somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্পঃ রক্ত ঋণ

২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




আমাদের পরিবারে সাব্বির নামটা উচ্চারণ করা নিষিদ্ধ । সাব্বির ভাইয়া আব্বুর প্রথম সংসারের একমাত্র সন্তান আর আমরা দুই ভাই -বোন তার দ্বিতীয় সংসারের।
সাব্বির ভাইয়ার মা মারা যাওয়ার পর আব্বু যখন আমার মাকে বিয়ে করেন, তখন সাব্বির ভাইয়ের বয়স মাত্র বারো বছর।মায়ের মৃত্যু পর( কেউ কেউ বলে অপমৃত্যু !) আব্বু আমার মাকে বিয়ে করেন। ভাইয়া সাথে আম্মু আর আব্বুর ঠিক কি হয়েছিল জানি না।তবে বাতাসে কান পাতলে অনেক কথায় শোনা যায়। আসলে লোকে তো কত কথাই বলে সবটা কি আর সত্যি হয়। যাহোক নানা ঘটনা রটনার পর ভাইয়া না-কি অভিমান করে বাড়ির কাউকে কিছু না বলে মাত্র ষোলো বছর বয়সে বাড়ি ছেড়ে হঠাৎই চলে কোথাও চলে গিয়েছিল। আমার একরোখা প্রচণ্ড অহংকারী বাবা তার খোঁজ টুকু নেবার প্রয়োজন বোধ করেনি সেসময়। তারপর থেকে দীর্ঘ পঁচিশ বছর এই বাড়িতে তাঁর নাম উচ্চারণ করাও বারণ ছিল।

আগেই বলেছি আব্বু প্রচণ্ড একগুঁয়ে আর অহংকারী মানুষ।চলছিল একরকম ভালোই কিন্তু অবসর নেয়ার পর জমা টাকা দিয়ে একটা ছোট ব্যবসা শুরু করেছিলেন, বছরখানেক বাদে পার্টনারের প্রতারণায় একদম নিঃস্ব হয়ে যান। এদিকে আমার পড়াশোনা শেষ হতে তখনও কিছু বাকি। ব্যাংক লোনের দায়ে মোহাম্মদপুরের আমাদের পুরোনো পৈতৃক বাড়িটা নিলামে ওঠার উপক্রম হলো। ঘরে খাবার কেনার পর্যাপ্ত টাকা নেই, বোনটার কলেজের ফি বাকি, বিদ্যুৎ বিল জমে পাহাড়।বাড়ির ট্যাক্স, গ্যাসের বিল... সে এক যা-তা অবস্থা।
আমাদের সেরকম কোন আত্মীয় নেই যে সাহায্য সহযোগিতা পাওয়া যাবে।
মা সারাদিন মুখ ভার করে থাকেন আর রাতে লুকিয়ে কাঁদেন, আর আব্বু ড্রয়িংরুমের ইজিচেয়ারে বসে একদৃষ্টে অসহায়ের মতো দেয়ালের দিকে তাকিয়ে নিরবিচ্ছিন্ন তামাক টানেন। তাঁর বিশাল অহংকার তাকে ভেতরের ভেতর শেষ করে দিচ্ছিল।এর সাথে হঠাৎ করে যোগ হলো তার নানাবিধ শারীরিক অসুস্থতা। আমার টিউশনির ক'টা টাকায় এতগুলো মানুষের সংসার টেনে নেওয়া সত্যি দুরূহ ব্যাপার। মাঝেমাঝে আমার রাতে ঘুম ভেঙে যায়।গলা বুক শুকিয়ে আসে অনাগত দিনগুলোর কথা ভেবে। আমি বিকল্প কিছু ভাবতে পারি না।

ঠিক এমন এক ঘোর অমানিশার সময় আমাদের বাড়িতে হঠাৎ একটা পার্সেল এলো। অজানা অচেনা মেয়েটা যখন খাম আর একটা মোটা চেক বের করে বললো, "প্রাপক: দিদারুল আলম , প্রেরক: সাব্বির আলম," তখন বাবার মুখটা একমুহূর্তে কালো হয়ে গেল।

পঁচাত্তর লাখ টাকার একটা ব্যাংক ড্রাফট!

