ছাত্রলীগের সভাপতি বা সেক্রেটারী যদি শিক্ষামন্ত্রী নাহিদের অফিসে গিয়ে উপস্হিত হয়, নাহিদের মতো মন্ত্রীও কাঁপতে থাকবে; সেক্রেটারী মেক্রেটারী তো নস্যি।
২৯ বছরের একটা ছেলে, যার পড়ালেখা শেষ হওয়ার কথা ২৪/২৫ বচর বয়সে, যার একখানা চাকুরী থাকার কথা, বা চাকুরীর জন্য ইন্টারভিউ দেয়ার কথা, সেই ছেলে সেক্রেটারিয়েটে ঢুকছে গাড়ীতে করে, গেইটে উনার পরিচায় পেয়ে, বিনা পারমিশনে ঢুকতে দিচ্ছে; যাদের রুমে যাচ্ছে তারা কাঁপছে; এই মহাশক্তিধরের উৎপত্তিস্হল কোথায়?
এগুলো কি আসলে জাতির শক্তিধর সন্তান, নাকি ত্রাস? এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়, তাই ছাত্রলীগের কথা বলছি; ছাত্রদলের কাহিনী আরো বড়, সেটার পিতা নিজেই জেনারেল ছিলেন; আর শিবিরের নাম যদি ইসলামী ছাত্র সংঘ থেকে না বদলাতো, সেটা এখনো হতো বিশ্বের সবচেয়ে বড় বড় যুদ্ধাপরাধী ও জল্লাদ তৈরির কারখানা।
আজ ঢাকায় 'ভুয়া ভোটের' মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের এই 'মহাশক্তিধর' উৎপাদন করছেন আওয়ামী লীগ; আজকেও আনন্দ, পরেরদিন থেকে আওয়ামী অনেক নেতাও এদের ভয়ে কাঁপবে।
আমার ধারণা, যেভাবে এখন আওয়ামী লীগ চলছে, ছাত্র লীগের নতুন সভাপতি ও সেক্রেটারী কে হবে, শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে ঠিক করে দিয়েছেন; উনার দল, উনি যা করার করছেন, ভালো হলে উনার হবে; খারাপ হলে জাতির খারাপ হবে। কিন্তু ভুয়া 'ভোট ভোট' খেলা হচ্ছে কেন?
নিজেদের সাথে যদি এরা 'ভুয়া ভোট' করে নিজেদের ফাঁকি দেয়, পরে এরা জাতির জন্য কোন ভোট করবে?
শেখ হাসিনার ভুলের জন্য, বা অপক্কতার জন্য ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া জয়ী হয়েছিল; সেই খালেদাকে নিস্ক্রিয় করতে ৩২ বছর সময় লেগেছে; এখন এসব অপ্রয়োজনীয় ভুয়া ভোট ইত্যাদির ফল খেয়ে আরো কত বছর কাটবে, কে জানে?
ছাত্র রাজনীতিবিদ একটা ভুল শব্দ; ছাত্র-ডাক্তার, ছাত্র-ইনজিনিয়ার নামে কোন টাইটেল নেই; ছাত্র রাজনীতি আমাদের শিক্ষার মান নীচে নিয়ে গেছে; ও পড়ালেখা না করে, জীবনে টাকা পয়সা কামানোর ও ক্ষতাশালী হওয়ার উদাহরণ সৃস্টি করে যাচ্ছে, যা জাতির জন্য ভয়ংকর সমস্যার সৃস্টি করে চলেছে।
যারা রাজনীতি করতে চায়, ১৮ বছরের পর দলে যোগদান করে রাজনীতি করতে পারে; ক্যামপাস পড়ালেখার যায়গা, ওখানে রাজনীতির নামে মাফিয়া সৃস্টি করা ঠিক হচ্ছে না।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




