শেখ হাসিনা ৩৪ বছর, খালেদা জিয়া ৩৩ বছর, এরশাদ ৩০ বছর, যথাক্রমে আ'লীগ, বিএনপি ও জাপার সভাপতি; এরা সভাপতি থাকাকালে দেশ প্রধানের পদে ছিল ও আছে; এ ধরণের কার্যকলাপ রাজনীতির অংশ হতে পারে না; ইহা গণতন্ত্রের পরিপন্হি। একাধারে ২ বারের বেশী কেহ পার্টির সর্বোচ্চ পদে থাকতে পারবে না, ও পার্টির প্রধান থাকাকালীন দেশ-প্রধান হতে পারবে না; এ নিয়মটি চালু করার কথা ছিল 'ইলেকশান কমিশনের'; কমিশন তা পারেনি।
দেশের এই ৩টি বড়দল নিজেরাই ডিক্টেটরশীপ চালু করে, সংবিধান পরিপন্হি কাজ করে চলেছে গত ২০ বছরের বেশী; এটর্নী জেনারেলও কোর্টে যেতে পারতেন এ বিষয়টি নিয়ে; যেকোন নাগরিক ইচ্ছে করলে কোটে রীট করতে পারেন; কোনটাই ঘটেনি।
এখন বাকী আছে হাইকোর্ট, কোর্টকেই মানুষের পক্ষ থেকে এগিয়ে আসা; জাতির বৃহত্তর স্বাথের খা্তিরে যেকোন সময়, কোর্ট কোন নাগরিক, সংস্হা বা সরকারকে অনিয়মের জন্য কোর্টে তলব করতে পারে, ব্যাখ্যা চাইতে পারে; এমন কি সুনিদ্দিস্ট অর্ডার দিতে পারে; এবং প্রথমে সাময়িকভাবে, ও পরে বিচার ব্যবস্হার মাধ্যমে পদক্ষেপ নিতে পারে।
হাইকোর্ট বেশ কয়েকবার সরকারের বিবিধ কার্যকলাপের ব্যাখ্যা চেয়ে রুল জারি করেছিল নিজের থেকে; সর্বশেষ রুল জারি করেছে, 'সাগরে ভাসমান মানুষষের ব্যাপারে সরকার নীরব কেন', তার জবাব চেয়ে।
দেশের স্বার্থে হাইকোর্ট যদি পার্টি ও এই ৩ জন নাগরিকের প্রতি রুল জারি করে, এটি হবে বেশ দরকারী রুল।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুন, ২০১৫ রাত ৯:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