বাবা ধমকে উঠলেন, " এই মেয়ে তুমি কে জানি না তবে এই টাকা ফেরত নিয়ে যাও! আমি কারো করুণা চাই না। যে ছেলে পঁচিশ বছর বাপের খোঁজ খবর নেয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি, তার টাকার আমার দরকার নেই ।"

মেয়েটা বেশ কিছু সময় ধরে অনেক করে বোঝাতে চাইলো।এটা কোন দান নয় এটা আমাদের হকের টাকা ইত্যাদি। তার চোখে অদ্ভুত রকম মায়া ছিল ।শেষটায় একসময় চলে যেতে উদ্যত হতেই মা গিয়ে আব্বুর হাত চেপে ধরলেন। কান্নায় ভেঙে পড়ে বললেন, "তোমার কি কোনো দয়া-মায়া নেই? ছেলে দিয়েছে, পর তো দেয়নি! নিজের কথা একবার ভাবো।এরপর কোথায় গিয়ে দাড়াবে?ভেবে দেখো বাড়িটা বেঁচে যাবে, ছেলেমেয়ে দুটো রাস্তায় দাঁড়াবে না। তোমার চিকিৎসার জরুরি প্রয়োজন। তোমার ঠুনকো অহংকার তুমি ছাড়ো।ছেলে মানুষ ছিল সাব্বির। সেসময় কিছু ভুলবোঝাবুঝি হয়েছিল আমাদের। তুমি ওকে অন্যায় মার মেরেছিলে। মা মরা ছেলের অভিমান তো হতেই পারে তাই বলে রাগ ক্ষোভ এত বছর ধরে পুষে রাখতে হবে? এত কিসের দম্ভ তোমার?

তারপরও বাবার তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও মা আর আমি জোরাজুরি করে পার্সেলটা গ্রহণ করলাম। এরপরও অনেক কাজ ছিল। সেগুলো সেরে চেকটা ভাঙিয়ে ব্যাংকের ঋণ শোধ হলো। বাড়িটা বেঁচে গেল। ছোট বোনের কলেজের ফি জমা হলো, আব্বুকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো।তার শরীরের বেশ কিছু রোগের প্রকোপ ধরা পড়ল। সংসারে আবার চলতে লাগলো আগের মতো।এখন আমাদের ব্যাংকে কোন দেনা নেই বরং ব্যাংক ব্যালেন্স আছে।বেশ নিশ্চিন্ত জীবন। তবে আমার চাকরির চেষ্টা অব্যাহত। ডুবে যেতে বসা আমাদের পুরো পরিবারটা যেন হঠাৎই খড়কুটোর মতো কিছু একটা আঁকড়ে ধরে দ্বিতীয় জীবন পেল।

কিন্তু আব্বুর কথার তেজ, একগুঁয়েমি আর অহংকার একবিন্দুও কমেনি। খাবার টেবিলে মাছের টুকরোটা মুখে তোলার সময়ও তিনি গজগজ করেন, "কুলাঙ্গারের টাকায় আমাকে চলতে হচ্ছে । এদিনও আমাকে দেখতে হলো।কে জানে কোন পথে উপার্জিত টাকা।
এরকম বক্তব্যের সময় আমরা হঠাৎ চুপ করে যেতাম।কিইবা বলার আছে কিছুই বলতাম না।

