
১৯৯৯ সালে, ২১ থেকে ২২ লাখ শিশু জন্মেছিল; ১৬ বছরে যদি ২ লাখের কাছাকাছির মৃত্যু হয়, মোটামুটি ২০ লাখ, বা তার থেকে বেশী তরুণ তরুণী জীবিত আছে; এদের থেকে ১২ লাখ ৮ হাজার এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল এ বছর, ৯ লাখ পাশ করেছে, ৩ লাখ ফেল করেছে; বাকী ৮ লাখ কোথায়?
২০১৬ সালে যদি জাতির ৮ লাখ তরুণ তরুণী ১২ ক্লাশ অবধি পৌঁছতে না পারে, যদি কখনো না পৌঁছে, এদের জীবন কেমন হবে আগামী ২/৩ বছরের মাঝে, এরা জাতিকে কিভাবে সাহায্য করবে?
এই গ্রুপের তরুণ তরুণীরা ২০০৪ সালে স্কুলে যাওয়ার শুরু করেছিল; তখন হয়তো মোটামুটি ৩/৪ লাখ শিশুকে স্কুলে পাঠানো হয়নি; ২০০৪ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার ছিল দেশে; ২০০৪ সালে মাত্র ৩/৪ লাখ শিশুকে উনি স্কুলে পাঠানোর দায়িত্ব নেননি; উনি কি করছিলেন তখন? এগুলো জাতির বিরুদ্ধে বড় ধরণের অপরাধ!
গড়ে ১৭ বছরের ৮ লাখ তরুণ তরুণী এখন দেশে আছে, যারা ১২ ক্লাশ অবধি শেষ করতে পারেনি; এরা কোথায় আছে, কি করছে, পরিবারে ও সমাজে এদের অবস্হান জানা জাতির জন্য খুবই দরকারী বিষয়। যারা ২ দিন আগে ১২ ক্লাশ পাশ করলো, তাদের তুলনায় এরা খুবই খারাপ অবস্হানে চলে গেছে এই ৮ লাখ।
যেহেতু এদের বয়স মোটামুটি এখনো ১৭ বছর, এরা পরিবারের ও নিজের জন্য এখনো সমস্যা নয়; এদের মা-বাবা প্রায়ই ক্ষেত্রে জীবিত আছেন, এরা পরিবারের সাথে চলে যাচ্ছেন, এখনো জীবনের সমস্যার পুরোপুরি সন্মুখীন হয়নি; তবে শীঘ্রই হবে।
এদের ভবিষ্যত নিয়ে সমাজ, শিক্ষিত শ্রেণী ও প্রশাসনকে ভাবা উচিত, এবং এদেরকে এখনি সাহায্য করা উচিত; আগামী ২/৩ বছর পর, এদেরকে সাহায্য করা সম্ভব হবে না; তখন এরা কোন কিছুতে জড়িছে নীচু মানের জীবন শুরু করবে।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


