে তোরা কেউ আমারে মাইরালা
এখন কথা হচ্ছে এদেরকে চিনবেন কিভাবে?
ছাগুদেরকে চেনার নতুন এক উপায় বের হইসে
নাম কেপি (কাঁঠাল পাতা) টেস্ট
নিম্নের উক্তিগুল যদি কারও কোথায় খুঁজে পান তাহলে বুঝবেন সে একজন ছাগু নাহলে মুরগী
১) আমিও বিচার চাই। তবে.............
২) শুধু কাদের মোল্লার ফাসি দিলেই কি হবে? দেশে আরো কত সমস্যা............
৩) শাহবাগের আন্দোলনকে সমর্থন করি, কিন্তু আন্দোলনের নামে নারী পুরুষের অসভ্যতা সমর্থন করি না। ওখানে তো গাজার আসর বসে
৪) আমি শিবির পছন্দ করি না কিন্তু শিবিরের আদর্শ আমার ভালো লাগে।
৫) আপনি কিভাবে নিশ্চিত যে সাইদী নিজামি কাদের যুদ্ধাপরাধী? আপনি কি তাদের খুন করতে দেখেছেন?
৬) আপনার মা বোন কে কি ধর্ষণ করছিল নাকি তারা?
৭) সাইদী যুদ্ধাপরাধী কিনা জানি না তবে উনি খুব ভালো আলেম, ইসলামী জ্ঞানী ব্যক্তি।
৮) হাসিনার বেয়াই...তাকেও ফাঁসি দিতে হবে...... অর্থাৎ তার বিচার না হলে গু আজম, সাইদি, নিজামি মুজাহিদ দের ও বিচার করা যাবেনা । ব্যাপার টা অনেকটা গ্রাম্য সালিশ এর মত। তোমারটা না হলে আমার টাও হবেনা।
৯) শেখ মুজিব নিজেই তো তাদের কে ক্ষমা করে দিয়েছিলেন
১০) ঐটা নাস্তিকদের আন্দোলন
১১) আমিও ফাসি চাই, কিন্তু. . . . . . .
এই লক্ষন দেখলেই তাকে কেপি পজেটিভ লেখা কাগজ ধরায় দিবেন
অভ্যাস মত কমিক দিয়া শেষ করি
ডেডিকেটেড টু মাই ফ্রেন্ড হু টোলড মি দিস বুলশিট

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