দিন কেটে যাচ্ছিল। এক রাতে খাবার টেবিলে মা হঠাৎ বললেন, "রফিক, সাব্বির না থাকলে আজ আমরা কোথায় ভেসে যেতাম ভেবেছিস কখনও? ছেলেটার একটু খোঁজ নে। সেও তো এই সম্পত্তির অংশীদার। তারও এ বাড়িতে স্থান আছে। অন্তত তাকে 'ধন্যবাদ' তো বলা যায়? হাজার হোক, রক্তের টান তো ফেলনা নয়।তোর বাপ যা বলে বলুক তুই একটু খোঁজ নে।"

বোনটাও ফিসফিস করে বললো, "হ্যাঁ আব্বু তুমি আর মনের মধ্যে রাগ পুষে রেখ না ভাইয়াকে একটা ফোন দাও ।"

বাবা গ্লাসে পানি ঢালতে ঢালতে কঠোর গলায় বললেন, "না,একদম না। সে দয়া দেখিয়েছে, আমি চাইনি। এই বাড়িতে আজকের পর তাকে নিয়ে আর কোনো আলোচনা হবে না।"

আমি আর থাকতে পারলাম না। থালা ঠেলে উঠে দাঁড়িয়ে বললাম, "তুমি খোঁজ না নিলে না নাও ফোন না দিলে না দাও, আমি আমার ভাইকে খুঁজে বের করবো। যে মানুষটা না চাইলে আজ আমাদের মাথার ওপর ছাদ থাকতো না, তার সাথে এমন অকৃতজ্ঞের মতো ব্যবহার আমরা করতে পারি না।"

বাবা আমার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন, কিন্তু কিছু বললেন না। তাঁর ওই নীরবতার পেছনে হয়তো কোথাও একটা সূক্ষ্ম অপরাধবোধ লুকিয়ে ছিল, যা তিনি স্বীকার করতে চাইছিলেন না।

পরদিন সকালে আমি সাব্বির ভাইয়ের খোঁজে বের হলাম। ব্যাংকের চেকের খামের গায়ে একটি প্রাইভেট আইটি প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেয়া ছিল—...

বাস ধরে যখন জয়দেবপুরের সেই অফিসে পৌঁছালাম, তখন দুপুর গড়িয়েছে। অভ্যর্থনা কক্ষে গিয়ে যোগাযোগ করলাম। একটু পরে ম্যানেজারের রুমে ডাক পড়ল।আমি বসতে বসতে ম্যানেজারকে বললাম, "আমি সাব্বির আলমের ছোট ভাই। তাঁর সাথে দেখা করতে চাই।উনাকে কোথায় পাওয়া যাবে? "

ম্যানেজার সাহেব আমার দিকে অদ্ভুত এক দৃষ্টিতে তাকালেন। সেই চোখে বিষাদ আর বিস্ময় মেশানো। তিনি কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, "আপনি কি কিছু জানেন না?"

আমার বুকটা ধক করে উঠলো।আমি উঠে দাঁড়ালাম, বললাম
-"কী জানি না?"

তিনি উঠে এসে আমাকে হাত ধরে বসালেন। তারপর ড্রয়ার থেকে একটা ফাইল বের করে বললেন, "সাব্বির সাহেব আমাদের কোম্পানির চিফ আর্কিটেক্ট ছিলেন। গত মাসে তিনি মারা গেছেন।"

ঘরের ছাদটা যেন আমার মাথায় ভেঙে পড়লো। কান ঝাঁ ঝাঁ করে উঠলো। "মারা গেছেন! মানে? তাহলে পনেরো দিন আগে যে পার্সেল এলো? পঁচাত্তর লাখ টাকার চেক?"

