২১ শে ফেব্রুয়ারীর দিন অবরোধ রাখা অস্বাভাবিক। অফিসে থেকে বা বাসায় অবস্হান করে অবরোধ দেয়া সমান; উনি অফিসে থাকছেন; এটা অস্বাভাবিক। কোকোকে কবর দেয়ার জন্য ১২ ঘন্টা অবরোধ তোলার দরকার ছিল, তা করেননি, এটা অস্বাভাবিক। হরতাল দিয়ে ১৫ লাখ বাচ্ছার পরীক্ষা বন্ধ রাখা অস্বাভাবিক।
অস্বাভাবিক মানুষ কোন অবস্হায় সুস্হ রাজনীতি করার কোন সম্ভাবনা নেই; অতীতেও উনি অস্বাভাবিক রাজনীতি করেছেন।
বিএনপি ও সরকার যত শীঘ্রই খালেদা জিয়াকে অবসরে পাঠায়ে বা বিচার করে নিস্ক্রীয় করতে পারে, তত সহসায়ই জাতি কিছুটা স্বাভাবিক অবস্হায় ফিরে আসতে পারবে; তারপর জাতি সরকার কি করছে তা নিয়ে ভাবার সময় পাবে; এখন জাতি সন্ত্রাসে আতংকিত।
গণতন্ত্র, ধনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র, মাথামুন্ড, বা অন্য যাহা উদ্ধারের জন্য খালেদা জিয়া অবরোধের ডাক দিয়েছিল, তাহা উদ্ধার হয়নি; কাজের মাঝে যা হয়েছে: ১৫০জনের বেশী মানুষ নিহত হয়েছে, ২০০ জনের বেশী আজীবনের জন্য পংগু হয়েছে, জাতি আনুমানিক ৩০ বিলিয়ন ডলারের মত সম্পদ হারায়েছে, মৃতদের ও পংগুদের পরিবার আগামী ৩০/৪০ বছরের জন্য অনিশ্চতার মাঝে চলে গেছে।
সরকারের পতন হবে না; সরকার নিজে ভালো চলবে, জাতি আতংকে থাকবে দীর্ঘদিন, মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফেরত যেতে পারবে না দীর্ঘদিন।
এখন, প্রথমিকভাবে পেট্রোল বোমা থামায়ে, স্বাভাবিক কাজকর্মে ফেরত যেতে হলে, নতুন সরকার গঠন করতে হবে, বা বিএনপি'কে অবরোধ, হরতাল ছেড়ে স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফেরত আসতে হবে।
সরকার যে অবস্হানে আছে, কোনভাবেই নতুন করে ভোট দেবে না; তারা আগের ও বর্তমান জয়কে ধরে রাখবে; আর খালেদা জিয়া বিএনপি'তে থাকলে বিএনপি কোনভাবেই স্বাভাবিক রাজনীতিতে আসতে পারবে না; কারণ, খালেদা জিয়া স্বাভাবিক পথ অনুসরণ করবে না কোনদিন।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



