খালেদা জিয়াকে যারা এবার ব্যবহার করে দেশের সরকার বদলানোর ছক এঁকেছিল, তাদের বাসনা পুর্ণ হচ্ছে না; এবং খালেদা জিয়ার বাসনা, নিজের ২ ছেলেকে দেশে নিয়ে আসার প্রচেস্টা ফেল করেছে। খালেদা জিয়াকে রাজনীতিতে আনা হয়েছিল ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে; উনার পক্ষে রাজনীতি বুঝা সম্ভব ছিল না; তবে, রাজনীতি ধ্বংসে উনার অবদান থেকে যাবে।
উনার বড় ছেলেকেও অপরাজনীতি শিখায়ে, অপরাজনীতির ক্ষমতা হাতে তুলে দিয়ে দুর্নীতির জগতে নিয়ে যায় ষড়যন্ত্রকারীরা। এবারও, তাকে লন্ডনে ব্যবহার করে দেশে ভয়ংকর পরিস্হিতির সৃস্টি করেছে ষড়যন্ত্রকারীরা। লন্ডনে, উনার বড় ছেলে কিছু অপ্রয়োজনীয় কথা বলে দেশে উনাদের পার্টিকে সমস্যার মাঝে নিয়ে যায়; সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠার আগেই খালেদা জিয়া অনিদ্দিস্টকালের জন্য অবরোধ ঘোষনা করে, যা বোমাবাজদের রাজত্ব কায়েম করেছে।
আওয়ামী লীগ এখন জনপ্রিয় দল নয়; তবে, বোমাবাজি নিশ্চয় অপরাধ; খালেদা জিয়ার কি করতে চেয়েছিল মানুষ তা মনে রাখতেও পারবে না; মানুষের মনে যা থাকবে তা'হলো বোমায় পোড়া মানুষের কথা।
সরকার বোমাবাজি বন্ধ করতে সক্ষম হচ্ছে; এক সপ্তাহের মাঝে বেশীর ভাগ বোমাবাজ ধরা পড়ে যাবে, বা পালিয়ে যাবে। তখন, খালেদা জিয়া নিজের থেকে চুপ হয়ে যাবে, বা গ্রেফতার হয়ে যাবে। মনে হয়, শেখ হাসিনা চাচ্ছে না যে, খালেদা জিয়া গ্রেফতার হোক।
এই বোমা বাজির ফলে, তারেকের উপর লন্ডনে নজর রাখবে ইউরোপিয়ানরা; ফলে, তারেক ভয়ে, ওখান থেকে পালাবে আরব দেশে, বা রাজনৈতিক কর্মকান্ড থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হবে।
এখন খালেদা জিয়া গ্রেফতার হলে, তার জন্য কান্নারও কেহ থাকবে না; মানুষ ক্ষেপে উঠছে; পরীক্ষার সময় হরতাল দিয়ে ও নিজের ছেলের দাফনের সময় অবরোধ না তোলায় উনি মানুষের রোষে পড়েছেন। শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা কম থাকায় উনার কিছুটা রক্ষা, না হয় এখুনি মানুষ উনার অফিস আক্রমণ করতো; মানুষ বোমা সহ্য করবে না বেশীদিন; উনার কর্মকান্ড এখানেই শেষ।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১১:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




