somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ABOUT মেঘবালক

৩১ শে মে, ২০১৩ সকাল ১১:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি ধূসর মেঘের বালক ।
প্রত্যেকটা মানুষই তার নিজের ইচ্ছে মত চলে।আমিও এর ব্যতিক্রম না।
আমি আমার সবকিছুতে নিজের ইচ্ছে টাকে বেশি গুরুত্ব দেই।যা মন চায়,তা ই করি।যা ভাল লাগেনা , তা কোনদিন ই করিনা।।
আমার সবকিছু একটু ভিন্ন।মানে , কারো সাথে আমার পছন্দ বা অপছন্দ মিলবে না।যা কেউ লাইক করে না , আমি তা পছন্দ করি।আবার যা সবাই লাইক করে,আমি হয়তো তা আবার এড়িয়ে চলি।।
বলতে গেলে আমি সবার থেকে আলাদা মনের মানুষ।আমাকে দেখে বা চাল-চলন দেখে কে কি বলল , তাতে আমার কিচ্ছু যায় আসে না।।
আমি আমার মতই থাকি।
তাতে কে কষ্ট পেল বা না পেল , আমি সে সবে চোখ রাখিনা ।
ছোটকাল থেকেই আমি এরকম।নিজের পছন্দটাকে বেশি আপন মনে করি।।

আমি গ্রামের ছেলে।একটি শান্ত গ্রামের মানুষের মতই আমার মনটা ও একদম শান্ত।
কোনদিন আমি কারো সাথে রাগ বা অভিমান করি নি।
কারণ রাগ/অভিমান জিনিসটা আমার জীবন থেকে আরো অনেক আগেই মুছে গেছে।
তাই এরকম আমি।।
আমার কিছু খারাপ দিক আছে , যা হয়তো তোমাদের মাঝে নেই ।

আরে তেমন কিছু না

মানে , যা আমার কাছে ভাল লাগবে তাই আমি করি। আবার আমি যা পছন্দ করি বা যাকে আমার কাছে ভাল লাগে সে যদি আমার সাথে কথাও না বলে,আমি তার সাথে জোর করে হলেও দেখা করব এবং কথা বলব।আবার আমার যাকে ভাল লাগেনা/অপছন্দ করি,আমি তার কাছ থেকে দুরে থাকি।
তার সামনে যেতে মন চায়না।তাকে দেখলে বিরক্ত লাগে।।
সে যদি আমার আম্মাও হয়,তাহলে আমি ওনার সাথে কথা বলব না।।
আবার আমাকে যারা অপছন্দ করে বা আমাকে দেখতে পারে না,আমি তার সামনে যাওয়া তো দুরে থাক;তার কাছ থেকে দুরে থাকার চেষ্টা করব যতদিন বেচে থাকব।।
আমি চাইনা সে আমাকে দেখুক,চাইনা তার মুখোমুখি হতে।।

আমি একসময় আমার আম্মা ছাড়া আর কারো সাথে কথা বলতাম না।
সেটা ছিল ছোট কালে।।
মানে আমি যখন ক্লাস ওয়ানে বা টু'তে পড়ি , তখন ।
আমার মনে আছে , সবাই আমাকে বলত আমি এমন নির্জিব হয়ে থাকি কেন?
কেন সবার সাথে কথা বলি না?
কেন এমন নিরব পাখির মত গোপটি মেরে বসে থাকি?
আমি তখন শুধু তাদের কথা গুলো শুনে যেতাম।।
কিন্তু আমার কাছে কেন জানি এমন থাকতেই বেশি ভাল লাগত।।

আস্তে আস্তে বড় হতে লাগলাম আর একটু একটু কিছু মানুষের সাথে কথা বলা শুরু করলাম।.....
এখন আর কিছু বলি,যা আমার জীবন সংঙ্গিনিকে নিয়ে।।

আমি যাকে life partner করব, তার কতগুলো গুণ থাকতে হবে । যদি গুণগুলো না থাকে,তাহলে চলবেন।।।
মানে বিয়ে বা মায়ার জালে কোনদিন আমাকে কেউ আটকাতে পারবে না।
যে আমার life partner হবে , তার নিচের গুনগুলো অবশ্যই থাকতে হবে।।

