খালেদা জিয়া নিজের ছেলেদের দেশে ফেরত আনার জন্য ভয়ংকর রিস্ক নিয়ে, অবরোধ নামের সন্ত্রাসের সৃস্টি করেছিলেন; রিস্ক উনার বিপক্ষে কাজ করেছে; উনার ঘোষিত অবরোধকে কাজে লাগায়ে পুরো দেশকে সন্ত্রাসীরা দখল করে নিয়েছে। উনার প্রতিদ্বন্দী, শেখ হাসিনা এখন সরকারে থাকায়, শেখ হাসিনার দায়িত্ব হচ্ছে, দেশকে সন্ত্রাসমুক্ত করা। উনার ইতিহাস, উনিও পার্টির সভাপতি হিসেবে ৩৪ বছর আছেন; কিন্তু সময় উনার পক্ষে, অন্তত এই মহুর্তে।
খালেদা জিয়া ৩১ বছর বিএনপি'র সভাপতি থাকাকালে, অনেক অপরাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন; সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, জামাত ও হেফাজতের মতো সন্ত্রাসীদের জন্য উনার প্রত্যক্ষ সমর্থন, এবং ২০১৩ সালের তান্ডব ও আজকের অবরোধ। বিশ্ব যেখানে সন্ত্রাসীদের নিয়ে লড়ছে, সেখানে তিনি তাদের লালন পালন করেছেন। উনার আরো বড় কীর্তি হচ্ছে 'উলফা' পালন।
উনার নিজের ছেলের মৃত্যুর পর, উনি ২৪ ঘন্টার জন্যও অবরোধ তুলে নেননি, ছেলেকে অবরোধের মাঝে কবর দিয়েছেন।
উনার ২ নাতনীকে পরীক্ষা দেয়ার জন্য মালয়েশিয়া পাঠায়েছেন, এদিকে দেশের ১৫ লাখ বাচ্ছা অবরোধ ও হরতালের জন্য পরীক্ষা দিতে পারেনি; এটা ছিল শেষ পেরেক।
সর্বশেষ বোমা আক্রমনে কুমিল্লায় ৭ জনের মৃত্যুর পর, উনার সব দরজা বন্ধ হয়েছে; এখন উনাকে বিচারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। মুসলিম বিশ্বের পাকিস্তান, আফগানিস্তান, সিরিয়া, মিসর, ইরাক ও লিবিয়ার দলে নিয়ে গেছেন উনি বাংলাদেশকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




