১৯৭১ সালের ১৬ই ডেসেম্বর থেকে ১৯৭২ সালের ৯ই জানুয়ারীের মাঝে যদি তাজুদ্দিন আহমেদ ঘোষণা করতেন, "জীবিকার জন্য কোন বাংলাদেশী নারীকে আর পতিতা হতে হবে না"; তাজুদ্দিন ইতিহাসে অংশ হতে পারতেন। শেখ সাহেব দেশে আসার পর থেকে মৃত্যু অবধি কোন একদিন যদি একই ঘোষণা দিতে পারতেন, উনি বিশ্বের বুকে সবচেয়ে বড়লোক হতেন। উনারা পারেননি, আমরা আজ থেকে সেই ঘোষনা দিলাম, "জীবিকার জন্য কোন বাংলাদেশী নারীকে আর পতিতা হতে হবে না"।
নারী হলো মায়ের জাতি, স্ত্রী, বোন; তার থেকে বড় কে আছে পৃথিবীতে? তাঁকে কেন পতিতা হতে হচ্ছে দু'মুঠো ভাতের জন্য? কোথায় সেই পুুরুষেরা যাঁরা নারীকে সঠিক ময্যদায় সঠিক স্হানে থাকতে সাহায্য করবে? আমি জানি সেসব মানুষ এই ১৭ কোটীর ভেতর আছেন; তাঁদিগকে সেই পদক্ষেপ নিতে হবে, আজ না'হয় কাল; এভাবে আমাদের মেয়েদের আমরা পতিতা হতে দিতে পারি না।
তাজুদ্দিন সাহেব, শেখ সাহেব মনের দিক থেকে ভিক্ষুক ছিলেন; কিছু দিতে জানতেন না; বলতেন সব ধ্বংস হয়ে গেছে। জিয়া ছিল পতিতাবাজীর পক্ষে, একজন মেজর ৩ বছরের ভেতরে জেনারেল হলে শিখার আর বুঝার সময় কোথায় পাবে? এরশাদ তো পুরুষ পতিতা। চাইলে খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাও পতিতাবৃতি থামাতে পারতো;এবং সেটাই হতো স্বাভাবিক; শুধু চাইতে পারেনি সামন্য কারণে, মাথায় ভাবনা শক্তি ছিলো না কোনকালে, ছিল শুধু ষড়যন্ত্র।
জীবন শুধু একবার; নারী মা, স্ত্রী ও বোন হিসেবে ভালোবাসুক; পরিবার নারীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠুক; চলুন আমরা সেই সুযোগের সৃস্টি করি।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ৯:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




