
এই মাসের প্রথমদিকে, ট্রাম্প বসে বসে নিজের পায়ে কুড়াল মারছিলো, তাতে করে হিলারী ক্লিনটন জাতীয়-জরীপে প্রায় ১২ থেকে ১৫ পয়েন্ট উপরে উঠে গিয়েছিল; কিন্তু ওখানে ঝুলে থাকতে পারেনি, গতকালের ভেতর অনেকটুকু নীচে এসে গেছেন নিজের ভর ও মাধ্যাকর্ষণের টানে, এখন ৫ পয়েন্ট উপরে আছেন। এদিকে, ৭টি 'ব্যাটেল স্টেইটে' পয়েন্টের পার্থক্য ২/৪ করে মাত্র। যদি প্রথম ট্রাম্প-হিলারীর বিতর্কের ( ২৬ শে সেপ্টেম্বর) আগে হিলারী ২/১ পয়েন্ট নীচে নেমে যায়, উহাকে হয়তো আর উপরে নেয়া সম্ভব হবে না, ভারতীয় হাতির মত শুয়েই থাকবে; কারণ, তখন ডিবেইটের সুর বদলায়ে দেবে ট্রাম্প; আর যদি হিলারী এখন যেখানে আছে, কোনভাবে ওখানে ঝুলে থাকতে পারে, তা'হলে কিছুটা রক্ষা, যদিও অনেককিছু নির্ভর করবে ডিবেইটের উপর।
এই সপ্তাহে যদিও হিলারী সব যায়গায় হাসিমুখে প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট ভাব নিয়ে সবার সাথে গলাগলি করেছে, মিডিয়ায় ২টি বড় ব্যাপার বেরিয়ে এসেছে: একটি হলো, আরো প্রায় কয়েক হাজার সরকারী ইমেইল পাওয়া গেছে উনার ব্যক্তিগত ইমেইল একাউন্টে; অন্যটি ভয়ানক ব্যাপার, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের ডোনারেরা হিলারীের ফরেন-সেক্রেটারীর অফিসের লোকদের সাথে অফিসের সময়ে যোগাযোগ করে, ফান্ডের মিটিং, ডিনার ইত্যাদির সময়চুচি ইত্যাদি করেছে; ইহা মোটামুটি সমস্যার সৃস্টি করেছে, এবং ডিবেইটে ইহা বড় ইস্যুতে পরিণত হবে।
এদিকে ট্রাম্পও ইমিগ্রেসনের ব্যাপারে ডিগবাজি দিচ্ছে, সকালে একটা বিকেলে একটা বলে যাচ্ছে; অবশ্য এটা অনেকে ট্রাম্প ব্রান্ড হিসেবে নিচ্ছে; তারা মনে করছে যে, ট্রাম্প তো রাজনীতিবিদ নয়, ফলে সাজিয়ে গুজিয়ে বলতে পারছে না; ফলে, উলট পালট ডিগবাজি এখনো বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়নি। আবার, সে ডিগবাজীকে একটা প্যাটার্ণে পরিণত করেছে, স্পীকার ও সিনেটর ম্যাক-কেইনকে প্রথমে প্রাইমারীতে স্পনসরশীপ না দিয়ে, পরে দেয়াতে মানুষ খুশী হয়েছে; সে দেখাতে চেয়েছে যে, সে পলিটিশিয়ানদের পছন্দ করে না; নিজের লেজ আটকা পড়ায়, কিছুটা ছাড় দিচ্ছে মাত্র, যাতে তার ভাবমুর্তি খুব একটা মলিন হচ্ছে না।
হিলারীর হাতে পায়ে তেল জমে গেছে অনেক, অনেকেই তেল দিচ্ছে; কিন্তু জরীপের বাঁশ বেশ মসৃন, কস্ট করে উপরে উঠলেও টিকে থাকা সহজ হচ্ছে না। এখনো উঠানামা চলছে; ১ম বিতর্কের পর বুঝা যাবে আসল অবস্হা!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