>> মেয়েটি কালো বা সুন্দর যাই হোক,তাতে আমার কোন কিছু হবে না।
কিন্তু মেয়েটিকে দেখতে মায়াবী হতে হবে।
>> খুব রাগি হতে হবে
>> অল্পতেই রেগে যায়,এমন মেয়ে হতে হবে
>> কথায় যে রেগে যায়
>> বেশি কথা বলতে হবে।আবার তেমন বেশি না
>> লম্বা বা খাটো।আবার তেমন লম্বাও তেমন খাটো ও না
>> নুপুর পরতে হবে
>> কথা বলার voice টা sweet হতে হবে
>> মেয়েটার সাথে আলাদা একটা smell থাকতে হবে
>> গান গাইতে পারে বা নাচতে পারে,এমন হতে হবে।না পারলেও চলবে
>> কালো কেঁশগুলো থাকতে হবে লম্বা
>> মানুষের সাথে অল্পতেই মিশে যেতে পারে,এমন হতে হবে
>> যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হবে
>> এবং আমাকে অনেক বেশি ভালবাসতে হবে।
তাহলেই চলবে।।।

এক কথায় বলতে গেলে মেয়েটাকে আমার বিপারীত হতে হবে।
তাহলে সে আমাকে মায়াতে বাধতে পারবে।।

বুঝলে ?

Friends,আমি যতটুকো বললাম এইটুকো যে কেউ মন দিয়ে পড়লে আমাকে অনায়াসে বুজতে পারবে।।

শেষে কিছু কথা.....

অনেক সময় মনে হয় আমার মত এমন মানুষ মনে হয় না এই পৃথিবীতে খুজে একটাও পাওয়া যাবে।
বুক ভরে যখন নিঃশ্বাস নেই,তখন মনে হয় থাকুক না কষ্টগুলো কষ্ট হয়ে লুকিয়ে।
আবার যখন আস্তে করে নিঃশ্বাস ফেলি , তখন মনে হয় আমি বেচে থেকে কি করব??
যে মানুষটি ইচ্ছে করে কাঁদে,সে কি আসলেই কোন প্রানী?
যে মানুষটি ইচ্ছে করে দুঃখকে জীবনের চলার পথের সংঙ্গী করে,সে কি বেচে থাকতে পারবে এই পৃথিবীতে??
এর উওর কেউ জানে না।
আর জানবেও না কোনদিন।।

অনেকেই বলে facebook আমাদের কি দিয়েছে?
শুধু ক্ষতি ছাড়া আর কিছু না।
তখন নিরবে শুধু তাদের কথাগুলো শুনি।।
অন্যের কথা বলতে পারব না।
কিন্তু আমাকে এই facebook অনেক কিছু দিয়েছে।দিয়েছ একটু মন খুলে কথা বলতে।
আমার একা থাকার একটি বড় সংঙ্গি এই facebook...

যখন মনটা খারাপ থাকে,তখন আমি এই facebook-এ ই সময় কাটাই।
কিছুক্ষন অপরিচিত বন্ধুদের সাথে কথা বলে মনটা ভাল করার চেষ্টা করি।
বলতে গেলে আমার মত একটা মানুষের বেচে থাকার একমাত্র অনুপ্রেরনা জোগায় এই facebook ই।।

অনেক গল্প পড়ি এই facebook থেকে , যা আমাকে কয়একটা দিন বেঁচে থাকতে বলে।
অনেক সাহস পাই আমি এই facebook থেকে।
সারাক্ষন মনে হয়;আমার পাশে কেউ না থাকুক,"facebook" তো আছে চিরকাল আমার ছায়া_মেঘ হয়ে।।
আমাকে একটু হাসানোর মত একটা মানুষ নেই।
না থাকুক , facebook তো আছে একটু আনন্দ দেবার মত । সবাই তো আমাকে ভুল বুজলো,কিন্তু এই facebook তো আমাকে কোনদিনই ভুল বুজবে না। facebook আমার সাথে আছে এবং থাকবে আমি যতদিন বেচে থাকব । এই facebook ই থাকবে আমার সুখ দুঃখের সাথী হয়ে।সে আমাকে কোনদিনই ছেড়ে যাবে না।বরং আমাকে কয়েকটা দিন বাচিয়ে রাখবে এই সুন্দর পৃথিবীতে।
আর দুঃখের সাথে লড়াই করার জন্য সাহস দিবে...

