
পাশ করলে অভিনন্দন, ফেল করলে কি, তিরস্কার? বাবা-মা, পরিবার মনে কস্ট পেলে কিছুটা তিরস্কারের ঘটনা ঘটবে; তবে, সেটা যেন সীমাহীন না হয়, কারণ এইচএসসি লেভেলের ছাত্রছাত্রীরা যথেস্ট দায়িত্বশীল তরুণ-তরুণী, জীবনের এই স্তরে একটা ফেল জীবনের মোড় ঘুরায়ে দেবে; এটা যেমন সামাজিকভাবে পরীক্ষার্থীদের ও তাদের পরিবারের উপর প্রভাব রাখবে, তেমনি এটা আর্থিক প্রভাব রাখবে পরিবারের উপর, এবং পুরো জাতির উপর।
শতকরা ২৫ জন ফেল করলে, কলেজগুলোকে অদক্ষতার জন্য শাস্তি দেয়ার দরকার আছে; এবং মিনিস্ট্রি থেকে এদের উপর বিপুল চাপ সৃস্টি করার দরকার; এবং আগামী বছরের জন্য সমাধান দাবী করার দরকার।
যারা ফেল করেছে, তাদের প্রত্যেকের ফেল-করার কারণ নির্ণয় করে, প্রত্যেককে ব্যক্তি-পর্যায়ে সাহায্য করা খুবই প্রয়োজন, যাতে তারা সবাই আবার সফল হতে পারে, যাতে এদের একাংশ ঝরে না যায়; এজন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে রিটায়ার করেছেন, এমন কলেজ শিক্ষকদের মাঝ থেকে ৩০০০/৪০০০ শিক্ষককে ১/২ মাসের জন্য নিয়োগ দিয়ে, এসব ছাত্রছাত্রীরদের প্রত্যেকের এভালুয়েশন করে, একটা প্রোফাইল তৈরি করা দরকার, কোন কোন সাবজেক্টে এদের সাহায্যের দরকার, কিভাবে সেটা করা সম্ভব, এবং সেই অনুযায়ী এদের জন্য টিউটোরিয়েল শিক্ষক নিয়োগ। মন্ত্রী নাহিদকে এসব নাগরিকদের জন্য বিনিয়োগ করতে হবে।
মন্ত্রী নাহিদ যদি সচেস্ট হন, এ ধরণের বড় ফেল থেকে জাতিকে রক্ষা করতে পারেন; এইচএসসি'র ১ম বছর শেষ হলে, প্রতি কলেজকে ফেলের ঝুঁকির মাঝে থাকা ছাত্রছাত্রীদের লিস্ট উনার হাতে দেয়ার জন্য উনি আদেশ দিতে পারেন; ১ বছর সময় হাতে পেলে, এ ধরণের ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য করা খুবই সম্ভব। ১৭/১৮ বছরের একজন নাগরিকের বড় অধিকার হলো শিক্ষা, এটার জন্য সরকারকে সব করা দরকার; এবং বাংলাদেশের মতো দেশে, এ ধরণের সাহয্যের ব্যবস্হা করা খুবই সহজ, টাকা পয়সার দিকে থেকে খুবই সস্তা; সবচয়ে বড় কথা, জাতির সবাইকে ফ্রি পড়ানোর মতো সম্পদ জাতির রিজার্ভে পড়ে আছে, ইঁদুর খাচ্ছে সেই সম্পদ; মন্ত্রী নাহিদকে চেস্টা করতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
