শেখ হাসিনা জীবনে সবচেয়ে যে শব্দটি সবচেয়ে বেশী উচ্ছারণ করেছেন, সেটি হবে হয়তো "খালেদা জিয়া"; শান্তি নেই; শেখ হাসিনার অখন্ড রাজত্বে উড়ন্ত ডাচম্যান। সম্প্রতি খালেদা জিয়া যে শব্দটি তসবিহ গণনার মত উচ্চারন করে চলেছেন, সেটি হলো, "নিরপেক্ষ একটা নির্বাচন"; মেলায় অবুঝ শিশুর মতো একটা খেলনা ফেলনা জাতীয় আবদার। জাতির সব চাওয়া পাওয়া এর মাঝখানে ঝুলে আছে।
খালেদা জিয়া আন্দোলনের দিক থেকে শেখ সাহেব, ও মওলানা ভাসানীকে অনেক পেছেন রেখে ৯১ দিনের এক রেকর্ড গড়েছেন। মওলানা ভাসানী একদিনের অবস্হান ধর্মঘট করে শেখ মুজিবকে ফাঁসী থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন; শেখ সাহেব ২১ দিনের অসহযোগ শুরু করে স্বাধীনতা যুদ্ধ ডেকে এনেছিলেন; খালেদা জিয়া ৯১ দিন আন্দোলন করে, ১৫০ জন নিরীহ মানুষের জীবনাবসান ঘটায়েছেন, ২০০জনকে আজীবনের জন্য পংগু করেছেন, ৫০ বিলিয়ন ডলারের জাতীয় আয় ছাইতে পরিণত করেছেন, নিজের ছেলেকে অফিস থেকে করবস্হানে পাঠায়েছেন; মনে হয়, কোকোর মৃত্যু আন্দোলনের ভয়ের সাথে যুক্ত ছিল।
গতকাল আবার শরিকদের সাথে বসেছেন নতুনভাবে আন্দোলন করার জন্য; উনার মিটিং এ যারা উপস্হিত ছিলেন, সবাই কোন না কোনভাবে অপরাধের সাথে যুক্ত, এরা বা এদের পরিবার বাংলাদেশ চায়নি, কেহ কেহ বাংলাদেশের বিপক্ষে যুদ্ধ করেছে; কোন না কোন কারনে ইতিহাসের খল নায়ক; ওদের দ্বারা আন্ডা ভাংগা হবে না; সর্বাধিক গৃহযুদ্ধ হতে পারে।
উনি আর ক্ষমতায় যেতে পারবেন না; এটাকে মনে রেখে আন্দোলন ইত্যাদি প্ল্যান করার দরকার উনার; ভোট হবে, তবে ক্ষমতায় উনার কোয়ালিশন যেতে পারবেন না, উনার জন্য বিরোধীদলে বসার ছক তৈরি করা আছে; এখন ওটাই চাইছেন, মনে হয়।
উনি যদি সিরিয়াস হন, উনি যদি চান যে, উনি না থাকলে শেখ হাসিনাও যেন ক্ষমতায় না থাকে, তা'হলে উনাকে রাজনীতি থেকে অবসর নিতে হবে; উনি না থাকলে মানুষ শেখ হাসিনাকে থাকতে দেবে না ক্ষমতায়।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ১২:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




