শেখ হাসিনা বলছেন যে, এদেশের মানুষের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত; ব্যক্তিগতভাবে তিনি পুরো পরিবার হারায়েছেন, এক বোন ছাড়া। মুক্তিযুদ্ধেও কিছু পরিবার এভাবে পুরোটাই নিশেষ হয়েছেন; কিন্তু শেখ সাহেব যুদ্ধের সময় প্রাণ হারাননি; এটা বড় একটা দু:খ যে, তিনি স্বাধীন বাংলাদেশে প্রাণ হারায়েছেন। যারা শেখ সাহেবকে হত্যা করেছে, আর যারা সেই হত্যাকান্ডকে এখনো সমর্থন করে, শেখ হাসিনাকে ৩৪ বছর তাদের সাথে লড়তে হয়েছে, লড়তে হচ্ছে; এটা অনেকের পক্ষে হয়তো অনুধাবন করা সম্ভব নয়। শেখ সাহেবকে যারা হত্যা করেছে, ও সেই ধরণের ঘটনা আবার ঘটতে পারে বলে নিয়মিত হুমকি দেয়, তারাও গত ৩৪ বছর পালাক্রমে বাংলাদেশ চালায়েছে; এটা হাসিনার জন্য ভয়ংকর এক মানসিক যাতনা।
যাক, এখন হয়তো শেখ হাাসিনা তার বাবার হত্যাকারীদের কিছুটা কন্ট্রোলে এনেছে। এই কন্ট্রোল কত সময়ের জন্য ও কিভাবে কাজ করবে, তা নির্ভর করছে শেখ হাসিনার বর্তমান ও আগামী কার্যকলাপের উপর।
মানুষ অশিক্ষিত হওয়ায়, শেখ সাহেবের ভুমিকা অনেকের কাছে পরিস্কার নয়; আবার অনেকের কাছে সময়ের সাথে ম্লান হয়ে আসছে; শেখ সাহেব যেসব স্বপ্নার কথা বলেছিলেন নিজে, ও যেসব স্বপ্নের কথা মানুষ থেকে শুনেছিলেন; সেসব স্বপ্নকে বাস্তবতা দিতে হলে শেখ হাসিনাকে সঠিক তত্ত্বানুসারে এগুতে হবে; শুধু ভালোবাসি, ভালোবাসি বললে ফল পাওয়া যাবে না।
তিনি যা বলছেন, তা করার জন্য প্রয়োজনীয় কাজে উনাকে এখনই হাত দিতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