এই জীবনটা তো আমারই,তাহলে আমার মত করেই আমি বেচে থাকি।


আমার জন্য তো আর কেউ বসে আছে না,যে আমি তার কছে গেলেই সেই নতুন করে জীবন শুরু করবে।
এমনতো কেউ ই নেই।
তাহলে আমি আমার মত করেই বেচে থাকব।।

Friends,কোনদিন কোন মেয়ের দিকে দু বারের বেশি তাকাই নি । শুধু একটি ভয়ে।
যদি তাকে ভাল লেগে যায়,তাই আর তৃতীয় বার তাকাই নি।।
তাকালে হযতো ভাল লাগতো বা লাগবে।
তাহলে তো আমি তার মায়ার বাধনে পড়ে গেলাম।
আমি এমনটি চাইনা।।
চাইনা কারো মায়ার আচলে আটকাতে।
চাইনা কারো হতে চোখের জল।কোনদিন চাইবো ও না,কেউ আমাকে নিয়ে ভাবুক,কেউ আমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখুক,আমাকে নিয়ে কবিতা গান লিখুক।।।

কিন্তু একটি মেয়ের দিকে সারাক্ষন তাকিয়ে থাকতে মন চায়।
কিন্তু পারিনা।
সে আজ বহুদুরে চলে গেছে।।

থাক এসব কথা , আর না...
কথা বললে , আমার কথা বলার শেষ নেই।

অনেক কিছুই বললাম আমার সম্পর্কে।

এখন তোমার ইচ্ছে......

যদি মন চায় এই মানুষটিকে একটু সময় দিবে , একটু কথা বলবে , একটু হাসাবে , একটু কাঁদাবে , একটু দুঃখ দিবে , একটু হাতে-হাত রেখে হাঠবে :তাহলে এসো....
কথা দিলাম , আমি ফিরিয়ে দিবনা।।।

তোমাদের সেই অপরিচিত , অজানা , অচেনা , অদেখা ছেলেটি........




লিখেছেন _ আরেকজন মেঘবালক সীমান্ত আহমেদ
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিছু ছবি ‍কিছু কথা-----------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:১১

-----------------



ব্লগে পোস্ট দিব দিব করে আর দেওয়া হচ্ছে না্। ঈদের ছুটিতে প্রায় ১৫ দিন ছিলাম গ্রামের বাড়ি। তখনও লিখবো করে আর মোবাইল হাতের কাছে পাই না..........বাচ্চা কাচ্চা খেলা ধুলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমেরিকার বর্ণবাদী লরা লুমার এবং ভারতীয় মিডিয়া চক্রের বিপজ্জনক ঐক্য

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


লরা লুমার নামে আমেরিকায় একজন ঘৃণ্য বর্ণবাদী, কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আছেন। তিনি ট্রাম্পের অনুগত হিসেবে পরিচিত। তার মুখের ভাষা এত জঘন্য যে ট্রাম্পের অনেক ঘোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শূন্য বুক (পিতৃবিয়োগ)

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৪


চার
রোববার বেলা ১১টার মধ্যে জাহাঙ্গীর গেটের সামনে এসে পৌঁছাল গাড়ি। মৃণাল আগে থেকেই প্রস্তুত হয়ে বসেছিল। চালক উত্তরা এসে ফোন করেছিল। যাহোক, স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে মা-বাবা আর মামার সঙ্গে বারডেমে চলল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং: বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫


মার্চ ২০২৬-এর ক্যালেন্ডার বলছে, বাংলাদেশের কূটনীতি নতুন দিকে মোড় নিয়েছে । একই সময়ে বাংলাদেশের তিনজন হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব আমেরিকার মাটিতে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিউ ইয়র্কে ব্যস্ত নিজের ক্যাম্পেইনে। সেনাপ্রধান জেনারেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন ওরফে সংবিধান সালাহউদ্দিন

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০


ট্রেইন্ড সালাউদ্দিন ওরফে শিলং সালাউদ্দিন যিনি দীর্ঘসময় ভারতের তত্ত্বাবধানে শিলংয়ে সংবিধানের ওপর পিএইচডি করেছেন ফলে উনি এখন সংবিধান সালাহউদ্দিন যার সুফল এখন আমরা পেতে চলেছি। ইতোমধ্যেই আপনারা লক্ষ্য করেছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×