
মোটেই দরকার নেই!
মুক্তিযু্দ্ধ একটা যুদ্ধ, যা বাংগালী জাতিকে বীরের জাতিতে পরিণত করেছে; এ যুদ্ধে যারা পরাজিত হয়েছে, তারা এখনো বেঁচে আছে, তাদের শুভাকাংখীরা আছে; ওরা কটুক্তি মুখে না করলেও, মনে মনে করবে; এটাকে বাধা দেয়ার কোন উপায় আছে, বা দরকার আছে? অবশ্যই নেই! সুতরাং, এই অপচেস্টা কেন? বাংগালী জাতি বীরের জাতিতে পরিণত হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের কারণে; ইচ্ছা করলে, মুক্তিযু্দ্ধকে নিজ জাতির বীরত্ব হিসেবে নিয়ে, একটা রাজকারের ছেলেও গর্ব করার সুযোগ নিতে পারে।
রাজাকার হিসেব কেহ জীবনে গর্ব অনুভব করতে পেরেছে, নাকি পারবে? মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে কটুক্তি করে কেহ নিজকে কোথায়ও জাহির করতে পারবে? রাজাকারদের মিটিং'এ মনে হয়, মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে কিছু বলতে ওরা কাঁপে।
আর শেখ সাহেব, উনাকে কেহ কটুক্তি করবে কেন? বাংগালী কখনো কোন ব্যাপারে এক হয় না, উনি বাংগালীকে এক করে ছিলেন; তিনি স্বাধীনতামুখী বাংগালীদের নেতৃত্ব দিয়েছেন; স্বাধীনতা এসেছে, জাতি স্বাধীন হয়েছে; যারা স্বাধীনতা চায়নি, তারা হয়তো দেড় কোটীর মত ছিল ১৯৭১ সালে; ৬ কোটী স্বাধীনতা চেয়েছিলেন; উনি বড় অংশের মাননীয় নেতা; ছোটখাট ম্যায়াও প্যায়াও সব সময় থাকবে, থাকবে কিছু কালো ভেঁড়াও; এরা সব জাতিতে কমবেশী থাকে, এরা বিকলাংগ মনের অধিকারী।
আইন করে রক্ষা করলে, শেখ সাহেব ও মুক্তিযুদ্ধ সরকারের সম্পত্তি হয়ে যাবে; সরকারকে তা রক্ষা করতে হবে; সেটা ভুল মালিকানা। বাংগালীর নেতা ছিলেন শেখ সাহেব, মানুষ উনার সুনাম রক্ষা করবেন; বাংগালীর গর্ব মুক্তিযুদ্ধ, বাংগালী সেটাকে সংরক্ষণ করবেন, মানুষ সরকার থেকে বড়, মানুষ সরকার থেকে শক্তিশালী; এই দুইটির মালিকানা মানুষের হাতে থাকুক; আইন ফাইন কিছুই লাগবে না, মানুষই বড় রক্ষক; হাজার রাজকার একজন সাধারণ বাংগালীকে ভয় পায়।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে আগস্ট, ২০১৬ সকাল ৯:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