ম্যানেজার একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "সাব্বির সাহেবের কিডনীর রুগী ছিলেন। লিভারেও সমস্যা ছিল।রোগগুলি একেবারে শেষ ধাপে ধরা পড়েছিল।তবে উনি জানতেন উনি আর বাঁচবেন না। উনার নিজস্ব কোনো পরিবার ছিল না, বিয়েও করেননি। মারা যাওয়ার কিছুদিন আগে উনি জানতে পারেন উনার বাবার বাড়ি নিলামে উঠছে।অবস্থা আর আগের মতো নেই। নিজেই যোগাযোগ করতে চেয়েছিলেন কিন্তু .. সে-সব কথা থাক... "

ম্যানেজার থামলেন। নিজে পানি খেলেন তারপর আমার দিকে এক
গ্লাস পানি এগিয়ে দিয়ে আবার বললেন, "নিজের সমস্ত সঞ্চয়, প্রভিডেন্ট ফান্ড, ইন্স্যুরেন্সের টাকা আর উনার মামার বাড়ি থেকে প্রাপ্য সম্পত্তি বেচার টাকা উনি এই ব্যাংক ড্রাফটটা করিয়েছিলেন। আমাদের আইনি উপদেষ্টাকে বলে গিয়েছিলেন, 'আমার মৃত্যু পর এই পার্সেলটা আমার বাবার ঠিকানায় পৌঁছে দেবেন। বেঁচে থাকতে পাঠালে আমার বাবা এই টাকা ছুঁয়েও দেখবেন না জানি। কিন্তু মৃত্যুর পর পাঠালে হয়তো ফেলতে পারবেন না।' পার্সেলটা পাঠানোর তিন দিন আগে উনি হাসপাতালে মারা যান।"

আমার চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়তে লাগলো। গলা দিয়ে কোনো শব্দ বের হচ্ছিল না। অভিমান! এত বড় অভিমান মানুষ বুকের ভেতর কিভাবে পুষে রাখে? নিজের জীবনের শেষ সম্বলটুকু দিয়ে গেলেন সেই বাপের জন্য, যিনি তাকে চিরকাল পর ভেবে কাটিয়ে দিলেন!

আমি কাঁদতে কাঁদতে বললাম , "আপনি কি জানেন ভাইয়ার কবরটা কোথায়?"

ম্যানেজার আমাকে একটা ঠিকানা ও ফোন নম্বর দিলেন।
আমরা অফিস থেকে বিদায় নিয়ে সেই ঠিকানা খুঁজে বের করলাম। এরা সেই মেয়েটির বাড়ি যে আমাদের বাড়িতে ব্যাংক ড্রাফটের টাকার পার্সেলটা নিয়ে গিয়েছিল। আমাকে দেখে বসতে বললেন। একজন মধ্য বয়স্কা ভদ্রমহিলা হালকা নাশতা নিয়ে এলেন। কিন্তু কেন জানি ওনারা তেমন কিছু বলছিলেন না। একসময় মধ্যবয়স্কা ভদ্রমহিলা নীরবতা ভেঙে জিজ্ঞাসা করলেন -আপনার আব্বুর রাগ কমেছে?
- আব্বু ওরকমই।
-ও। যাহোক আমি সাব্বিরের মামী হই। আমাদের এ কুলে আর কেউ নেই। সবাই চলে গেছে। সাব্বির খুব ভালো ছেলে ছিল....

দুপুরে খাওয়ার পর আমরা কাছাকাছি একটা ছোট কবরস্থানে গেলাম। কাঁচা মাটির একটা ঢিবি। মাথার কাছে ছোট একটা কাঠের ফলকে লেখা—'সাব্বির আলম'।

আমি মাটির ওপর হাঁটু গেড়ে বসে পড়লাম। ভেজা মাটিতে হাত রেখে হাউমাউ করে কেঁদে উঠলাম। এত বছর ধরে যে ভাইটাকে আমরা ভাবতাম 'হৃদয়হীন', যে নিজেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিল, সে আসলে তিল তিল করে নিজের জীবন শেষ করে আমাদের বাঁচিয়ে দিয়ে গেল। আর আমরা? আমরা তার জীবিত অবস্থায় কোনোদিন খোঁজ নিইনি, শেষযাত্রাতেও পাশে থাকতে পারলাম না।
আসবার সময় মেয়েটি বলল
- তুমি কি জানো তোমার ভাইয়ার সাথে আমার সম্পর্কটা কি?
আমি মাথা নাড়লাম, বললাম
- আপনারা মামাতো ফুফাতো ভাই- বোন।
- আবার আসবে। অনেক কথা বলার আছে। আমি তোমার ভাইয়ার মত চাপা স্বভাবের নই। আমাকে একটু হালকা হতে হবে। এত নীরবতা সত্যি অসহ্য। লাবনী ম্যাডামের চোখে তখন জল ছিল।

