আওয়ামী সেক্রেটারী সৈয়দ আশরাফ নতুন একটা প্রচেস্টা চালানোর কথা বলছেন, "শেখ সাহেবকে সার্বজনীন" নেতা হিসেব মানুষের সামনে তুলে ধরার।
শেখ সাহেবকে 'সার্বজনীন' করে তোলা সম্ভব হবে না হয়তো, সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে থাকবে উনার শেষ একটি পরিচয়, "আওয়ামী লীগের সভাপতি"; উনার মৃত্যুকালে, উনি ২টি পদে ছিলেন, দেশের প্রেসিডেন্ট ও "বাকশাল" প্রধান (আওয়ামী লীগ প্রধান); প্রেসিডেন্ট পদটা ছিল "সার্বজনীন"; কিন্তু 'বাকশাল প্রধান" বা আওয়ামী লীগ প্রধান সার্বজনীন পদ নয়; ফলে, উনি নিজেই সার্বজনীন হওয়ার পথটি রুদ্ধ করে গেছেন।
১৯৭০ সালের ভোটে, তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ভোটে অংশ নিলেও, ৬ দফার কারণে উনার একটা সার্বজনীন অবস্হান ছিল; তারপর, ১০ই জানুয়ারীতেও উনার সার্বজনীন অবস্হান ছিল; কারণ, মানুষ জানতো না যে, নতুন দেশে উনার ভুমিকা কি হবে। পরদিনই সবকিছু বদলায়ে যায়, তিনি দেশের প্রধান ও আওয়ামী লীগ প্রধান; মানুষ সেই মহুর্তে ইমোশানেল ছিল; উনি কত পদে আছেন, কারো মাথা ব্যথার ব্যাপার ছিলো না; কিন্তু উনি উনার পথ বেচে নিয়েছিলেন, "আওয়ামী লীগ প্রধান"; উনি সাড়ে ৭ কোটী থেকে বেরিয়ে গিয়ে একাংশের প্রধান হলেন, এটা ভুল ছিল।
সেই ভুল হয়তো আর শোধরানো যাবে না আজ। মুক্তিযু্দ্ধের জেনারেশন, স্বাধীনতার পরের ১ম জেনারেশন ঝিমিয়ে পড়লে শেখ সাহেবের জনপ্রিয়তা আবার বেড়ে উঠবে, শুধু স্বাধীনতার জন্য ঐক্যবদ্ধ করার জন্য; কিন্তু আওয়ামী লীগ থেকে 'সার্বজনীন' করার কোন প্রচেস্টা করলে, সেটা বরং খারাপ হতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে আগস্ট, ২০১৫ বিকাল ৫:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




