ঢাকা শহরের বাসিন্দাদের ৪০ লাখ মোটামুটি বস্তি, বা বস্তির পরিবেশে পরিবার নিয়ে থাকে; ২ লাখ প্লাটিকের নীচে, কিংবা আকাশের নীচে, সরকারী ভবনের বারান্দায় ঘুমায়; ৫ লাখের বেশী পুরো পরিবার নিয়ে ১ রুমের বাসায় থাকে; আবার শহর প্রতিদিনই বাড়ছে, কোন সীমা নেই; মানুষ যেখানে ইচ্ছা বাড়ী তুলছে; চাষের জমি কমছে।
এদিকে, ১৯৮০ সাল থেক সরকার কিছু সৌভাগ্যবানকে ২/৩ লাখ টাকার বিনিময়ে কোটী থেকে কয়েক কোটীর মালিক করেছে প্লট দিয়ে; যতই সততার সাথে দেয়া হোক না কেন, একপরিবারকে না দিয়ে, অন্য পরিবারকে কোটীপতি বানানো চরম অন্যায়; মানুষের মৌলিক অধিকারের বিপক্ষে।
সরকার যখনই প্লট দিয়েছে, গার্মেন্টস ও অন্য পেশার শ্রমিকেরা, সাধারণ চাকুরে 'ডিপোজিটের' অভাবে কখনো দরকাস্ত করতে পারেনি; কোটীপতি হওয়ার জন্য চেস্টা করার সুযোগও পায়নি; যদিও থাকার যায়গার সমস্যা তাদেরই। এমপি, ব্যবসায়ী, সেক্রেটারীদের প্লটের দরকার ছিল না কখনো; কিন্তু বেশীর ভাগ ওরাই পেয়েছে।
১৭ কোটীর দেশ হিসেবে, মাথপিছু ভুমি নেই বললেই চলে; শতকরা ৬০ ভাগের সৌভাগ্যক্রমে, সরকার ও দুস্টরা মিলে প্রায় শতকরা ৪০ ভাগকে ভুমিহীন করে ফেলেছে ৪৪ বছরে; এতে শতকরা ৬০ ভাগের মাথাপিছু ভুমি বেড়েছে; আমাদর ভুমির দাম বিশ্বের যেকোন শহর থেকে শতগুণে বেশী।
২০৩০ সালে মানুষ হবে ২১ কোটী; ২০৫০ সালে মানুষ হবে ২৯ কোটী; মানুষ দাঁড়ানোরও জায়গা থাকবে না; আমরা যায়গা নস্ট করতে পারি না।
আমাদেরকে হাইরাইজ এপার্টমেন্ট বানাতে হবে, সরকারীভাবে; মানুষকে এপার্টমেন্ট দিতে হবে; সব শ্রমিককে সবার আগে থাকার যায়গা দিতে হবে; ওদের থাকার যায়গা না থাকলে, দেশের জন্য টাকা কে আয় করবে?
ঢাকা শহরের চারিপাশে ৩০ মাইলের ভেতর, নতুন করে কেহ যেন বাড়ী তুলতে না পারে, জমি নিয়ে আবাসিক এলাকা গড়তে না পারে, সেটার জন্য আইন করতে হবে। শহর যেন আর এক ইন্চিও বাড়তে না পারে কোন দিকে, বাড়তে পারবে শুধু উপরের দিকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

