সেন্ট্রাল শহীদ মিনার ছাড়া বাকী সব শহীদ মিনার হয়েছে মোটামুটি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুলগুলোতে; এই শহীদ মিনারগুলো করার পেছনে ছাত্ররাই ছিলো, কিছু শিক্ষকও থাকতেন; একুশের ভোরে ছাত্র ও শিক্ষকেরাই শহীদ মিনারে গেছে।
যারা জীবনে ছাত্র হওয়ার সুযোগ পায়নি, কিংবা ২/১ ক্লাশ পড়ার পর ঝরে গেছে, শহীদ মিনার তাদের জন্য আসলে কি, তাদের কোন স্হান ওখানে ছিল, বা আছে?
আজ যার বয়স ৫০/৫১, এবং পড়তে ও লিখতে পারে না; স্বাধীন বাংলার শহীদ মিনারগুলো ওর কাছে কেমন মনে হয়? যারা নাম লিখতে পারে না, পড়তে পারে না, তারা যদি ঢাকা ইউনিভার্সিটির শিক্ষকদের সাথে, ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে, ২১ শের ভোরে শহীদ মিনারে যায়, ওদের নিজের কাছে কেমন লাগবে, ওদের কি সেই সাহস আছে?
শহীদ মিনারে যাবার সাহস নেই কেন, ওরা কি অপরাধী?
আমাদের স্কুলের শহীদ মিনার করেছিলাম ছাত্ররা মিলে; শিক্ষকদের একাংশ সাহয্য করেছেন; স্কুলঘর তৈরি করার জন্য আনা ইট থেকে আমরা শহীদ মিনার করেছিলাম; সিমেন্ট মাখাতে ও ইট লাগাতে সাহায্য করেছিলেন স্হানীয় একজন রাজমিস্ত্রী। রাজমিস্ত্রী বয়সে ২২/২৩ বছরের ছেলে ছিল; আমরা তাকে ২১ শে'র অনুস্ঠানে আমার জন্য অনুরোধ করেছিলাম; সে আসেনি। পরে জেনেছিলাম যে, সে লেখাপড়া না জানায়, স্কুলের অনুস্ঠানে আসতে চায়নি।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