বিকালে যখন বাড়ি ফিরলাম, সূর্য ডুবছে। সারা ঘর অন্ধকার। আব্বু বরাবরের মতো ড্রয়িংরুমের ওপাশটায় বারান্দায় ইজিচেয়ারে বসে আছেন।

আমি দরজায় গিয়ে দাঁড়ালাম। আমাকে দেখে আব্বু শুকনো গলায় জিজ্ঞেস করলেন, "খোঁজ পেলি? তোর ভাই কী বললো? খুব বাহাদুরি দেখালো, তাই না?"

আমি কোনো উত্তর দিলাম না। সোজা গিয়ে বাবার পায়ের কাছে বসলাম। পকেট থেকে ম্যানেজার সাহেবের দেয়া সাব্বির ভাইয়ের ডেথ সার্টিফিকেট আর কবরের ছবিটা বের করে বাবার কোলে রাখলাম।

অন্ধকারের মধ্যে আব্বু কাগজটার দিকে তাকালেন। তারপর পকেট থেকে চশমাটা বের করে চোখে দিলেন। হালকা নিভন্ত আলোয় আব্বু ডেথ সার্টিফিকেটের তারিখটা পড়লেন, তারপর কবরের ছবির দিকে তাকালেন।

ঘরজুড়ে এক ভুতুড়ে নীরবতা।

এত বছরের মধ্যে যে মানুষটাকে কোনোদিন একফোঁটা চোখের জল ফেলতে দেখিনি, সেই পাষাণ মানুষটার হাত দুটো থরথর করে কাঁপছে। চোখের কোণ বেয়ে মোটা মোটা জলের ফোটা গড়িয়ে পড়ছে সেই কাগজের ওপর।

আব্বু ছবিটা বুকের সাথে চেপে ধরে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন। জীবনের সমস্ত অহংকার, সমস্ত ইগো একমুহূর্তে চুরমার হয়ে মাটিতে মিশে গেল যেন। কিন্তু ততক্ষণে/ ততদিনে অনেক অনেক দেরি হয়ে গেছে।
কিছু চিঠির উত্তর কেবল হিমশীতল নীরবতাই দিতে পারে আর কেউ নয়।

© রফিকুল ইসলাম ইসিয়াক
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩২


একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা
শুধু ২১ আগস্টের সেই ভয়াল গ্রেনেড হামলাই নয- বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে ১৯৮৮ সাল থেকে আজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট ছিলো আরো একটি ১৫/২১শে আগষ্টের অপচেষ্টা।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫২



২১শে আগস্ট পালন করা অর্থে , আমার কাছে মনে হচ্ছে আবারো জঘন্য কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে। কারন আমরা ঐ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার সম্পন্ন করতে পারিনি। আমরা যারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা - প্রমাণ

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:১২



ব্লগার সাহেব আমেরিকা থেকে লিখেছেন, “অমুক আসলে মুক্তিযোদ্ধা নন।”

আমি বন্ধুকে ফোন করলাম।
বললাম, “তুমি নাকি ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা?”

সে বলল, “বুঝতে পারছি না।”

“কেন?” আমি প্রশ্ন করলাম।

“১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন লা-মাযহাবিকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার কারণ কী ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৩২


আজকে নতুন চারটি মুখ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলো। এর মধ্যে একজনকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে । বলছি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকনের কথা। তিনি একজন লা মাযহাবি বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×