তারেক জিয়া নাকি 'একজন জিনিয়াস নেতা', বলেছেন ড: এমাজুদ্দিন সাহেব; এমাজুদ্দিন সাহেব আবার খালেদা জিয়া'র 'থিংক ট্যাংক'; এসব থিংক ট্যাংকরা খালেদা জিয়াকে ৩২ বছর বিএনপি'র চেয়ারম্যান থাকতে সাহায্য করেছেন। ৩২ বছর কতজন বাংগালী মহিলা কর্ম জীবনে সক্রীয় থাকেন?
যাক লন্ডন ঘুরে এসে, খালেদা জিয়া ছেলে মানুষের মত তারেক জিয়ার পথ ধরেছেন, বাঘের লেজ দিয়ে কান চুলকায়েছেন, "মুক্তিযুদ্ধে শীদের সংখ্যা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন"।
মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে গোলাম আজম, নিজামী, সাইদী, মুজাহিদ ও পাকীদের সন্দেহ আছে, এগুলো জানা ক্থা; মনে মনে খালেদা জিয়ারও সন্দেহ ছিল, এবং সেটাও অনেকেই জানতেন; কিন্তু উনি ৩২ বছর বিএনপি'র সভাপতি, ৩ বার প্রাইম মিনিস্টার ও ২ বার বিরোধীদলের নেত্রী হওয়ার পর, জাতি উনার মুখ থেকে এ কথা শুনতে চায়নি কোনদিন; যদিও, গয়েশ্বর রায়েরা এতে তেমন বিচলিত হয়নি।
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অনেকগুলো মামলা আছে, মোটামুটি সবগুলো দুর্নীতির মামলা; দুর্নীতি বাংলাদেশে এখন রাস্ট্রীয় নীতিতে পরিণত হয়েছে, এবং মানুষও মানসিকভাবে গ্রহন করেছে যে, সরকারের বড় বড় পোস্টের লোকেরা শুধু দুর্নীতি করার জন্যই ওখানে যায়; ফলে, সেই মামলাগুলো অনেকটা হালকা হয়ে গেছে; মানুষ ধরে নিয়েছে যে, প্রাইম মিনিস্টার থাকাকালীন দুর্নীতি না করলে, সেটা আবার কিসের প্রাইম মিনিস্টার?
শহীদের সংখ্যা উনার সন্দেহ প্রকাশ করা নিয়ে মামলা হয়েছে; এই মামলায় উনি মানুষের সহনুভুতি হারাবেন, এখানে মানুষের মন উনার বিপক্ষে চলে যাবে; শেখ হাসিনার বিরোধীতা করার জন্য যারা খালেদা জিয়াকে নেত্রী মনে করতেন, তারাও আস্হা হারায়ে ফেলবেন; ফলে, এটাই হয়তো শেষ মামলা, যেটা উনার চেয়ার উল্টায়ে দেবে; উনি অবশেষে শান্তি খুঁজে পাবেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১৬ ভোর ৪:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



