ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থাকতে দেশে জর্দা ব্যবসা কিভাবে চালু আছে? জর্দায় পেটে, খাদ্য নালী ও গলায় ক্যানসার হয়; ৩০ জন মানুষের পদদলিত হয়ে মৃত্যুর পর, নুরানী জর্দা হয়তো এবার আমাদের মেডিক্যাল কলেজগুলোর নজরে আসবে; নাকি উহারাও জর্দা খায়? আশাকরি, কমপক্ষে আমাদের জাফর ইকবাল সাহেবের নজরে আসবে।
নিহতদের প্রতি পরিবারকে নুরানী জর্দা মাসে ৫০ হাজার টাকা করে দিতে হবে, যতদিন ব্যবসা থাকে।
১৯৯০ সালে আবুল বিড়ির 'যাকাত' নিতে গিয়ে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল; প্রশাসন সেই মৃত্যু থেকে কিছু শেখেনি; ফলে, ২০০৪ সালে একই ঘটনা ঘটে গাইবান্ধায়, ৪২ জন মানুষের মৃত্যু ঘটে; তখনও প্রশাসন কিছু শেখনি।
এবারের মৃত্যু থেকেও কিছু শিখবে না প্রশাসনের বেকুবেরা, ২০১৭ সালে রংপুরে মারা যাবে ২১ জন।
'যাকাত' নেয়া বেশ অসন্মানজনক, যাকাত নেয়া মানে নিজকে খুবই নীচু করা; কোন মানুষই নিজকে নীচু করতে চায়না; কিন্তু দারিদ্রতা মানুষের সন্মানবোধ কেড়ে নেয়; মানুষ তার নাগরিক অধিকার হিসেবে সরকারী সাহায্য পাবার যোগ্য। তেল পাবার আগ পর্যন্ত আরবেরা ভয়ানক দরিদ্র ছিল, এবং ওদের মাথায় বুদ্ধি কোন কালেও ছিল না; ফলে, যাকাতের দরকার ছিল। বাংলাদেশে দরকার 'সরকারী সাহয্য'; যাকাত ফাকাত বন্ধ হোক।
মানুষ দরিদ্র হয় শিক্ষার অভাবে, মানুষকে দরিদ্র রাখার জন্য ১৯৭২ সাল থেকে আমাদের ব্যুরোক্রেটরা সব ধরণের ষড়যন্ত্র করে আসছে; ভারত উপ মহাদেশে নিজের অবস্হা ভালো করার জন্য অন্যকে দরিদ্র করে রাখার মানসিকতা চলে আসছে দীর্ঘদিন থেকে। আজকে আমরা যাদের ঢাকা ইউনিভার্সিটি, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ, বুয়েতে দেখছি, এদের অনেকের একটা বড় কাজ হবে, অন্যদের দরিদ্র করে রাখা।
বিড়ি, সিগারেট, জর্দা, ফেনসিডিল, ইয়াবা, ক্যামিকেল দিয়ে তৈরি জুস ব্যবসা করে যারা বিলিওনিয়ার হয়েছে, তারা যদি এসব ডাকাতির টাকা দান করতে যায়, স্হানীয় সরকারকে দিতে হবে; সরকারী লোকেরা লিস্ট করে মানুষকে পোঁছিয়ে দেবে বাড়ীতে। এতে একটা অংশ চুরি হয়ে যাবে; তা যাক, সরকারের সব লোকই চোর; কিন্তু ৩০০/৪০০ টাকার কাপড় না পেলে কেহ মরবে না; পেলে ভালো, না পেলে খারাপ না, বেঁচে থাকবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


